বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রোটোজোয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
উপরের বাম থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে: ব্লেফারিজমা জাপোনিকাম, একটি সিলিয়েট; গিয়ার্দিয়া মুরিস, একটি ফ্লাজেলেট; সেন্ট্রোপাইক্সিস একুলেটা, একটি অ্যামিবা; পেরিডিনিয়াম উইলেই, একটি ডাইনো ফ্লাজেলেট; কায়োস ক্যারোলাইনেন্স, একটি উলঙ্গ অ্যামিবোজোয়ান; ডেসমারেল্লা মনিলিফর্মিস, একটি কোয়ানোফ্লাজেলেট

প্রোটোজোয়া বা আদ্যপ্রাণী ইউক্যারিওটা পর্বের এক কোষী প্রাণীর নাম, যেগুলো মুক্তভাবে বা অপরের উপর নির্ভর করে বেচেঁ থাকে, এগুলো অন্যান্য ক্ষুদ্র অঙ্গাণু বা জৈবিক টিস্যু খেয়ে থাকে।[][] ইতিহাসগতভাবে, প্রোটোজোয়াকে "এক-কোষী প্রাণী" বলা হতো, কারণ তারা প্রাণীদের নানা বৈশিষ্ট্য ধারণ করে থাকে এবং তাদের কোষ প্রাচীর নেই। তাদেরকে বিভিন্ন উদ্ভিদে পাওয়া যায়।[][] যদিও বর্তমানে প্রোটোজোয়াকে প্রাণীদের তালিকায় রাখা হয়না তবুও তাদেরকে চেনার সুবিধার্থে তাদেরকে এক-কোষী বলা হয় ও তারা স্বাধীনভাবে চলতে পারে।

জীববিজ্ঞান শ্রেণিবিভাগের কিছু পদ্ধতি অনুসারে প্রোটোজোয়ার অবস্থান শ্রেণিবিন্যাসের উপরের দিকে। ১৮১৮সালে যখন প্রথম আবিষ্কার করা হয়, তখন প্রোটোজোয়া শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল[] কিন্তু পরবর্তী শ্রেণিবিন্যাসে এটিকে পর্ব, উপরাজ্য এবং রাজ্যে স্থান দেয়া হয়। ১৯৮১সাল থেকে থমাস ক্যাভালিয়ার-স্মিথের প্রস্তাবিত শ্রেণিবিন্যাস অনুসারে, প্রোটোজোয়াকে প্রোটিস্টা

রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[][][] ২০১৫ সালে রাগিয়েরোর প্রদর্শিত সাত-রাজ্য মডেলটিতে তিনি প্রোটোজয়া রাজ্যে আটটি পর্ব অন্তর্ভুক্ত করেন: উগ্লেনোজোয়া, অ্যামিবোজোয়া, মেটামোনাডা, কোয়ানোজোয়া , লউকোজোয়া, পারকোলোজোয়া, মাইক্রোস্পোরিডিয়া এবং শুল্কোজোয়া[] লক্ষণীয়, এই রাজ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জীবকে স্থান দেয়া হয়নি। মডেল অনুসারে, প্রোটোজোয়া রাজ্য, প্রাকৃতিকভাবে কোন দল গঠন করেনা।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
প্রোটোজোয়া শ্রেণি, ইনফুসোরিয়া পর্ব, মোনাডেস পরিবার, জর্জ অগাস্ট গোল্ডফাস, ১৮৪৪

"প্রোটোজোয়া" (একবচন "প্রোটোজুন" বা "প্রোটোজোয়ান") শব্দটির আবির্ভাব হয় ১৮১৮সালে জীববিদ জর্জ অগাস্ট গোল্ডফাস দ্বারা।[১০] গোল্ডফাস প্রোটোজোয়াকে শ্রেণিতে রেখে প্রদর্শন করেছিলেন যেটিকে তিনি সবচেয়ে সাধারণ প্রাণী ভেবেছিলেন।[] প্রকৃতপক্ষে, সেই দলটিতে শুধু এক-কোষী জীবই ছিলনা বরং " নিম্ন" বহুকোষী প্রাণীও ছিল, যেমন জেলিফিশ, স্পঞ্জ এবং কোরাল।[১১] "প্রোটোজোয়া" শব্দটি প্রাচীন গ্রীক শব্দ πρῶτος (prôtos), যার অর্থ "প্রথম", এবং ζῶα (zôa), এর বহুবচন ζῶον (zôon), অর্থ " প্রাণী"।[১২][১৩][১৪][১৫][১৬]

জন হগের করা প্রকৃতির চার রাজ্যের চিত্র, ১৮৬০

বিভিন্ন ধরনের রাজ্য প্রস্তাব করা হলেও, এবং প্রোটিস্টা ও প্রোটোকটিস্টা রাজ্য জীববিজ্ঞান শিক্ষায় অধিক স্বীকৃতি পায়।[১৭][১৮][১৯]

যেহেতু প্রোটোজয়াকে "প্রকৃত প্রাণী" হিসেবে উল্লেখ করা যায় না, তাই অনেক সময় "প্রোটিস্টস", " প্রোটিস্টা" বা "প্রোটোকটিস্টা" শব্দগুলোকে বেশি গ্রহণযোগ্য হিসেবে ধরা হয়।২০০৫সালে, 'দ্য সোসাইটি অব প্রোটোজোনোলিস্ট' এর সদস্যরা এটির নাম পরিবর্তন করে 'দ্য সোসাইটি অব প্রোটিস্টোলোজিস্ট' করার জন্য ভোট দেন।[২০]

বৈশিষ্ট্য

[সম্পাদনা]

প্রোটোজোয়া সর্বনিম্ন ১মাইক্রোমিটার হতে কয়েক মিলিমিটার পর্যন্ত হতে পারে, বা আরও বেশি।[২১] এদের মাঝে সবচেয়ে বড়গুলো হলো সমুদ্রে থাকা জেনোফাইয়োফোর্স, এক-কোষী ফোরামিনিফেরা যাদের কাঠামো ব্যাসে ২০সেমি পর্যন্ত হতে পারে।[২২]

স্পাইরোস্টোমাম এম্বিগাম দৈর্ঘ্যে ৩মিমি পর্যন্ত হতে পারে

আবাসস্থল

[সম্পাদনা]

মুক্ত প্রোটোজোয়াগুলো সাধারণত বিশুদ্ধ ও লবণাক্ত জলে পাওয়া যায়। তাছাড়া, তারা অন্যান্য ভেজা পরিবেশ যেমন মাটি এবং শৈবালেও থাকতে পারে।কিছু প্রজাতি আবার ভয়াবহ আবহাওয়া যেমন উষ্ণ ঝর্ণাতেও টিকে থাকতে পারে।[২৩][২৪] সকল প্রোটোজোয়ারই ভেজা আবাসস্থল প্রয়োজন; তারপরও, কিছু কিছু প্রজাতি দীর্ঘ সময় ধরে শুকনো আবহাওয়ায় টিকে থাকতে পারে।

ছত্রাক জাতীয় প্রোটোজোয়াগুলো সাধারণত অন্য প্রাণীর সাথে বা অন্য প্রাণীর ভেতর বাস করতে পারে। এসকল জীব হতে পারে বিভিন্ন উদ্ভিদ বা অন্যান্য এক-কোষী প্রাণী। কিছু কিছু ক্ষতিহীন বা লাভজনক; অন্যান্যরা ব্যাপক ক্ষতিসাধন করতে পারে যেমন, ম্যালেরিয়া, ব্যাবেসিয়া।

ইসোট্রিকা ইনটেস্টিনালিস, যা ভেড়ার মাঝে থাকে

খাদ্য

[সম্পাদনা]

সকল প্রোটোজোয়াই পরভোজী, যারা অন্য প্রাণী থেকে খাবার সংগ্রহ করে, তারা নিজেরা খাদ্য তৈরি করতে পারেনা। তারা মূলত অন্যান্য প্রাণীর সম্পূর্ণ খেয়ে ফেলে বা অন্য প্রাণীর বর্জ্য বা মৃত অংশ খেয়ে ফেলে। কিছু প্রোটোজোয়া ফ্যাগোসাইটোসিস ব্যবহার করে খাদ্য গ্রহণ করে, বা মুখের মতো অংশ সাইটোস্টোম দিয়ে। অন্যান্যরা অসমোট্রোফি দ্বারা বা কোষ দ্বারা গলিত খাদ্যের কণা গ্রহণ করে।

জীবন চক্র

[সম্পাদনা]
ছত্রাক জাতীয় প্রোটোজোয়া, "টক্সোপ্লাজমা গন্ডি" র জীবন চক্র

কিছু প্রোটোজোয়া জীবন চক্রের দুটি পর্যায় রয়েছে, সক্রিয় পর্যায় ও নিষ্ক্রিয় পর্যায়। নিষ্ক্রিয় পর্যায়ে, প্রোটোজোয়া কঠিন পরিস্থিতিতেও বেচেঁ থাকতে পারে, যেমন উচ্চ তাপমাত্রা বা ক্ষতিকারক রাসায়নিকের সংস্পর্শে আশা, বা দীর্ঘ সময় ধরে পুষ্টি, জল বা অক্সিজেন থেকে দূরে থাকা। নিষ্ক্রিয় অবস্থায় ছত্রাক জাতীয় প্রজাতিগুলো অন্যপ্রাণীর দেহের বাইরে থাকতে পারে এবং এক প্রাণী থেকে অন্য প্রাণীতে স্থানান্তর হতে পারে৷ যখন প্রোটোজোয়া সক্রিয় অবস্থায় থাকে তখন তারা নিয়মিত খাবার গ্রহণ করে। প্রোটোজোয়ার সক্রিয়া অবস্থাকে ট্রোফোজোয়েট এবং নিষ্ক্রিয় অবস্থাকে সিস্ট বলে। আর ট্রোফোজোয়েট থেকে সিস্টে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে এনসিস্টেশন এবং সিস্ট থেকে ট্রোফোজোয়েট হওয়ার প্রক্রিয়াকে এক্সসিস্টেশন বলে।

শ্রেণিবিন্যাস

[সম্পাদনা]

পূর্বে, প্রোটোজোয়াকে "এককোষী প্রাণী" হিসেবে উল্লেখ করা হতো, যেহেতু এটি এক-কোষী, সালোকসংশ্লেষণকারী উদ্ভিদ (শৈবাল), প্রোটোফাইটা থেকে ভিন্ন ছিল। এই উভয় দলকেই প্রোটিস্টা রাজ্যে পর্বের স্থান দেয়া হয়েছিল।[২৫] পুরোনো শ্রেণিবিন্যাসে, প্রোটোজোয়া পর্বকে বিভিন্ন উপদলে ভাগ করা হতো।[২৬] শ্রেণিবিন্যাসের ধরন পাল্টেছে, কিন্তু ২০শতাব্দীতে প্রোটোজোয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু দল হলো:

পরিবেশ

[সম্পাদনা]

প্রোটোজোয়া হলো ক্ষুদ্র অমেরুদন্ডী প্রাণীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খাবার উৎস। তাই খাদ্যশৃঙ্খলে প্রোটোজোয়া পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা ব্যাকটেরিয়ার জনসংখ্যা এবং জৈবসারকেও অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণ করে।

"এন্টামিবা হিস্টোলিটিকা" এর ট্রফোজোয়েট এবং মানুষের লাল রক্ত কোষ

কিছু সংখ্যক প্রোটোজোয়া রোগ সংক্রামক জীবাণু হলো মানব ছত্রাক যেগুলো ম্যালেরিয়া ("প্লাজমোডিয়াম" দ্বারা), এমিবায়েসিস, গিয়ার্ডিয়াসিস, টক্সোপ্লাসমোসিস, আফ্রিকান ট্রাইপেনোসোমিয়াসিস (ঘুমানোর অসুখ), এমিবিক ডাইসেন্টারি, এসানৃথামিবা কেরাটিটিস, ক্রিপ্টোস্পোরোডায়োসিস, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, চাগাস রোগ, লেইশমানিয়াসিস।

"অফ্রিয়োসিস্টিস ইলেক্ট্রোশিরা" প্রটোজোয়া হলো প্রজাপতির লার্ভার এক ধরনের ছত্রাক যা নারী থেকে ছেঙ্গাতে ছড়ায়। আক্রান্ত প্রজাপতিগুলো দুর্বল হয়, তাদের পাখা মেলতে পারেনা, ও তাদের জীবনসীমা ছোট হয়।[২৭][২৮]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Panno, Joseph (১৪ মে ২০১৪)। The Cell: Evolution of the First Organism (ইংরেজি ভাষায়)। Infobase Publishing। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১৬০৬৭৩৬৭
  2. Bertrand, Jean-Claude; Caumette, Pierre; Lebaron, Philippe; Matheron, Robert; Normand, Philippe; Sime-Ngando, Télesphore (২৬ জানুয়ারি ২০১৫)। Environmental Microbiology: Fundamentals and Applications: Microbial Ecology (ইংরেজি ভাষায়)। Springer। আইএসবিএন ৯৭৮৯৪০১৭৯১১৮২
  3. Madigan, Michael T. (২০১২)। Brock Biology of Microorganisms। Benjamin Cummings। আইএসবিএন ৯৭৮০৩২১৬৪৯৬৩৮
  4. Yaeger, Robert G. (১৯৯৬)। Protozoa: Structure, Classification, Growth, and Development। NCBI। আইএসবিএন ৯৭৮০৯৬৩১১৭২১২পিএমআইডি 21413323। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৮
  5. 1 2 Goldfuß (১৮১৮)। "Ueber die Classification der Zoophyten" [On the classification of zoophytes]Isis, Oder, Encyclopädische Zeitung von Oken (German ভাষায়)। (6): ১০০৮–১০১৯।{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) From p. 1008: "Erste Klasse. Urthiere. Protozoa." (First class. Primordial animals. Protozoa.) [Note: each column of each page of this journal is numbered; there are two columns per page.]
  6. Cavalier-Smith, Thomas (১৯৮১)। "Eukaryote kingdoms: seven or nine?"। Bio Systems১৪ (3–4): ৪৬১–৪৮১। ডিওআই:10.1016/0303-2647(81)90050-2পিএমআইডি 7337818
  7. Cavalier-Smith, Thomas (ডিসেম্বর ১৯৯৩)। "Kingdom protozoa and its 18 phyla"Microbiological Reviews৫৭ (4): ৯৫৩–৯৯৪। ডিওআই:10.1128/mmbr.57.4.953-994.1993পিএমসি 372943পিএমআইডি 8302218
  8. Cavalier-Smith, Thomas (২৩ জুন ২০১০)। "Kingdoms Protozoa and Chromista and the eozoan root of the eukaryotic tree"Biology Letters (3): ৩৪২–৩৪৫। ডিওআই:10.1098/rsbl.2009.0948পিএমসি 2880060পিএমআইডি 20031978
  9. 1 2 উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; :1 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  10. Rothschild, Lynn J. (১৯৮৯)। "Protozoa, Protista, Protoctista: What's in a Name?"Journal of the History of Biology২২ (2): ২৭৭–৩০৫। আইএসএসএন 0022-5010
  11. Goldfuß, Georg August (১৮২০)। Handbuch der Zoologie. Erste Abtheilung. [Handbook of Zoology. First Part.] (German ভাষায়)। Nürnberg, (Germany): Johann Leonhard Schrag। পৃ. XI–XIV।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  12. Bailly, Anatole (১ জানুয়ারি ১৯৮১)। Abrégé du dictionnaire grec français। Paris: Hachette। আইএসবিএন ৯৭৮-২০১০০৩৫২৮৯ওসিএলসি 461974285
  13. Bailly, Anatole। "Greek-french dictionary online"www.tabularium.be। ১৮ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০১৮
  14. Hogg, John (১৮৬০)। "On the distinctions of a plant and an animal, and on a fourth kingdom of nature"Edinburgh New Philosophical Journal। 2nd series। ১২: ২১৬–২২৫।
  15. Scamardella, J. M. (ডিসেম্বর ১৯৯৯)। "Not plants or animals: a brief history of the origin of Kingdoms Protozoa, Protista and Protoctista"। International Microbiology (4): ২০৭–২১৬। পিএমআইডি 10943416
  16. Copeland, Herbert F. (সেপ্টেম্বর–অক্টোবর ১৯৪৭)। "Progress Report on Basic Classification"। The American Naturalist৮১ (800): ৩৪০–৩৬১। ডিওআই:10.1086/281531জেস্টোর 2458229পিএমআইডি 20267535
  17. Whittaker, R. H. (১০ জানুয়ারি ১৯৬৯)। "New concepts of kingdoms or organisms. Evolutionary relations are better represented by new classifications than by the traditional two kingdoms"Science১৬৩ (3863): ১৫০–১৬০। বিবকোড:1969Sci...163..150Wসাইটসিয়ারএক্স 10.1.1.403.5430ডিওআই:10.1126/science.163.3863.150পিএমআইডি 5762760
  18. Margulis, Lynn (১৯৭৪)। "Five-Kingdom Classification and the Origin and Evolution of Cells"। Dobzhansky, Theodosius; Hecht, Max K.; Steere, William C. (সম্পাদকগণ)। Evolutionary Biology। Springer। পৃ. ৪৫–৭৮। ডিওআই:10.1007/978-1-4615-6944-2_2আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৬১৫-৬৯৪৬-৬
  19. Cavalier-Smith, Thomas (আগস্ট ১৯৯৮)। "A revised six-kingdom system of life"। Biological Reviews৭৩ (3): ২০৩–২৬৬। ডিওআই:10.1111/j.1469-185X.1998.tb00030.xপিএমআইডি 9809012
  20. "New President's Address"protozoa.uga.edu। ২৯ জুলাই ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৫
  21. Singleton, Paul; Sainsbury, Diana (২০০১)। Dictionary of microbiology and molecular biology (ইংরেজি ভাষায়)। Wiley। আইএসবিএন ৯৭৮০৪৭১৯৪১৫০৭
  22. Gooday, A.J.; Aranda da Silva, A. P.; Pawlowski, J. (১ ডিসেম্বর ২০১১)। "Xenophyophores (Rhizaria, Foraminifera) from the Nazaré Canyon (Portuguese margin, NE Atlantic)"। Deep-Sea Research Part II: Topical Studies in Oceanography৫৮ (24–25): ২৪০১–২৪১৯। বিবকোড:2011DSRII..58.2401Gডিওআই:10.1016/j.dsr2.2011.04.005
  23. Sheehan, Kathy B. (২০০৫)। Seen and Unseen: Discovering the Microbes of Yellowstone (ইংরেজি ভাষায়)। Falcon। আইএসবিএন ৯৭৮০৭৬২৭৩০৯৩৩
  24. Post, F. J.; Borowitzka, L. J.; Borowitzka, M. A.; Mackay, B.; Moulton, T. (১ সেপ্টেম্বর ১৯৮৩)। "The protozoa of a Western Australian hypersaline lagoon"। Hydrobiologia (ইংরেজি ভাষায়)। ১০৫ (1): ৯৫–১১৩। বিবকোড:2004HyBio.524..167Wডিওআই:10.1007/BF00025180আইএসএসএন 0018-8158
  25. Kudo, Richard R. (Richard Roksabro) (১৯৫৪)। Protozoology। MBLWHOI Library। Springfield, Ill., C. C. Thomas।
  26. Honigberg, B. M.; W. Balamuth; E. C. Bovee; J. O. Corliss; M. Gojdics; R. P. Hall; R. R. Kudo; N. D. Levine; A. R. Lobblich; J. Weiser (ফেব্রুয়ারি ১৯৬৪)। "A Revised Classification of the Phylum Protozoa"। Journal of Eukaryotic Microbiology১১ (1): ৭–২০। ডিওআই:10.1111/j.1550-7408.1964.tb01715.xপিএমআইডি 14119564
  27. Bartel, Rebecca; Oberhauser, Karen; De Roode, Jacob; Atizer, Sonya (ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Monarch butterfly migration and parasite transmission in eastern North America"। Ecology৯২ (2): ৩৪২–৩৫১। ডিওআই:10.1890/10-0489.1পিএমআইডি 21618914
  28. Leong, K. L. H.; M. A. Yoshimura; H. K. Kaya; H. Williams (জানুয়ারি ১৯৯৭)। "Instar Susceptibility of the Monarch Butterfly (Danaus plexippus) to the Neogregarine Parasite, Ophryocystis elektroscirrha"। Journal of Invertebrate Pathology৬৯ (1): ৭৯–৮৩। সাইটসিয়ারএক্স 10.1.1.494.9827ডিওআই:10.1006/jipa.1996.4634পিএমআইডি 9028932 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে: |lay-url= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]