বাহিয়া হারিরি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বাহিয়া হারিরি
بهية الحريري
BahiaHariri2.jpg
জন্ম১৯৫২ (বয়স ৬৭–৬৮)
জাতীয়তালেবানিজ
রাজনৈতিক দলফিউচার মুভমেন্ট
দাম্পত্য সঙ্গীমুস্তাফা হারিরি

বাহিয়া বাহাদেদিন হরিরি (আরবী: بهية الحريري) (জন্ম ১৯৫২) একজন লেবাননের রাজনীতিবিদ এবং সাবেক লেবাননের প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি ও তার দ্বিতীয় ভাই শফিক হারিরির বোন।[১][২][৩]

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

বাহিয়া হরিরির জন্ম ১৯৫২ সালে সীদন, লেবানন-এ । হারিরি তার দুই ভাই শাফিক এবং রাফিক হারিরি সহ একটি সুন্নী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[৪] ১৯৭০ সালে, তিনি একটি শিক্ষক একাডেমি থেকে স্নাতক পাশ হন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

স্নাতকের পরে হরিরি ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সীদন এবং দক্ষিণ লেবাননে শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।[৩] ১৯৭৯ সালে সীদনে তার ভাই রাফিক হারিরি-এর প্রতিষ্ঠিত হারিরি ফাউন্ডেশন পরিচালনা করেন তিনি।[৩] প্রতিষ্ঠানটি একটি প্রধান শিক্ষা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান।[৪] তিনি হরিরি ফাউন্ডেশন ফর সাস্টেনিবল হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের প্রশাসনিক কাউন্সিলের সভাপতি।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

১৯৯২-এ, সাঈদায় সুন্নি আসনের জন্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হরিরি। তিনি একই আসনে ১৯৯৬ এবং ২০০০ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন।[৫] জুলাই ২০০৮ থেকে নভেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত তিনি শিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন।[৩]

২০০৯ সালের জুনে তিনি আবার সংসদে নির্বাচিত হন। তিনি বিদেশ ও অভিবাসন বিষয়ক সংসদীয় কমিশনের সদস্য হওয়ার পাশাপাশি লেবাননের সংসদে শিক্ষা ও সংস্কৃতির জন্য সংসদীয় কমিশন পরিচালনা করেন। আন্তঃ সংসদীয় আরব ইউনিয়ন (ইউনেস্কো, ২০১২) এ মহিলা কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পাশাপাশি তিনি ইউনেস্কোর শুভেচ্ছা দূত,[৬] এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য ইসলামিক অর্গানাইজেশনের প্রধান। তিনি ওয়ার্ল্ড লিংক আরব অঞ্চলের উপদেষ্টা কাউন্সিলেরও দায়িত্ব পালন করেন।(IWSAW,২০১২)

তিনি "আরব নারী দিবস" এবং "আরব নারী স্থায়ী সামিট" প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৯ এবং ২০০০ সালের মধ্যে কুয়েত, তিউনিসিয়া, আলজেরয়া এবং বৈরুতে আপিল চালু করেন।(ইউনেস্কো,২০১২)[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

১৯৯২ সাল থেকে, হারিরি লেবানিজ আমেরিকান ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

বাহিয়া হারিরি মুস্তফা-এর সাথে বিবাহিত (যিনি তার চাচাত ভাইও) এবং তাদের ৪ সন্তান রয়েছে:[৩] নাদের (১৯৭৬),[৩] ঘেনা (১৯৭৯) আহমাদ (১৯৮৩)[৩] এবং ওলা (১৯৮৮)

পুরস্কার এবং সম্মাননা[সম্পাদনা]

সম্মানিত লজিওন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক কর্তৃক পুষ্কিত, ২০০৩

"আগা খান" পুরস্কার, বড় অমরি মসজিদের পুনর্গঠনের স্বীকৃতি স্বরূপ, ১৯৮৯

লেবাননের সিডার পুরস্কার, 1989 সালে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সেবা গ্রহণের স্বীকৃতিস্বরূপ লেফটেন্যান্ট পদ

জাতীয় গ্রন্থের লেখক ও পর্যটন সাংবাদিকদের "গোল্ডেন অ্যাপল" পুরস্কার।

(IWSAW,২০১২)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Knudsen, Are; Hanafi, Sari (১৭ ডিসেম্বর ২০১০)। Palestinian Refugees: Identity, Space and Place in the Levant। Taylor & Francis। পৃষ্ঠা 101। আইএসবিএন 978-0-415-58046-5। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১১ 
  2. "Bahia Hariri - Prestige Magazine" (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৫-০৫-০৫। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৮-১১ 
  3. Vloeberghs, Ward (জুলাই ২০১২)। "The Hariri Political Dynasty after the Arab Spring"। Mediterranean Politics17 (2): 241–248। ডিওআই:10.1080/13629395.2012.694046  Pdf.
  4. "Lebanon Biographies of Potential Prime Ministers following PM Karami's Cabinet Resignation"WikiLeaks। ৩ মার্চ ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১২ 
  5. "Opposition Candidates Win Elections"APS Diplomat Recorder। ৯ সেপ্টেম্বর ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৩ 
  6. "UNESCO Goodwill Ambassador Bahia Hariri pays visit to the Director-General calling for the need to reaffirm the full respect for Human Rights in light of the current wave of protests and violence"www.unesco.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১১-০৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]