নারীদের কল্যাণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নারীদের কল্যাণ
প্রতিষ্ঠাকালটেমপ্লেট:উদ্বোধন তারিখ
প্রতিষ্ঠাতাউইল নিক্সন
ধরণস্বাস্থ্য চ্যারিটি
নিবন্ধন নং
  • 239281 (ইংল্যান্ড ও ওয়েলস)
  • SC042856 (স্কটল্যান্ড)
আলোকপাতপুনরুৎপাদন স্বাস্থ্য
অবস্থান
মূল ব্যক্তিত্ব
আয়
১,৮৬২,৬৫০ পাউন্ড[১]
কর্মী সংখ্যা
১১[১]
স্বেচ্ছাকর্মী
২৫০[১]
ওয়েবসাইটwellbeingofwomen.org.uk
প্রাক্তন নাম
  • শিশু জন্ম গবেষণা কেন্দ্র
  • বার্থরাইট
  • কল্যাণ

নারীদের কল্যাণ হল নারী এবং শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নয়নে উৎসর্গীকৃত একটা চ্যারিটি। চিকিৎসা গবেষণায় বিনিয়োগ এবং মানবোন্নয়ন স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও নার্সদের কাজের জন্যে এই সংস্থা অর্থ সংগ্রহ করে। প্রত্যেক বছর এই চ্যারিটি গবেষণামূলক প্রকল্পে বিনিয়োগ করে এবং ডাক্তার এবং আয়াদের ট্রেনিংয়ের জন্যে তহবিল জমা করে। চ্যারিটি নারীদের মানবোন্নয়ন স্বাস্থ্যের তথ্যাদির প্রচারও করে।[২]

এই চ্যারিটি লন্ডনকেন্দ্রিক, এবং এতে আছে: একটা কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীর দল; একটা ট্রাস্টিবোর্ড, যার মাথায় আছেন স্যর ভিক্টর ব্ল্যাঙ্ক; এবং একটা গবেষণা উপদেষ্টা কমিটি।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৬০ পরবর্তীকাল[সম্পাদনা]

প্রখ্যাত ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ অধ্যাপক উইল নিক্সন ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে এই চ্যারিটি প্রতিষ্ঠা করেন, যাঁকে একজন যুবকের স্ত্রীর শিশু প্রসবকালীন মৃত্যু স্পর্শ করেছিল। এটা আসলে বলা হয় শিশুজন্ম গবেষণা কেন্দ্র। তিনি একদল অতিবিশিষ্ট প্রতিষ্ঠাতা সদস্যকে এককাট্টা করেছিলেন, যাঁদের মধ্যে ছিলেন: লর্ড ব্রেইন, একজন স্নায়ুবিদ্যাবিশারদ, যিনি ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে উইনস্টন চার্চিলের মৃত্যুশয্যায় তাঁর যত্ন নিয়েছিলেন; স্যর জন পীল, মহারানির প্রসূতিবিদ্যা-শল্যচিকিৎসক, অধ্যাপক দুগাল্ড বার্ড এবং স্যর জর্জ পিঙ্কার, একজন ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ, যিনি যুবরাজদ্বয় উইলিয়ম এবং হ্যারিসহ ন-জন রাজকীয় শিশুর প্রসব করিয়েছেন। প্রতিষ্ঠাতাদের লক্ষ্য ছিল অন্তঃসত্ত্বা ও প্রসবকালীন মা এবং শিশুদের মৃত্যুহার কমানো। শুরুতেই একটা মতামত প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিকলাঙ্গ শিশুদের মধ্যে ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি দেখা দেয়।[৩] সারা পৃথিবীর প্রসূতি মায়েরা বর্তমানে ফলিক অ্যাসিডের সম্পূরক গ্রহণ করে থাকেন।[৪] চ্যারিটি যন্ত্রণামুক্ত শিশু জন্মের সূক্ষ্ম গবেষণায় অর্থ বরাদ্দ করে,[৩] যার ফল ভোগ করছে লক্ষ লক্ষ প্রসূতি মা।[৫]

১৯৭০ পরবর্তীকাল[সম্পাদনা]

১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে চ্যারিটি নাম বদল করে হয় 'বার্থরাইট'।[৬] তারা যে গবেষণায় অর্থ জোগান দিত সেটা এমন একটা অবস্থার সৃষ্টি করেছিল যাতে হাজারো মহিলা গর্ভাশয় ক্যান্সারের লেজার চিকিৎসা নিরাপদেই করতে পারত। তারা জরায়ুর মধ্যে বাচ্চার দেখভাল করার রাস্তাও বের করতে সক্ষম হোত। অন্তঃস্বত্ত্বা মহিলাদের ডাউন্স সিন্ড্রোমের রোগ নির্ধারণে একটা শুরুর গবেষণা অ্যামাইনোসেন্টেসিস পরীক্ষায় অপক্ষাকৃত অব্যর্থভাবে সফল হতে সাহায্য করত। চ্যারিটি ধূমপান এবং সন্ন্যাস রোগের পূর্বাবস্থা ও বাচ্চারা কম ওজন নিয়ে জন্মানোর আবিষ্কারও করেছিল।[৩]

১৯৮০ পরবর্তীকাল[সম্পাদনা]

১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে এইচআরএইচ রাজকুমারী ডায়না বার্থরাইটের পৃষ্ঠপোষক হন।[৬] তিনি চ্যারিটিতে উৎসর্গিত হয়ে বলেছিলেন: "একটা শিশুকে বাঁচিয়ে রাখর জন্যে আরেকজনকে বিধ্বস্ত করে নয়। আমি জানিনা কী করে সেটার সঙ্গে এঁটে উঠব। এবং যদি বার্থরাইটের জন্যে আমার কাজ শুধুমাত্র একটা দম্পতির দুর্দশা দূর করে, তবে এটা সবচেয়ে সময়োপযোগী হবে।" তাঁর পৃষ্ঠপোষকতার সময়ে চ্যারিটি আইভিএফ-এ অর্থসাহায্য করে এবং এইচপিভি পরীক্ষাও চালায়, যে ভাইরাস গর্ভাশয় ক্যান্সার ঘটায়, যেটা গর্ভাশয় ক্যান্সার নির্ধারণ কার্যক্রমে ধরা পড়ে। চ্যারিটির গবেষণার ফলে জানা যায়, বার বার পেটে বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাওয়া ২০০০ মায়ের বয়ান হল: তাঁদের কখনো সন্তান ছিলনা, ৭৯ শতাংশ সন্তান চেয়েছিলেন।[৩] লন্ডনের কিংস কলেজের অধ্যাপক স্টুয়ার্ট ক্যাম্পবেল চ্যারিটি থেকে অর্থসাহায্য পেয়ে এক প্রকল্পে গবেষণা চালিয়ে আল্ট্রাসাউন্ড উন্নত করেছিলেন, যার ফলে জানা গিয়েছিল অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণে ঝুঁকি নিয়ে জানা যেত পেটে বাচ্চা মৃত অবস্থায় আছে কী না।[৩]

১৯৯০ পরবর্তীকাল[সম্পাদনা]

১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের দশকে চ্যারিটি গবেষণায় অর্থসাহায্য করে, যাতে আবিষ্কার হয় যে আল্ট্রাসাউন্ডকে অন্তঃস্বত্ত্বার প্রথমদিকের অস্বাভাবিকতাগুলোর খোঁজ দিতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটা শিশু জন্মের আগের পরীক্ষায় কার্যকর। চ্যারিটি আইভিএফ-এ পথ বের করতে সক্ষম হয়েছিল, অনুকূল অবস্থার সময়ে গবেষণা করে ভ্রূণ প্রতিস্থাপন, এবং দেখা কী করে সেটা জরায়ুতে পূর্ণতা লাভ করে। ওই সময় বলা হয় যে, ওটা 'বড়ো অগ্রগণ্য উর্বরতা চিকিৎসা'। তারা ধাত্রীবিদ্যাগত ক্যান্সার, গর্ভরোধ, এবং মহিলাদের রজোনিবৃত্তির পর হাড়ের ঘনত্ব গবেষণাতেও অর্থ সাহায্য করেছিল। [৩]

২০০০ পরবর্তীকাল[সম্পাদনা]

২০০৪ খ্রিস্টাব্দে চ্যারিটি নাম বদল করে হয়েছে 'নারীদের কল্যাণ'।[৬] নারীদের কল্যাণ হান্ড্রেড উওমেন ইন হেজ ফান্ডস-এর সঙ্গে একটা প্রকল্পে অর্থ সাহায্য করে যেটা মস্তিষ্কে পক্ষাঘাতের সৃষ্টি সম্পর্কে আমাদের বোঝাপড়াকে এগিয়ে দেয়।[৭] চ্যারিটি আরো গবেষণায় অর্থ সাহায্য করে যাতে নবজাত শিশুর মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া রোধ করে, এবং একটা প্রকল্প যা মহিলাদের বার বার গর্ভস্রাব থামিয়ে, মায়ের নিরাপদ শরীরে 'স্বাভাবিক হত্যাকারী কোষসমূহ' চিহ্নিত করে একটা সফল গর্ভধারণে সাহয্য করে।[৩] ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী সারা ব্রাউন নারীদের কল্যাণের পৃষ্ঠপোষক হয়েছিলেন।[৬] ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে নারীদের কল্যাণকে লর্ড মেয়র্স অ্যাপিল, ওআরবিআইএস-এর সঙ্গে একটা সুবিধাভোগকারী পরহিত কার্যক্রম হিসেবে ধরা হয়।[৮] রাজকুমার উইলিয়াম অ্যাপিলের একজন পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।[৮] অ্যাপিল থেকে তহবিল গঠনের ফলে নারীদের কল্যাণকে বেবি বায়ো ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠায় সক্ষম করেছিল, এটা হল মা, বাবা এবং শিশু - 'ফ্যামিলি ট্রায়োজ' বা 'পরিবার ত্রয়ী' এদের সৃষ্টিতত্ত্বের তথ্য সম্বলিত একটা আন্তর্জাতিক ভাণ্ডার। সৃষ্টিতত্ত্বের তথ্যসমৃদ্ধ এই ব্যাঙ্ক স্থির জটিলতায় অন্তঃস্বত্ত্বা এবং জন্ম, গর্ভস্রাবসহ পূর্বজাত শিশু এবং প্রাক-সন্ন্যাসরোগ সম্বন্ধে চালু গবেষণায় সুবিধে দেবে।[৯]

বর্তমান[সম্পাদনা]

কর্পোরেট অংশীদারগণ[সম্পাদনা]

২০১৩ খ্রিস্টাব্দের মার্চে নারীদের কল্যাণ পিডব্লুসি-এর সঙ্গে একটা বড়ো অংশীদারিত্বে আবদ্ধ হয়। পিডব্লুসি হল নারী কল্যাণের পতাকাতলে দুটো প্রকল্পের ব্যয়বহনকারী - মহিলাদের বার্ষিক মধ্যাহ্নভোজ বিতর্ক এবং বার্ষিক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ক্রিকেট ম্যাচ - কিন্তু ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে দুটো নারীদের কল্যাণ থেকে অর্থানুকূল্যে গবেষকদের দ্বারা, চ্যারিটিরতে তাদের সমর্থন বিস্তৃত এবং বৃদ্ধি করে,[১০]

নারীদের কল্যাণের বিএইচ-এর সঙ্গে চালু অংশীদারিত্ব আছে। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে চ্যারিটিকে সাহায্য করার জন্যে ক্যারেন ব্র্যাডি বিএইচএস-এ বিক্রি করার জন্যে একগুচ্ছ কাজের পোশাকের নকশা তৈরি করেন,[১১] এবং ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে এমা ফোর্বস অন্য একগুচ্ছ পোশাক চ্যারিটির সাহায্যে বিক্রির জন্যে চালু করেন।[১২]

২০১১ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে স্ট্র্যাটফোর্ড, লন্ডন২০১২ গ্রীষ্মকালীন ওলিম্পিক ক্রীড়ায় যোগ দিতে ক্লারা মেইডমেন্ট নারীদের কল্যাণে অর্থ সাহায্যের জন্যে একটা চ্যারিটি ক্যালেন্ডর তৈরি করেন। বারো জন বিশিষ্ট ব্রিটিশ মহিলা ক্রীড়াবিদ যাঁরা নিকোলে দে কার্লে এর অন্তর্বাসে জাহির হন, সলিমা হিউজেস এবং কোস্টার ডায়ামন্ডস দ্বারা প্রস্তুত রত্নমণি ধারণ করেন।[১৩]

ঘটনাসমূহ[সম্পাদনা]

নারীদের কল্যাণ ফোর্টনাম এবং ম্যাসনে এক ধারাবাহিক সাহিত্য সম্বন্ধীয় মধ্যাহ্নভোজ চালায়,[১৪] যেখানে বক্তৃতা ও আলোচনায় ছিলেন প্রখ্যাত লেখকের সঙ্গে ইভ পোলার্ড ওবিই অথবা কেনিংটনের ব্যারোনেস জেনকিন। আগেকার লেখকদের মধ্যে ছিলেন: পিডি জেমস, বারবারা টেলর ব্র্যাডফোর্ড, পেনি ভিন্সেঞ্জি, জুলিয়ান ফেলোজ এবং ফিয়ন হেগ। তারা ফোর্টনাম এবং ম্যাসনে আরো একটা ধারাবাহিক চালায় যার নাম 'অ্যান অডিয়েন্স উইথ...'।[১৫] নারীদের কল্যাণ হল 'ইন্সপিরেশনাল উওমেন অফ দ্য ইয়ার' পুরস্কারের সুবিধে ভোগকারী চ্যারিটি,[১৬] যেটা 'ডেইলি মেইল'এর সঙ্গে একযোগে চলে, এবং ২০১২ খ্রিস্টাব্দে এটা স্যাঙ্কচুয়ারি স্পায়ের অর্থে পরিচালিত হয়েছিল।[১৭]

২০১২ খ্রিস্টাব্দের ১২ অক্টোবর রাইট রেভারেন্ড ভিনসেন্ট নিকোলাস প্রথম বার্ষিক স্যর জর্জ পিঙ্কার স্মারক বক্তৃতা দেন।[১৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. টেমপ্লেট:EW charity
  2. "Your Wellbeing"Wellbeing of Women। ১ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১২ 
  3. "Our achievements"। Wellbeing of Women। ২০১৪-০৬-২০। ২০১৪-০৬-২৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  4. "Vitamins and minerals - B vitamins and folic acid - NHS Choices"Nhs.uk। ২০১৫-০২-১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  5. "Epidural anaesthesia - NHS Choices"Nhs.uk। ২০১৬-১১-২৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  6. "Our history"। Wellbeing of Women। ২০১৪-০৬-২০। ২০১৫-০৬-২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  7. "100 WHF Late Summer Garden Party" (PDF)100womeninhedgefunds.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  8. [১]
  9. "Baby Biobank"Ucl.ac.uk। ২০১৩-১১-০১। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  10. "Wellbeing of Women"Pwc.co.uk। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  11. "The British Home Store"। BHS। ২০১২-১১-২৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  12. "The British Home Store"। BHS। ২০১৩-০৭-০৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  13. Rawi, Maysa (২২ ডিসেম্বর ২০১১)। "Sporting calendar girls! Team GB model for charity shoot ahead of 2012 Olympics"Daily Mail। London। আইএসএসএন 0307-7578ওসিএলসি 16310567। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১২ 
  14. "Events"। Wellbeing of Women। ২০১৬-১২-০৫। ২০১৩-১০-১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  15. "Events"। Wellbeing of Women। ২০১৬-১২-০৫। ২০১৩-১০-১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  16. "Who's inspired YOU this year? Nominate here for the Daily Mail's Inspirational Women of the Year Awards"Daily Mail। London। 
  17. "Sanctuary Spa Home"Sanctuary.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-১৪ 
  18. "The Inaugural Annual Sir George Pinker Memorial Address"Wellbeing of Women। ২২ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]