দিবর দিঘি ও কৈবর্ত স্তম্ভ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দিবর দিঘি ও কৈবর্ত স্তম্ভ
A View of Dibor Dighi.jpg
দিবর দিঘি ও কৈবর্ত স্তম্ভ
অবস্থানপত্নীতলা উপজেলা নওগাঁ জেলা, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৫°০৭′২১″ উত্তর ৮৮°৩৭′১৩″ পূর্ব / ২৫.১২২৫° উত্তর ৮৮.৬২০২° পূর্ব / 25.1225; 88.6202স্থানাঙ্ক: ২৫°০৭′২১″ উত্তর ৮৮°৩৭′১৩″ পূর্ব / ২৫.১২২৫° উত্তর ৮৮.৬২০২° পূর্ব / 25.1225; 88.6202
দিবর দিঘি ও কৈবর্ত স্তম্ভ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
দিবর দিঘি ও কৈবর্ত স্তম্ভ
বাংলাদেশে দিবর দিঘি ও কৈবর্ত স্তম্ভের অবস্থান

দিবর দিঘি ও কৈবর্ত স্তম্ভ নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর-সান্তাহার মহাসড়কের উত্তরে অবস্থিত গ্রামের প্রায় ১০০ একর উঁচু ভূমির মধ্যখানে ২০ একর ভূমিতে খননকৃত এক বিশাল দিঘি।[১][২][৩][৪]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নওগাঁ জেলায় পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর-সান্তাহার মহাসড়কের উত্তরে অবস্থিত গ্রামে দিবর দিঘি (পুকুর) ও কৈবর্ত স্তম্ভ অবস্থিত। ১০০ একর উঁচু ভূমির মাঝখানে ২০ একর ভূমিতে দিঘিটি খনন করা হয়েছে। দিঘির কেন্দ্রস্থলে গ্রানাইট পাথর নির্মিত নয় কোণ বিশিষ্ট একটি স্টম্ভ দাঁড়িয়ে আছে, এটি কৈবর্ত স্তম্ভ নামে পরিচিত। স্তম্ভের শীর্ষটি তিনটি স্ফীত বৃত্তাকার বলয় দিয়ে মুকুটাকারে সজ্জিত।

স্যার বুচানন হ্যামিল্টন ১৮০৭-০৮ সালে এ দিঘি পরিদর্শন করেন স্তম্ভটির এবং স্তম্ভটির উচ্চতা ১০.৩৩ মিটার হিসাবে পরিমাপ করেন। স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯-৮০ সালে এটি পরিদর্শন করেন এবং স্তম্ভগুলির উচ্চতা ৯.১৪ মিটার হিসাবে উল্লেখ করেন। তাঁর প্রতিবেদন অনুসারে, এই স্তম্ভটির ভূগর্ভস্থ অংশের দৈর্ঘ্য ছিল আড়াই থেকে তিন মিটার, পানির নিচে দৈর্ঘ্য ৪ মিটার এবং পানির উপরে দৃশ্যমান অংশের দৈর্ঘ্য ধরা হয়েছিল মাত্র ৩ মিটার। তিনি আরও জানিয়েছেন যে প্রতিটি কোণের পারস্পরিক দূরত্ব প্রায় ৪ মিটার।[৪]

দিবর দিঘি ও কৈবর্ত স্তম্ভ[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক বিবরণ থেকে অনুমান করা হয় কৈবর্ত রাজা  দিব্য বা দিব্যক পাল রাজা দ্বিতীয় মহীপালকে (আনু ১০৭৫-১০৮০ খ্রি.) পরাজিত করে পাল সিংহাসন অধিকারের স্মৃতি হিসাবে সম্ভবত এই স্মৃতিসৌধটি নির্মান করা হয়। স্তম্ভটি একাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে রাজা দিব্যক বা তাঁর উত্তরসূরী রুদক বা ভীম কর্তৃক নির্মিত বলে মনে করা হয়। দিবর নামে গ্রামটির নামকরণ রাজা দিব্যক বা দিব্য নামের অপভ্রংশ হতে পারে।[৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Chakrabarti, Dilip K. (১৯৯২)। Ancient Bangladesh, a study of the archaeologcial sources। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 155। 
  2. Indian Information Series4–5। India: Bureau of Public Information। ১৯৩৯। 
  3. Maitreẏa, Akshaẏakumāra (১৯৮৭)। The fall of the Pāla Empire। University of North Bengal। পৃষ্ঠা 44। 
  4. "দিবর দিঘি ও কৈবর্ত স্তম্ভ"বাংলাপিডিয়া। ৩০ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।