দীপিকা হেনরি জোসেফ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দীপিকা হেনরি জোসেফ
ব্যক্তিগত তথ্য
জাতীয়তাভারতীয়
ক্রীড়া
দেশভারত
ক্রীড়াকাবাডি
৫ মার্চ ২০২২ তারিখে হালনাগাদকৃত

দীপিকা হেনরি জোসেফ হলেন একজন ভারতীয় পেশাদার আন্তর্জাতিক কাবাডি খেলোয়াড়। তিনি কুয়াংচৌয়ে ২০১০ এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক জয়ী ভারতীয় দলের একজন সদস্য ছিলেন।[১][২] এখানেই প্রথম বারের মতো মহিলা কাবাডির প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল।[৩]

দীপিকা প্রথমবার কাবাডিতে ভারতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ২০০৭ এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপে, তখন তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর।

তিনি ২০১০ সালে বাংলাদেশে সাফ গেমস খেলেছেন, সেখানে ভারতীয় দল স্বর্ণপদক জিতেছিল। ২০১৩ সালে কোরিয়ায় ইন্ডোর এশিয়ান গেমসেও স্বর্ণপদক জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি ভারতের সহ-অধিনায়ক হিসেবে দেশের হয়ে খেলছেন। ২০১৯ সালে নেপালে তাঁর সহ অধিনায়কত্বে ভারত সাফ গেমসে জয়লাভ করেছিল।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

দীপিকা, পুনের একটি বস্তিতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা মীনা জোসেফ তাঁকে একা হাতে বড় করেছেন। সন্তরণ বা টেনিসের মতো কোন খেলায় যাবার ইচ্ছা থাকলেও আর্থিক অনটনের কারণে তা করা হয়নি। তিনি বলেছেন, "আমি কাবাডি খেলা শুরু করি কারণ বিনামূল্যে কোচিং পাওয়া যেত এবং তারা আমাদের ট্র্যাকসুট ও বই দিত।"[৪][৫] শুরুর দিকে, জোসেফকে উৎসাহ দেওয়ার কেউ ছিল না। অবস্থার পরিবর্তন হতে শুরু করে যখন নবম শ্রেণীতে থাকা জোসেফ ভারতের হয়ে খেলার জন্য নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে এশিয়ান গেমসে ভারতীয় দলের হয়ে সোনা জেতার পরে, মহারাষ্ট্র সরকার তাঁকে বিক্রয় কর বিভাগে সহকারী কমিশনার হিসাবে নিয়োগ করেছিল।[৫] দীপিকা অনেক আঘাত, আর্থিক অস্থিরতা সহ্য করেছেন কিন্তু তারপরও ফিরে এসেছেন।

খেলোয়াড় জীবন[সম্পাদনা]

দীপিকা, প্রাথমিকভাবে কোর্টে একজন আক্রমণকারী (রেইডার) ছিলেন। ২০১৪ সালের এশিয়ান গেমসের আগে তিনি একটি আঘাতের শিকার হয়েছিলেন। তাঁর হাড়ের পুনর্গঠন অস্ত্রোপচার হয়েছিল। তা সত্ত্বেও তাঁর একটি পা অন্যটির চেয়ে ছোট হয়ে গিয়েছিল। তিনি এরপরেও খেলা চালিয়ে যান এবং রক্ষণ বিভাগে (ডিফেন্স) খেলা শুরু করেন। তাঁর কথায়, "“আমাকে প্রতিরক্ষায় যেতে হয়েছিল কারণ সেখানে নড়াচড়া সীমিত এবং ডিফেন্ডারদের আক্রমণকারীদের মতো ততটা চাপ নিতে হয় না। কিন্তু আমি খেলা ছাড়তে চাইনি।"[৪]

তিনি বলেছেন কাবাডিতে তাঁর সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তটি এসেছিল যখন ভারত ২০১২ সালে প্রথম মহিলা বিশ্বকাপ জিতেছিল - তিনি সেই দলের সহ-অধিনায়ক ছিলেন।[৫]

দীপিকা ২০১৩ সালে ইনডোর এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন এবং ২০১০ সালে সাফ গেমসে খেলেছিলেন যেখানে ভারত স্বর্ণপদক জিতেছিল। তিনি ২০১৯ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে হওয়া সাফ গেমসেও স্বর্ণপদক জয়ী দলের সদস্য ছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Vinod, A. (নভে ২৯, ২০১০)। "Kerala still in celebratory mood after Asiad impression"The HinduThe Hindu Group। এপ্রিল ২, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০১২ 
  2. "Colourful start to district youth fete"The HinduThe Hindu Group। জানুয়ারি ৮, ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০১২ 
  3. "Indian women covet kabaddi gold"। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২২ 
  4. "Kabaddi's women of steel"। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২২ 
  5. "WKL turning point for women's kabaddi: Deepika Joseph Read more at: http://timesofindia.indiatimes.com/articleshow/59381663.cms?utm_source=contentofinterest&utm_medium=text&utm_campaign=cppst"। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২২  |title= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)