পক্ষাঘাতগ্রস্থদের পুনর্বাসন কেন্দ্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্য প্যারালাইজ্‌ড
CRP Mirpur1.jpg
সিআরপি এর মিরপুর শাখার ভবন‎
গঠিত১৯৭৯
ধরণপূর্ণবাসন কেন্দ্র যেখানে
সদরদপ্তরসাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ
অবস্থান
  • দেশীয়
দাপ্তরিক ভাষা
ইংরেজি, বাংলা
মূল ব্যক্তিত্ব
ভ্যালেরি টেইলর
ওয়েবসাইটwww.crp-bangladesh.org

পক্ষাঘাতগ্রস্থদের পুনর্বাসন কেন্দ্র বা সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্য প্যারালাইজ্‌ড (সিআরপি) বাংলাদেশের পূর্নবাসন কেন্দ্র। এর মূল কাজ শারীরিকভাবে অক্ষমদের পরিপূর্ণ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা। ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটির মূলে আছেন বাংলাদেশে বসবাসরত একজন ইংরেজ ফিজিওথেরাপিস্ট যিনি জীবনের অধিকাংশ সময়ই বাংলাদেশে মানবসেবায় ব্যয় করেছেন এবং এখনও করছেন। তিনি হলেন ভেলরি এ. টেইলর

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় ১৯৭৯ সালে অনেক কষ্ট এবং প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই হাসপাতালের দুইটি পরিত্যক্ত গুদাম ঘর পান ভ্যালেরি টেইলর। এখানেই প্রথম একেবারে ছোট আকারে প্রতিষ্ঠা করেন পক্ষাঘাতগ্রস্থদের জন্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিআরপি এবং রোগী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করেন। প্রতিষ্ঠার পর অক্লান্ত পরিশ্রম করতে থাকেন এর উন্নতির জন্য। সাইকেলে চেপে বিভিন্নজনের ঘরে ঘরে যেতেন সাহায্যের জন্য। এজন্য তাঁকে অনেক লাঞ্ছনা-গঞ্জনাও সহ্য করতে হয়েছিল। এভাবে এই প্রতিষ্ঠানটি একসময় নিজের পায়ে দাঁড়াতে সমর্থ হয়। পরিণত হয় ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট একটি দাতব্য ক্লিনিকে। এই প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রার এক পর্যায়ে তাঁকে নেতৃস্থানীয় পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। এর ফলে এটি দাতব্য থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। বর্তমানে অবশ্য তার পদ তিনি ফিরে পেয়েছেন। কিন্তু এর উদারনৈতিক স্বেচ্ছাসেবার অভিযান অনেকটাই ব্যাহত হচ্ছে।

১৯৯০ সালের পূর্ব পর্যন্ত তিনবার তাঁর চিকিৎসা কেন্দ্রের স্থান পরিবর্তিত হয়। পরে ঢাকা মহানগরীর অদূরে সাভারে একটি স্থায়ী পক্ষাঘাত পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।[১] বর্তমানে ভ্যালেরির এই কেন্দ্রটি সিআরপি নামে সমধিক পরিচিত। সিআরপি প্রতিবন্ধীদের জীবনের উপর ভিত্তি করে "বিহঙ্গ" নামক সিনেমার তৈরি করেছিল। বর্তমানে অকুপেশনাল থেরাপি, ফিজিওথেরাপি, সেবিকা সহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর ট্রেনিং ও বিভিন্ন মেয়াদের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. দৈনিক যুগান্তর, ১০ মার্চ, ২০১২ইং, মুদ্রিত সংস্করণ, খবর, পৃষ্ঠা-৩

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]