নড়িয়া পৌরসভা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

বাংলাদেশের শরিয়তপুর জেলার অন্তর্গত একটি নড়িয়া উপজেলা এর অন্তর্গত একমাত্র পৌরসভা

অবস্থান[সম্পাদনা]

এ পৌরসভার মোট আয়তন ১১ বর্গ কিলোমিটার। নড়িয়া পৌরসভা উত্তরে কীর্তনাশা নদী , দক্ষিণে ফতেজংপুর ইউিনয়ন , পূর্বে কেদারপুর ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে কীর্তনাশা নদীমোত্তারেরচর ইউনিয়ন অবস্থিত। ।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

নড়িয়া পৌরসভা ০৯টি ওয়ার্ড ও ০৩টি মৌজা নিয়ে গঠিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নড়িয়া উপজেলার নামকরণের ইতিহাস:


বর্তমান অবস্থান: শরীয়তপুর জেলার অন্যতম প্রখ্যাত উপজেলা। জেলা শহর হতে প্রায় ১৪ কিঃমিঃ উত্তর পূর্বে নড়িয়া অবস্থিত । ভৌগলিকভাবে ২৩.১৪ ডিগ্রী হতে ২৩.২৫র্ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০.১৮ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এর অবস্থান। উপজেলাটির উত্তরে পদ্মা নদী ও মুন্সিগঞ্জ জেলা দক্ষিণে ভেদরগঞ্জ ও শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও জাজিরা উপজেলা দ্বারা বেষ্টিত। নামকরণের ইতিহাস: নড়িয়া উপজেলার নামকরণ সম্পর্কে কোন সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি । নদী বিধৌত এলাকা বলে প্রতিবছর এর আয়তন স্থানান্তরিত হয়ে পড়ত। অর্থাৎ এর অবস্থান নড়ে যেত বা নইরা যেত। আঞ্চলিক উচ্চারণে নইরা থেকে নইরা<নৈরা<নরিয়া <নড়িয়া নামকরণ হতে পারে বলে ধারণা করা যায়।তবে কথিত আছে নড়িয়া নামক এক বিরাট মৌজার নামানুসারেই উপজেলার নামকরণ নড়িয়া করা হয় । নড়িয়া প্রথমে থানার রুপ নেয় ১৯৩০ সালে । ১৯৮৩ সালের ১লা আগস্ট নড়িয়া উপজেলায় রুপান্তরিত হয় । উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালিন খাদ্য মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল এজি মাহমুদ । এখানকার জনসাধারণের প্রধান জীবিকা কৃষি হলেও ব্যবসা, সরকারী বেসরকারী চাকুরী, কুটির শিল্প সম্প্রদায়ের বহু লোক এখানে বাস করে । এছাড়া এ উপজেলায় প্রায় ৫০,০০০ ( পন্চাঁশ হাজার) লোক ইতালী, মধ্যপ্রাচ্য সহ বিশ্বের নানা দেশে কর্মরত আছেন। প্রচুর রেমিটেন্স দেশে প্রেরণ করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২,৩১৬৪৪ জন(প্রায় ১,০৯৯৬৭ জন(প্রায়) ২০১১ সালের আদমসুমারী গনর্না অনুযায়ী ১,২১৬৭৭ জন(প্রায়)|date=নভেম্বর ২০১৬}}

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

মডার্ন ফ্যান্টাসি কিংডম-নড়িয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডর কলুকাঠি নামক গ্রামে এটি আবস্তিত।এখানে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মাছের একুরিয়াম ।তাছারা এখানে চিড়িয়াখানা সহ শিশুদের বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে।শরীয়তপুর জেলার একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত।

পত্র পত্রিকা[সম্পাদনা]

নদ নদী[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]