ফজলুর রহমান পটল
ফজলুর রহমান পটল | |
|---|---|
| নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ ৫ এপ্রিল ১৯৯১ – ২৮ অক্টোবর ২০০৬ | |
| পূর্বসূরী | নওশের আলী সরকার |
| উত্তরসূরী | আবু তালহা |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | নাটোর জেলা |
| রাজনৈতিক দল | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল |
| সন্তান | ফারজানা শারমিন পুতুল সহ ২ ছেলে ও ২ মেয়ে |
ফজলুর রহমান পটল একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তিনি নাটোর-১ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]ফজলুর রহমান পটল ১৯৪৯ সালে ২৪ এপ্রিল নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গৌরিপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আরশাদ আলী এবং মাতার নাম ফজিলাতুন নেছা। পাঁচভাই ও একবোনের পরিবারে তিনিই ছিলেন সবার বড়।
ছাত্র জীবন
[সম্পাদনা]ফজলুর রহমান পটল লালপুর উপজেলার গৌরিপুরে প্রাথমিক ও গৌরিপুর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করে পাবনাতে যেয়ে পড়াশুনা শুরু করেন। সেখানে স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাস করেন এবং পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যামিক পাস করেন। এর পর তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে তিনি পরিসংখ্যান বিষয়ে পড়াশুনা করেন। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন।
রাজনৈতিক জীবন
[সম্পাদনা]ফজলুর রহমান পটল ১৯৭৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপিতে যুক্ত হন। তিনি বিএনপির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। এর পর তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপষ্ঠো হিসাবে আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে বিএনপি’র প্রার্থী হিসাবে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[১][২][৩][৪] এর মধ্যে ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের শাসনামলে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হন। এরপর ১৯৯৩ সালে সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১ সালে চার দলীয় জোট সরকারের সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
পারিবারিক জীবন
[সম্পাদনা]তিনি ১৯৮৪ সালের ১৪ মে কামরুন্নাহার শিরিনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের ২ ছেলে ও ২ মেয়ে রয়েছে। তারা হলেন: বড় ছেলে ইয়াসির আরশাদ রাজন, ছোট ছেলে ইফতেখার আরশাদ প্রতীক, বড় মেয়ে ফারহানা শারমিন কাকন গৃহীনি ও ছোট মেয়ে ফারজানা শারমিন পুতুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটি, মানবাধিকার কমিটি ও মিডিয়া সেল কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মৃত্যু
[সম্পাদনা]ফজলুর রহমান পটল বেশ কয়েক বছর ধরে কিডনির জটিল রোগে ভুগছিলেন। তিনি দেশে বিদেশে চিকিৎসা নেন। ২০১৬ সালের ১৬ এপ্রিল চিকিৎসার জন্য কলকাতা যান। সেখানে রবীন্দ্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন।[৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "৫ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "৭ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "৮ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটল আর নেই"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১২ আগস্ট ২০১৬। ২৫ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১৮।