নাবি তাজিমা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নাবি তাজিমা
স্থানীয় নাম
田島 ナビ
জন্ম(১৯০০-০৮-০৪)৪ আগস্ট ১৯০০

ওয়ান গ্রাম (বর্তমান কিকাই শহর), কাগোশিমা, জাপান
মৃত্যু২১ এপ্রিল ২০১৮(২০১৮-০৪-২১)
(বয়স ১১৭ বছর, ২৬০ দিন)
বাসস্থানকিকাই, কাগোশিমা, জাপান
জাতীয়তাজাপানি
পরিচিতির কারণসবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ থেকে)
জাপানের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি
(২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ থেকে)[১]
১৯শ শতাব্দীতে জন্ম নিয়ে
সবথেকে বয়স্ক হিসেবে স্বীকৃত জীবিত জাপানী ব্যক্তি
দাম্পত্য সঙ্গীটমিনিশি তাজিমা
সন্তান

নাবি তাজিমা (田島 ナビ, তাজিমা নাবি, জন্ম ৪ আগস্ট ১৯০০-২১ এপ্রিল ২০১৮)[২][৩] একজন জাপানি শতবর্ষী ব্যক্তি, যিনি ১১৭ বছর, ২৬০ দিন বয়সে, পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক হিসেবে স্বীকৃত জীবিত ব্যক্তি এবং ১৯শ শতাব্দীতে জন্ম নিয়ে বেঁচে থাকা সর্বশেষ ব্যক্তি ছিলেন।[৪] এমনকি তিনি সবথেকে বয়স্ক হিসেবে স্বীকৃত জাপানী এবং এশীয় ব্যক্তিও ছিলেন।

জীবনী[সম্পাদনা]

তাজিমা আরাকিতে জন্মগ্রহণ করেন, যেটি তৎকালীন কিকাইজিমা দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত ওয়ান গ্রামে অবস্থিত ছিল। ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে, তিনি কাগোশিমার কিকাইতে "কিকাইয়েন" (喜界園) নামের একটি নার্সিং হোমে বসবাস করে আসছিলেন।[৫]

কিছু কিছু সূত্র অনুযায়ী, তার স্বামী, টমিনিশি তাজিমা (田島 富二子), ১৯৯১ সালে ৯৫ বছর বয়সে[৬] বা অন্যান্য সম্ভাব্য সূত্রানুযায়ী ১৯৯২ বা ১৯৯৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।[৭] তার নয় সন্তান (সাত ছেলে ও দুই মেয়ে) রয়েছে।[৬] ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর অনুযায়ী, তাজিমার ২৮জন নাতিনাতনী, ৫৬জন মহা-নাতিনাতনী এবং ৩৫জন মহা-মহা-নাতিনাতনী ছিল।[৮] ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর অনুসারে, তার মহা-মহা-মহা-নাতিনাতনী সহ ১৪০জনের অধিক সন্তানসন্ততি ছিল।[৬] সেপ্টেম্বর ২০১৭ মতে, তার বংশধর ছিল প্রায় ১৬০ জন।[৫]

২০১১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, ১১৫ বছর বয়েসী একজন বেনামী নারী যিনি টোকিওতে বসবাস করতেন তার মৃত্যুতে তাজিমা জাপানের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি হিসেবে পরিণত হন।[১] ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে, ১১৭বছর বয়েসী একজন জ্যামাইকার নাগরিক ভায়োলেট ব্রাউনের মৃত্যুতে, তাজিমা বিশ্বের প্রাচীনতম জীবিত ব্যক্তি হয়ে ওঠেন এবং ১৯শ শতকে জন্মগ্রহণকারী সর্বশেষ ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হন।[৯] ২২ মার্চ, ২০১৮ সালে, নাবি তাজিমা পৃথিবীর ইতিহাসে চতুর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি হয়ে উঠেন।[১০]

গভীর ঘুম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণকে তিনি তার দীর্ঘায়ুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।[১১]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "国内最高齢の115歳女性が死去" [Oldest Person in Japan 115yo Woman Dies] (Japanese ভাষায়)। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  2. Schumann, Rebecka (৯ জুন ২০১৪)। "Misao Okawa, The World's Oldest Woman, And 39 Other Female Supercentenarians"International Business Times। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০১৫ 
  3. Guinness World Records 2015। Guinness World Records। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪। পৃষ্ঠা 77। আইএসবিএন 978-1-9088-4370-8 
  4. 世界最高齢、117歳女性死去=最後の1800年代生まれ-伊 (জাপানি)
  5. 117歳 世界一へ県民栄誉検討 田島ナビさんを知事訪問 鹿児島県喜界町 আর্কাইভইজে আর্কাইভকৃত ২৮ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে (জাপানি)
  6. "「ナビばあちゃんちばりよー」/喜界町の田島さんに県祝い状" ["Grandma Nabi" - Kikai City holds provincial celebration for Mrs. Tajima] (Japanese ভাষায়)। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৫ 
  7. 子孫140人…発酵飲料好み、よく食べ 国内最高齢117歳の田島ナビさん (জাপানি)
  8. "広報きかい" [Kikai News] (PDF) (Japanese ভাষায়)। Kikai Town Hall। সেপ্টেম্বর ২০১১। ১৩ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৫ 
  9. World’s oldest person dies, giving title to Japanese supercentenarian
  10. Japanese woman becomes 4th oldest person in history
  11. "Japanese woman becomes 5th oldest person in history"। BNO News। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮