দিয়েগো গার্সিয়া

স্থানাঙ্ক: ৭°১৮′৪৮″ দক্ষিণ ৭২°২৪′৪০″ পূর্ব / ৭.৩১৩৩৩° দক্ষিণ ৭২.৪১১১১° পূর্ব / -7.31333; 72.41111
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দিয়েগো গার্সিয়া
Diegogarcia.jpg
Terminal BIOT.jpg
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
বিমানবন্দরের ধরননৌবাহিনীসংক্রান্ত বিমান সুবিধা
মালিকযুক্তরাজ্যব্রিটিশ অঞ্চল
পরিচালকMoD, Her Majesty's Government
অবস্থানব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল, ভারত মহাসাগর
নির্মিত১৯৭১-১৯৭৬; Major Extensions 1982–1986
ব্যবহৃত১৯৭১ - বর্তমান
এএমএসএল উচ্চতা৯ ফুট / ৩ মিটার
স্থানাঙ্ক৭°১৮′৪৮″ দক্ষিণ ৭২°২৪′৪০″ পূর্ব / ৭.৩১৩৩৩° দক্ষিণ ৭২.৪১১১১° পূর্ব / -7.31333; 72.41111
মানচিত্র
দিয়েগো গার্সিয়া ভারত মহাসাগর-এ অবস্থিত
দিয়েগো গার্সিয়া
দিয়েগো গার্সিয়া
ভারত মহাসাগরে দিয়েগো গার্সিয়া এর অবস্থান
রানওয়ে
দিক দৈর্ঘ্য পৃষ্ঠতল
ফুট মি
13/31 ১২,০০৩ ৩,৬৫৯ Concrete
দিয়েগো গার্সিয়া
দিয়েগো গার্সিয়া ন্যাভাল ১৯৮২ সমর্থন সুবিধা মধ্যে অফিসারদের জন্য ডাইনিং এলাকা. Unpaved সড়ক দ্বীপে উপস্থিত সমস্ত সাদা ভগ্ন প্রবাল হিসাবে এখানে দেখা যাবে গঠিত হয়।
দিয়েগো গার্সিয়া ন্যাভাল ১৯৮২ সমর্থন সুবিধা মধ্যে অফিসারদের জন্য ডাইনিং এলাকা. Unpaved সড়ক দ্বীপে উপস্থিত সমস্ত সাদা ভগ্ন প্রবাল হিসাবে এখানে দেখা যাবে গঠিত হয়।
দেশযুক্তরাজ্য যুক্তরাজ্য
ব্রিটিশ উপনিবেশব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় এলাকা ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল
জনসংখ্যা
 • মোট৪,০০০[১]
সময় অঞ্চলUTC+06:00

দিয়েগো গার্সিয়া (ইংরেজি ভাষায়: Diego Garcia) ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত, যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি প্রবালদ্বীপ। দ্বীপটি মধ্য ভারত মহাসাগরের বিষুবরেখা হতে সামান্য দক্ষিণে অবস্থিত এবং চাগোস দ্বীপপুঞ্জের ষাটটি দ্বীপের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এটি একটা সামরিক দ্বীপ। ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরা প্রথম দ্বীপটি আবিষ্কার করে, ১৭৯০ সালে ফরাসীরা আর নেপোলিয়নিক যুদ্ধের পর বৃটিশরা দ্বীপটি অধিগ্রহণ করে। ১৯৬০ সালে ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তির আগ পর্যন্ত দ্বীপটি মরিশাসের ব্রিটিশ কলোনির অন্তর্ভুক্ত ছিল।[১] ১৯৬৬ সালে দ্বীপটির জনসংখ্যা ছিল ৯২৪ জন। এদের চাগোস-আগালেগা নামক একটি কোম্পানি তাদের ডাব বাগানে চুক্তিভিত্তিক চাষী হিসেবে নিয়োগ দিত। স্থানীয় বাগান ব্যবস্থাপকরা অল্প কাজের বিনিময়ে বৃদ্ধ ও অক্ষম চাষীদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিত, কিন্তু ১২ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের বাগানে কাজ করতে বাধ্য করত। ১৯৬৪ সালে পুরো দ্বীপে মাত্র তিনজন ব্যক্তি বেকার ছিল। ১৯৬৭ সালের এপ্রিল মাসে ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ছয় লক্ষ ইউরোতে চাগোস-আগালেগার সমস্ত সম্পত্তি কিনে নিলে, ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল কর্তৃপক্ষ এর একমাত্র মালিক বনে যায়। ব্রিটিশ রাজা আবার দ্রুত চাগোস-আগালেগাকে তাদের সম্পত্তি লিজ দেয় কিন্তু ১৯৬৭ সালের শেষের দিকে চাগোস-আগালেগা লিজ বাতিল করে সম্পত্তি ফিরিয়ে দেয়।[২]

১৯৬৮ সাল হতে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত একটি সামরিক ঘাঁটি তৈরীর উদ্দেশ্যে দিয়েগো গার্সিয়ার স্থানীয় অধিবাসীদের মরিশাস ও স্যাচেল্যাস দ্বীপে জোরপূর্বক স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীকালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটিতে একটি নৌ ও সামরিক ঘাঁটি গড়ে তোলে যা এখনো বর্তমান।[৩] ২০১৮ সাল পর্যন্ত এটি ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একমাত্র মানববসতি সম্পন্ন দ্বীপ, যেখানে সামরিক বাহিনীতে কর্মরত ব্যক্তি ও সামরিক কাজে জড়িত ঠিকাদারদের বসবাস। দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে অবস্থিত দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটির একটি। অন্যটি হল প্রশান্ত মহাসাগরের গুয়ামে অবস্থিত এন্ডারসন বিমান ঘাঁটি।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Country Profile: British Indian Ocean Territory (British Overseas Territory)"। Fco.gov.uk। ২০১২-০৪-১২। ২০১২-০৬-২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৬-২১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

ভিডিও[সম্পাদনা]