ফালি হোমি মেজর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এয়ার চীফ মার্শাল
ফালি হোমি মেজর
পিভিএসএম, এভিএসএম, এসসি, ভিএম, এডিসি
জন্ম২৯ মে ১৯৪৭
সেকান্দারাবাদ, অন্ধ্র প্রদেশ
আনুগত্যভারত ভারত
সার্ভিস/শাখা ভারতীয় বিমানবাহিনী
কার্যকাল৩১ ডিসেম্বর ১৯৬৭ – ৩১ মে ২০০৯
পদমর্যাদাAir Chief Marshal of IAF.png এয়ার চীফ মার্শাল
নেতৃত্বসমূহইস্টার্ন এয়ার কমান্ড
সারসাওয়া বিমান বাহিনী স্টেশন
যুদ্ধ/সংগ্রামকার্গিল যুদ্ধ
পবন অভিযান
পুরস্কারParam Vishisht Seva Medal ribbon.svg পরম বিশিষ্ট সেবা পদক
Ati Vishisht Seva Medal ribbon.svg অতি বিশিষ্ট সেবা পদক
Shaurya Chakra ribbon.svg শৌর্য চক্র
Vayusena Medal ribbon.svg বিমান বাহিনী পদক

এয়ার চীফ মার্শাল ফালি হোমি মেজর পিভিএসএম, এভিএসএম, এসসি, ভিএম, এডিসি (অবঃ, আইএএফ) ভারতীয় বিমান বাহিনীর ২১তম চীফ অব দ্যা এয়ার স্টাফ (বিমান বাহিনী প্রধান) ছিলেন। ফালি ২০০৭ সালের ১ এপ্রিল তারিখে ভারতীয় বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, এবং একজন হেলিকপ্টার বৈমানিক হিসেবে তিনিই সর্বপ্রথম এ পদে অধিষ্ঠিত হন। ২০০৯ সালের ৩১ মেতে তিনি বিমান বাহিনী প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পান এবং তার স্থলাভিষিক্ত হন লড়াকু বৈমানিক এয়ার চীফ মার্শাল পি ভি নায়েক।[১][২]

বৈমানিক হিসেবে চাকরী[সম্পাদনা]

১৯৬৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফালি কমিশন পান ভারতীয় বিমান বাহিনীর উড্ডয়ন শাখায় হেলিকপ্টার বৈমানিক হিসেবে।[৩] তিনি বিমান বাহিনীতে মোট ৪১ বছর চাকরী করেছেন এবং কর্মজীবনে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ পদে উঠেছেন। তিনি দিল্লির ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ এবং এমহাউ এর আর্মি ওয়ার কলেজ থেকে কোর্স করার পাশাপাশি আরো বিভিন্ন প্রকারের কোর্স করেছেন যেমন 'জুনিয়র কমান্ডার্স কোর্স', 'জাঙ্গল এ্যান্ড স্নো সারভাইভ্যাল কোর্স' এবং অন্যান্য উচ্চতর অধিনায়কত্ব করার কোর্স। তাকে হেলিকপ্টার অভিযানের যুগ্ম পরিচালক এবং পরিবহন এবং হেলিকপ্টার অভিযান পরিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিলো। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় তিনি লেহ (লাদাখ) এলাকার এয়ার অধিনায়ক ছিলেন।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Air Marshal Fali Homi Major is New IAF Chief" 
  2. "P V Naik takes over as IAF chief" 
  3. "Air Chief Marshal Fali Homi Major" 
  4. "Air Chief Marshal FH Major PVSM AVSM SC VM ADC"। ১৫ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭