বাক্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

এক বা একাধিক পদের দ্বারা যখন বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়, তখন তাকে বাক্য বলে।[১]

বাক্যের গুণ[সম্পাদনা]

বাক্যের গুণ তিনটি।যথা:

  • আকাঙ্ক্ষা: বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্যপদ শোনার যে ইচ্ছা তাই আকাঙ্ক্ষা। যেমন: চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে- এইটুকু মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে না, আরও কিছু ইচ্ছা থাকে। কিন্তু যদি বলা যায় চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে, তবে বাক্যটি সম্পূর্ণ হবে।
  • আসত্তি: বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি।যেমন:কাল বিতরণী হবে উৎসব আমাদের পুরস্কার স্কুলে অনুষ্ঠিত।বাক্যটি ত্রুটিপূর্ণ। কিন্তু, কাল আমাদের স্কুলে পুরস্কার বিতরণী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে, বাক্যটি আসত্তিসম্পন্ন।
  • যোগ্যতা: বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।যেমন:বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয় বাক্যটি যোগ্যতাসম্পন্ন, কিন্তু বর্ষার রোদে প্লাবনের সৃষ্টি হয় বললে বাক্যটি তার যোগ্যতা হারাবে।

[২]

বাক্যের অংশ[সম্পাদনা]

প্রতিটি বাক্যে ২টি অংশ থাকে: উদ্দেশ্য ও বিধেয়।

  • উদ্দেশ্য: বাক্যের যে অংশে কাউকে উদ্দেশ করে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য বলে।
  • বিধেয়:উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তাই বিধেয়।

বাক্যের বাক্যের প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

বাক্য বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে।

অর্থ অনুসারে[সম্পাদনা]

অর্থ অনুযায়ী বাক্য দুই প্রকার।যথা:

  1. অস্তিবাচক
  2. নেতিবাচক

গঠন অনুসারে[সম্পাদনা]

গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার।যথা:

  1. সরল বাক্য
  2. জটিল বা মিশ্র বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য

বর্ণনা অনুসারে[সম্পাদনা]

বর্ণনা অনুসারে বাক্য পাঁচ প্রকার।

  1. বর্ণনামূলক বাক্য
  2. প্রশ্নবাচক বাক্য
  3. অনুজ্ঞামূলক বাক্য
  4. প্রার্থনাসূচক বাক্য
  5. আবেগসূচক বাক্য

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. *অধ্যাপক ডাক্তার সৌমিত্র শেখর
    • মিলন রায়
      বাংলা ব্যাকরণ ও নিমিত্তি
      অষ্টম শ্রেণী পৃষ্টা ৫৫
  2. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ
    • মুনীর চৌধুরী
    • মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী
      ৫ম অধ্যায়
      ১ম পরিচ্ছেদ
      বাক্য প্রকরণ