প্রভাত নলিনী দাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
প্রভাত নলিনী দাস
প্রভাত নলিনী দাস.jpg
জন্ম(১৯২৭-১২-১৯)১৯ ডিসেম্বর ১৯২৭
মৃত্যু১৪ নভেম্বর ২০১৮(2018-11-14) (বয়স ৯০)
জাতীয়তাভারতীয়

প্রভাত নলিনী দাস (ডিসেম্বর ১৯, ১৯২৭ - নভেম্বর ১৪, ২০১৮) [১] একজন শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় বুদ্ধিজীবী এবং শিক্ষাবিদ ছিলেন। [২][৩] তিনি ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেডি শ্রী রাম কলেজ, উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ্যা প্রতিষ্ঠান কানপুরের কলা বিভাগের প্রথম ডিন ছিলেন। ভারতীয় সংসদের আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ভারতের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় উত্তর-পূর্ব পার্বত্য বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি প্রো-উপাচার্য ছিলেন, এবং নাগাল্যান্ডে এদের কোহিমা ক্যাম্পাসটি তাঁর স্বাধীন দায়িত্বে ছিল। [৪]

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

প্রভাত নলিনী দাস যে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন সেখানেই তিনি শ্রেণীতে শীর্ষস্থান লাভ করেছেন। তিনি রাভেনশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সোনার পদক নিয়ে ইংরেজিতে বিএ (সাম্মানিক) অর্জন করেছিলেন। তিনি এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনটি স্বর্ণপদক অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষস্থান দখল করে ইংরেজিতে এমএ অর্জন করেছিলেন। তিনি ফুলব্রাইট স্মিথ-মুন্ড স্কলার হিসাবে মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে আরও একটি স্নাতকোত্তর অর্জন করেছিলেন এবং সেই বিশ্ববিদ্যালয়েও শীর্ষে ছিলেন। সেখানে তিনি মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলোশিপ সংস্থা থেকে পুরস্কার, ইংরেজি বিভাগে বছরের সেরা স্নাতক শিক্ষার্থী (১৯৫৪) পুরস্কার, ডেল্টা ফাই ল্যামডা পুরস্কার এবং লেখার দক্ষতার জন্য একটি বিশেষ পদক অর্জন করেছিলেন।[৫] মিনেসোটাতে, তিনি স্যামুয়েল মঙ্ক, রিকার্ডো কুইন্টানা, রবার্ট পেন ওয়ারেন, মারে ক্রিগার, অ্যালেন টেট, জন বেরিম্যান, এলিজাবেথ জ্যাকসন এবং জন হোস্পার্সের মত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে তারকা শিক্ষার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে জন হোস্পার্স পরবর্তীতে লিবার্তেরিয়ান পার্টির প্রথম মার্কিন রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হন।

তাঁকে রাভেনশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি দেওয়া হয়। [৬]

পরিবার[সম্পাদনা]

নলিনী জন্মগ্রহণ করেছিলেন কৃষ্ণ প্রিয়া দেবী ও রাধা কৃষ্ণ দাসের মেয়ে হয়ে। তাঁর বাবা রাভেনশ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রধান ছিলেন এবং সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সহপাঠী এবং সহকর্মী ছিলেন। তাঁর পরিবার ওড়িশার পুরী জেলার জমিদার পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ ও সরকারী কর্মকর্তা বিধু ভূষণ দাসকে বিবাহ করেছিলেন এবং এর ফলে তিনি ভারতীয় প্ৰশাসনিক সেবর উচ্চপদস্থ কর্মচারী রায় বাহাদুর দুর্গা চরণ দাসের বড় পুত্রবধূ হয়েছিলেন। তাঁর সন্তান প্রজ্ঞা পারমিতা প্রথম ওড়িয়া মহিলা হিসেবে ভারতীয় পররাষ্ট্র সেবার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন; তাঁর আর এক মেয়ে [৭] উপালি অপরাজিতা, কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট ফেলো এবং নৃত্যবিশারদ ওড়িশি এবং ভারতনাট্যম শিল্পী। তৃতীয় কন্যা আশুতোষ শেশবালয় সাংবাদিক এবং প্রযুক্তি পরামর্শক এবং তিনি সর্বাধিক বিক্রিত বই "রাইজিং এলিফ্যান্ট" এর রচয়িতা এবং ইউরোপের সুরক্ষা উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেছেন। [৮]

লেখক এবং অনুবাদক[সম্পাদনা]

নলিনী বেশ কয়েকটি বিখ্যাত উড়িয়া রচনাকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। তিনি ১৯৭৪ সালে উৎকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান হিসাবে স্নাতকোত্তর পাঠ্যক্রমের জন্য অনুবাদকে একটি বিষয় হিসাবে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। এটি সম্ভবত প্রথমের মধ্যে একটি, বা হয়তো প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ছিল, যেখানে অনুবাদ করা শুরু হয়েছিল। তিনি ১৯৭০ এর দশকের শেষদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় অনুদান কমিশন পরিকল্পনার অধীনে বিশিষ্ট লেখক গোপীনাথ মোহান্তিকে উৎকল বিশ্ববিদ্যালয়ে দু'বছরের জন্য একজন বিশিষ্ট পরিদর্শক অধ্যাপক এবং গৃহস্থিত লেখক হিসাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।[৯]

কাজ[সম্পাদনা]

অনুবাদ[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Founder Of Utkal Varsity English Department Dead
  2. Fourth Annual Convocation-2011 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৬ অক্টোবর ২০১২ তারিখে, Ravenshaw University
  3. Time for students to excel: Montek
  4. http://www.sikkimexpress.com/NewsDetails?ContentID=43021
  5. https://conservancy.umn.edu/handle/11299/123909
  6. https://www.telegraphindia.com/states/odisha/time-for-students-to-excel-montek/cid/408856
  7. Maa Mo Mamatamayee, edited and compiled by Dr. Pravati Mishra; Subham Printers, Rajendra Nagar, Cuttack, Odisha. 2018. আইএসবিএন ৮১-৭৪০৬-০৩১-৬
  8. https://www.voiceamerica.com/guest/17097/ashutosh-sheshabalaya
  9. Sitakant Mahapatra (২০১৮)। Till My Time Come ((Twenty Poems from SAMUDRA - Odia))Prabhat Nalini Das কর্তৃক অনূদিত। Lekhalekhi, Bhubaneswar। আইএসবিএন 978-81-931588-9-0