পাকিস্তান মুসলিম লীগ (জেড)
পাকিস্তান মুসলিম লিগ (জিয়া-উল-হক শহীদ) پاکستان مسلم لیگ (ض) | |
|---|---|
| নেতা | ইজাজ-উল-হক |
| প্রতিষ্ঠা | অক্টোবর ২০০২ |
| বিভক্তি | পাকিস্তান মুসলিম লিগ |
| সদর দপ্তর | ভাওয়ালনগর, পাঞ্জাব, পাকিস্তান |
| ভাবাদর্শ | পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদ রক্ষণশীলতা |
| রাজনৈতিক অবস্থান | অতি ডানপন্থী |
| আনুষ্ঠানিক রঙ | সবুজ |
| সিনেট | ০ / ১০৪
|
| জাতীয় পরিষদ | ০ / ৩৪২
|
| পাঞ্জাব পরিষদ | ০ / ৩৭১
|
| ওয়েবসাইট | |
| www | |
| পাকিস্তানের রাজনীতি | |
পাকিস্তান মুসলিম লিগ (জিয়া-উল-হক শহীদ) (উর্দু: پاکستان مسلم لیگ (ض)) হচ্ছে ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তানের একটি রাজনৈতিক দল। ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত প্রায় ১০ বছর ধরে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি থাকা জেনারেল জিয়া-উল-হকের নামে দলটির নামকরণ করা হয়। ২০০২ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে এই দল থেকে জেনারেল জিয়া-উল-হকের পুত্র ইজাজ-উল-হক জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পারভেজ মুশাররফের সমর্থিত পাকিস্তান মুসলিম লিগ (কিউ)-এর সাথে একীভূত হন।[১] এর ফলস্বরূপ তিনি পাকিস্তানের 'ধর্ম এবং আন্তঃধর্মীয় সংস্কৃতি' বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিত্ব লাভ করেন। ২০০৮ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পিএমএল (কিউ)-এর পরাজয়ের ফলে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে পিএমএল-জেড পিএমএল (কিউ)-এর নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর দল (জোট) থেকে বেরিয়ে যায়।
২০১০ সালের মার্চ মাসে পিএমএল-জিয়া বাহাওয়ালনগরের পাঞ্জাব প্রাদেশিক আসনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে সফলভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পাকিস্তান পিপলস পার্টিকে যথেষ্ট বিচলিত করেছিল।[২] ২০১০ সালের বন্যার সময় দলটি দক্ষিণ পাঞ্জাবের বন্যাদুর্গত স্থানে লক্ষ লক্ষ টাকার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের জন্য জাতীয় মনোযোগে এসেছিল।[৩]
৯ অক্টোবর ২০১১ সালে, পিএমএল-জিয়া একমাত্র দল হিসেবে পিএমএল-এনের প্রদত্ত হুমকিকে সমর্থন জানায়; হুমকিগুলি ছিল পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙে দেওয়া হবে এবং ২০১২ সালের সিনেট নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রত্যাশিত বিজয়কে রোধ করা হবে।[৪]
২০১৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে, পিএমএল-জেড দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জাতীয় পরিষদের এনএ-১৯১ বাহওয়ালনগর এবং পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের দুটি আসন থেকে পুনরায় জয়লাভ করে।
ইজাজ-উল-হকের নির্বাচনী এলাকা এনএ-১৯১ আসনে (বাহাওয়ালপুর) ২০১৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে দেশে সবচেয়ে বেশি ভোটার উপস্থিতির রেকর্ড হয়েছে।[৫]
নির্বাচনী ইতিহাস
[সম্পাদনা]জাতীয় পরিষদের নির্বাচন
[সম্পাদনা]| নির্বাচন | প্রাপ্ত ভোট | ভোটের হার (%) | আসন সংখ্যা | +/– |
|---|---|---|---|---|
| ২০০২ | ৭৮,৭৯৮ | ০.২৭% | ১ / ৩৪২ |
|
| ২০১৩ | ১২৮,৫১০ | ০.২৮% | ১ / ৩৪২ |
|
| ২০১৮ | ১,৪০৬ | ০.০০% | ০ / ৩৪২ |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Parties to inform EC about merger with PML"। Dawn। ২০ মে ২০০৪।
- ↑ "PML-N wins NA-123, PP-82 slots"। PakTribune। ১১ মার্চ ২০১০। ১৩ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০২০।
- ↑ "PML-Z to distribute relief goods"। Pakistan Daily। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১০। ২২ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "PML-N threatens to dissolve Punjab Assembly"। Express Tribune। ৯ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ "Pakistan elections 2013 total voter turnout: 55%"। Express Tribune। ২১ মে ২০১৩।