বেলা মিত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বেলা মিত্র
জন্ম১৯২০
কোদালিয়া, উত্তর ২৪পরগনা, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু৩১ জুলাই ১৯৫২
জাতিসত্তাবাঙালি
আন্দোলনআজাদ হিন্দ ফৌজ

বেলা মিত্র আজাদ হিন্দ ফৌজের কর্মী ছিলেন।

বংশ পরিচয়[সম্পাদনা]

পিতা সুরেশ চন্দ্র বসু, মাতা সুধা বসু[সম্পাদনা]

সম্পর্কে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ভাইঝি। স্বামী আজাদ হিন্দ ফৌজের বিপ্লবী ও প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার হরিদাস মিত্র। হরিদাস মিত্রের সাথে বিয়ে হয় ১৯৩৬ সালে। পুত্র অর্থনীতিবিদ ও বর্তমান পশ্চিমবংগ সরকারের মন্ত্রী অমিত মিত্র।[১]

স্বাধীনতা আন্দোলনে[সম্পাদনা]

পারিবারিক সূত্রে বিপ্লবী আন্দোলনে প্রবেশ, ১৯৪০ সালে রামগড়ে অনুষ্ঠিত কংগ্রেস অধিবেশন পরিত্যাগ করে নেতাজী যে আপোস বিরোধী সম্মেলনের ডাক দেন, বেলা মিত্র (বসু) ছিলেন সেই নারী বাহিনীর প্রধান।

আজাদ হিন্দ ফৌজে[সম্পাদনা]

পূর্ব এশিয়া থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজের যে বিভিন্ন দলগুলি নেতাজী ভারতে প্রেরণ করেন তাদের সাথে যোগাযোগ রাখা ও নিরাপদে অবতরণ করানোর দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল তার ওপর। ১৯৪৪ এর জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত কলকাতা থেকে সিংগাপুরে ট্রান্সমিটারে সংবাদ আদান প্রদান ও নিরাপদে বিপ্লবী দের নির্দিষ্ট জায়গায় পৌছে দেন বেলা মিত্র। হরিদাস মিত্র গ্রেপ্তার হলে তিনি দায়িত্ব নেন কাজ পরিচালনার। অলংকার বিক্রি করে সেই অর্থে কর্মীদের নিরাপদে আনা ও থাকার ব্যবস্থা করেন। বহু বাধা বিঘ্ন সত্ত্বেও উড়িষ্যার উপকূলে লোক পাঠিয়ে তাদের অবতরনের ব্যবস্থা করেছিলেন বেলা দেবী। ১৯৪৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আজাদ হিন্দ ফৌজের অনেকের সঙ্গে হরিদাস মিত্রের ফাঁসির হুকুম হলে তা মকুব করার আবেদন করেন গান্ধীজির কাছে এবং গান্ধীজির চেষ্টায় ফাঁসি রদ হয়।

স্বাধীনতার পর[সম্পাদনা]

১৯৪৭ এ 'ঝাঁসির রানী' সেবাদল গঠন। উদ্বাস্তুদের জন্যে সেবা, উন্নয়নমূলক কাজে আত্মনিয়োগ। বালি-ডানকুনির কাছে অভয়নগরে উদ্বাস্তু দের পূনর্বাসন দেওয়ার কাজ। অক্লান্ত পরিশ্রমে তার স্বাস্থ্যভঙ্গ ঘটে। তার জন্মদিনে নিকটবর্তী রেলওয়ে স্টেশনটির নতুন নাম হয় 'বেলানগর'

ভারতে, ভারতীয় কোনো মহিলার নামে স্টেশনের নামকরণের ইতিহাসে প্রথম।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. sabyasachi bandapadhya। "when Mahatma saved Netaji's revolutionaries from gallows"Indian Express 
  2. সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত (২০০২)। সংসদ বাঙালী চরিতাভিধান (প্রথম খন্ড)। কলকাতা: সাহিত্য সংসদ। পৃষ্ঠা ৩৬৭। আইএসবিএন 81-85626-65-0