বিষয়বস্তুতে চলুন

"ইক্বামাহ্‌" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
'''ইক্বামাহ্‌''' ({{lang-ar|إقامة}}) বা '''ইকামত''' হলো সামান্য পরিবর্তিত [[আযান]], যা ফরয [[নামাজ|নামাজের]] জন্য দাঁড়িয়ে [[নামাজের নিয়ত|নিয়তের]] পূর্বে উচ্চারণ করতে হয়। পার্থক্য এই যে আযানের শেষভাগে "হাইয়া আলাল ফালাহ" দুই বার বলার পর "ক্বদ ক্বামাতিস সালাহ" বাক্যটি দুইবার বলতে হয়। ইক্বামাহ্‌ শেষে নিয়ত করতঃ "আল্লাহু আকবার" বলে নামাজ শুরু করতে হয়।
 
আলী ইবনু আবদুল্লাহ‌ (রহঃ) .... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে আযানের বাক্যগুলো দু’ দু’বার এবং ইকামতের শব্দগুলো বেজোড় বলার নির্দেশ দেওয়া হল। ইসমায়ীল (রহঃ) বলেন, আমি এ হাদীস আইয়্যূবের নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, তবে ‘কাদ্‌কামাতিস্‌ সালাত’ ব্যতীত। {সহীহ বুখারী (ইফাঃ)অধ্যায়ঃ ১০/ আযান (كتاب الأذان) হাদিস নাম্বার: '''৫৮০'''}
 
সুলাইমান ইব্‌ন হারব্‌ (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) কে আযানের শব্দ দু’বার এবং قد قامت الصلاة ব্যতীত ইকামাতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। { সহীহ বুখারী (ইফাঃ) অধ্যায়ঃ ১০/ আযান (كتاب الأذان) হাদিস নাম্বার: '''৫৭৮''' }
 
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহাবীগণ সালাতের ওয়াক্তের সংকেতবাহী কোন পন্থা খুঁজছিলেন। তখন বিলাল (রাঃ) কে আযানের শব্দাবলী দুবার করে এবং ইকামতের শব্দাবলী একবার করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। { সুনানে ইবনে মাজাহ , অধ্যায়ঃ ৩/ আযান ও তার সুন্নাত , হাদিস নাম্বার:'''৭২৯''' }
 
== ইক্বামাতের বাণী ==
! অনুবাদ
|-
| ২বার*
| ৪ বার*
| الله اكبر
| আল্লাহু আকবার
| আল্লাহ সর্বশক্তিমান
|-
| বার
| اشهد ان لا اله الا الله
| আশহাদু-আল লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ
| আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই
|-
| বার
| اشهد ان محمد الرسول الله
| আশহাদু-আন্না মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ
| আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর প্রেরিত দূত
|-
| বার
| حي على الصلاة
| হাইয়া আলাস সালা
| নামাজের জন্য এসো
|-
| বার
| حي على الفلاح
| হাইয়া আলাল ফালা