বসন্ত আক্রমণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
জার্মানীর বসন্ত অাক্রমণ, ১৯১৮
মূল যুদ্ধ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এর পশ্চিমস্থ রণক্ষেত্র
Western front 1918 german.jpg
তারিখ ২১ মার্চ – ১৮ জুলাই ১৯১৮
অবস্থান উত্তরস্থ ফ্রান্স; পশ্চিম ফ্লান্ডার্স, বেলজিয়াম
৫০°০০′১০″ উত্তর ০২°৩৯′১০″ পূর্ব / ৫০.০০২৭৮° উত্তর ২.৬৫২৭৮° পূর্ব / 50.00278; 2.65278স্থানাঙ্ক: ৫০°০০′১০″ উত্তর ০২°৩৯′১০″ পূর্ব / ৫০.০০২৭৮° উত্তর ২.৬৫২৭৮° পূর্ব / 50.00278; 2.65278
ফলাফল জার্মানীর রণে বিজয়, জার্মানীর যুদ্ধে পরাজয়. যুদ্ধপরবর্তী অবস্থা দেখুন
বিবদমান পক্ষ
জার্মান সাম্রাজ্য জার্মান সাম্রাজ্য

যুক্তরাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্য

ফ্রান্স ফ্রান্স
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ইতালি ইটালী
পর্তুগাল পর্তুগাল

থাইল্যান্ড সেইয়াম
নেতৃত্ব প্রদানকারী
জার্মান সাম্রাজ্য এরিখ লুডেনডফ ফ্রান্স ফাব্দিনান্দ ফশ
যুক্তরাজ্য ডগলাস হেইগ
ফ্রান্স ফিলিপ পিতাঁ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জন জে পারজিং
ইতালি আলবেরিকো আলব্রিস্সি
পর্তুগাল ফের্নান্দো তামাইনিনি জি আব্রেও ই সিলভা
প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি
৬৮৮,৩৪১[১] যুক্তরাজ্য ৪১৮,৩৭৮[২]
ফ্রান্স ৪৩৩,০০০[৩]
ইতালি ৫,০০০[৪]
পর্তুগাল ৭,০০০+
টেমপ্লেট:Campaignbox Western Front (World War I)

সাবধান, নিবন্ধটি নির্মাণাধীন[সম্পাদনা]

১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দের 'বসন্ত অাক্রমণ' বা 'কাইজারশ্লাখট্' ( কাইজার এর যুদ্ধ ), এছাড়াও 'লুডেনডর্ফ অাক্রমণ' নামে পরিচিত অাক্রমণটি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানীর পশ্চিমে অবস্থিত উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ অভিমুখে বা ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট বরাবর জার্মান বাহিনীর একটি ধারাবাহিক আক্রমণ, যা ২১ শে মার্চ ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে শুরু হয় এবং যাকে উভয়পক্ষ ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ হতে যুদ্ধের সবচেয়ে গভীরতম অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। জার্মানরা আনুধাবন করতে পেরেছিল যে বিজয়ের জন্য তাদের অবশিষ্ট একমাত্র সুযোগ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রতিরোধ্য পরিমাণ সেনা এবং যুদ্ধ সামগ্রী সম্পূর্ণরূপে মোতায়েনের পূর্বে মিত্রশক্তিকে পরাজিত করা। তাছাড়া রাশিয়ার আত্মসমর্পণ (ব্রেস্ট-লিটভ্স্ক চুক্তি) দ্বারা মুক্ত প্রায় ৫০ টি জার্মান ডিভিশন বাহিনীতে যুক্ত হওয়ায় তাদের সেনা সংখ্যায় অস্থায়ী শ্রেষ্ঠত্ব ছিল।

মোট চারটি জার্মান অাক্রমণ চালানো হয়, যাদের কোডনেম ছিল যথাক্রমে মাইকেল (জার্মান মিকাইয়ে), যরজেট (জার্মান যরযেট), নাইজানাও (জার্মান ইনাজানও) এবং ব্লুকার-ইয়র্ক (জার্মান ব্লুইখার-ইয়র্ক)। মাইকেল ছিল মূল অাক্রমণ, যার উদ্দেশ্য ছিল মিত্র বাহিনী ব্যূহ ভেদ করা, ব্রিটিশ বাহিনীর পার্শ্বভাগ অতিক্রম করে যাওয়া, যা সোম নদীর সম্মুখভাগ রক্ষা করছিল এবং ব্রিটিশ বাহিনীকে পরাজিত করা। একবার এ লক্ষ্য অর্জন করা গেলে, আশা করা যাচ্ছিল যে ফরাসিরা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে যেতে পারে। অন্য অাক্রমণগুলি মাইকেলের অধীন ছিল এবং সোমে মূল আক্রমণ হতে মিত্র বাহিনীর মনযোগ সরিয়ে নেবার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

আক্রমণের পূর্ব পর্যন্ত কোন পরিস্কার উদ্দেশ্য স্থির করা ছিল না এবং অভিযান শুরু করার পরেও অাক্রমণের লক্ষ্যবস্তু রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতি মুহুর্তে পরিবর্তিত হতে থাকে। মিত্রবাহিনী তাদের মূল বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সংগবদ্ধ করেছিল আর কৌশলগতভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো যা বছরের পর বছর যুদ্ধে বিধ্বস্ত, সেগুলোকে হালকাভাবে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল।

জার্মানরা তাদের যুদ্ধের রসদ এবং জনবল তাদের রণক্ষেত্রের অগ্রগতির দ্রুততা অনুযায়ী সরবরাহ করতে পারছিলনা। তাদের দ্রুতগতিসম্পন্ন স্টোর্মট্রুপার, যারা অাক্রমণের সম্মুখভাগে ছিল, তারা লম্বা সময় টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় রসদ এবং গোলাবারুদ সাথে নিতে পারছিলনা এবং সকল জার্মান অাক্রমণ নিঃশোষিত হয়ে যায় যুদ্ধের রসদ সরবরাহে ঘাটতির অংশ হিসেবে।

১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিল নাগাদ জার্মানদের মিত্রব্যূহ ভেদ করার অাশঙ্কা নির্মূল হয়ে যায়। জার্মান বাহিনী ভারী পরিমাণ হতাহতের সম্মুখীন হয় এবং এমন সব জায়গা দখলে সক্ষম হয় যার গুরুত্ব নিয়ে সন্দেহ করা যায় এবং যা জার্মান ক্ষয়িষ্ণু বাহিনীর পক্ষে ধরে রাখাও অসম্ভব ছিল। ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দের অগাস্ট নাগাদ, মিত্র বাহিনী আমেরিকার ১-২ মিলিয়ন নতুন সৈন্য পুষ্ট হয়ে এবং নতুন আর্টিলারি কৌশল ও সমরনীতি ব্যবহার করে পাল্টা আক্রমণ চালায়। এই ১০০ দিনের আক্রমণ জার্মানদেরকে তাদের বসন্ত অাক্রমনে অধীকৃত জায়গাগুলো থেকে হটিয়ে দেয় বা পিছু হটতে বাধ্য করে এবং হিন্ডেনবার্গ লাইন এর বিলুপ্তি ঘটায় এবং নভেম্বরে জার্মান সাম্রাজ্যের আত্মসমর্পণ নিশ্চিত করে।

German preparations[সম্পাদনা]

Strategy[সম্পাদনা]

Supply constraints[সম্পাদনা]

Tactical change[সম্পাদনা]

Allied preparations[সম্পাদনা]

Defensive tactics[সম্পাদনা]

Operation Michael[সম্পাদনা]

Georgette[সম্পাদনা]

Blücher–Yorck[সম্পাদনা]

Gneisenau[সম্পাদনা]

Last German attack (Marneschutz-Reims/Friedensturm)[সম্পাদনা]

যুদ্ধপরবর্তী অবস্থা[সম্পাদনা]

Analysis[সম্পাদনা]

See also[সম্পাদনা]

Footnotes[সম্পাদনা]

  1. Churchill, "The World Crisis, Vol. 2", p.963. German casualties from "Reichsarchiv 1918"
  2. Churchill, "The World Crisis, Vol. 2", p.963. British casualties from "Military Effort of the British Empire"
  3. Churchill, "The World Crisis, Vol. 2", p.963. French casualties from "Official Returns to the Chamber, March 29, 1922"
  4. Bligny, Marne – Italian Great War Cemetery

References[সম্পাদনা]

Books
Journals

Further reading[সম্পাদনা]

External links[সম্পাদনা]