বিরুলিয়া সেতু
বিরুলিয়া সেতু | |
|---|---|
২০১৬ সালে বিরুলিয়া সেতু | |
| স্থানাঙ্ক | ২৩°৫১′০৫″ উত্তর ৯০°২০′২১″ পূর্ব / ২৩.৮৫১৩৯৮১° উত্তর ৯০.৩৩৯২৪১৭° পূর্ব |
| বহন করে | মোটরযান |
| অতিক্রম করে | তুরাগ নদ |
| যার নামে নামকরণ | বিরুলিয়া |
| মালিক | বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ |
| বৈশিষ্ট্য | |
| মোট দৈর্ঘ্য | ১৮৬ মি (০.১১৬ মা) |
| লেনের সংখ্যা | ২ |
| ইতিহাস | |
| নির্মাণ শুরু | ২০০২ |
| নির্মাণ শেষ | ২০১৫ |
| নির্মাণ ব্যয় | ৳১৯.১৩ কোটি |
| উদ্বোধন হয় | ১৪ জুলাই ২০১৫ |
| পরিসংখ্যান | |
| টোল | না |
| অবস্থান | |
![]() | |
বিরুলিয়া সেতু তুরাগ নদের উপর অবস্থিত একটি সেতু। এটি সাভার উপজেলার বিরুলিয়াকে ঢাকা মহানগরীর মিরপুর সড়কের সাথে যুক্ত করেছে।[১]
২০০২ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হলেও অর্ধেক কাজ শেষ হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত ৳১২ কোটি বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করে ২০১৪ সালে এর নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করা হয়।[২] সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে সেতুটির নির্মাণকাজ ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সম্পন্ন হবে।[৩] তবে ২০১৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৬০% কাজ সম্পন্ন হয় এবং সময়সীমা ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়।[২] ১৪ জুলাই ২০১৫ সালে নবনির্মিত জাতীয় সড়ক ৫১১-এর সাথে সেতুটি উদ্বোধন করা হয়। সেতু নির্মাণের জন্য মোট ৳১৯.১৩ কোটি ব্যয় হয়েছিল।[৪] ২০১৬ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ তুরাগ নদের মাঝখানে সেতুটির থাম নির্মাণ করায় নৌপথে নৌকা চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে একটি সমাধান চেয়েছিল। কিন্তু সমস্যা সমাধানে অধিদপ্তর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।[৫] ২০২১ সালে চূড়ান্তকৃত বিশদ এলাকা পরিকল্পনার খসড়া অনুযায়ী ঢাকার চারপাশে একটি বৃত্তাকার জলপথ বাস্তবায়নের জন্য সেতুটি ভেঙে পুনর্নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছিলো।[৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "বিরুলিয়ার ঐতিহ্য আর প্রকৃতির কাছে"। সময়ের আলো। ২৫ নভেম্বর ২০২২। ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 "বিরুলিয়া সেতু : এক যুগেও অসম্পন্ন"। রাইজিংবিডি.কম। ১৯ জানুয়ারি ২০১৫। ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "বিরুলিয়া সেতুর অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন হচ্ছে: যোগাযোগমন্ত্রী"। প্রথম আলো। ২৭ জানুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "বিরুলিয়া-আশুলিয়া মহাসড়ক ও বিরুলিয়া সেতুর উদ্বোধন"। বাংলানিউজ২৪.কম। ১৪ জুলাই ২০১৫। ২৭ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "নদী ও পরিবেশ ধ্বংস, নৌচলাচল বিঘ্নিত"। প্রথম আলো। ৩ নভেম্বর ২০১৬। ২৬ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "ড্যাপ-এ ভাঙা পড়বে ঢাকার চারপাশের ১৫ সেতু"। বাংলাভিশন। ২০ নভেম্বর ২০২১। ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
