জেন গুডঅল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ডেম জেন গুডঅল
অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার
Jane Goodall HK.jpg
জন্ম (১৯৩৪-০৪-০৩) ৩ এপ্রিল ১৯৩৪ (বয়স ৮৩)
লন্ডন, ইংল্যান্ড
প্রাক্তন ছাত্র নিয়নহাম কলেজ, কেমব্রিজ
ড্রউইন কলেজ, কেমব্রিজ
পিএইচডি উপদেষ্টা রবার্ট হাইড
পরিচিতির কারণ বানর তত্ত্ব বিশ্লেষক,পশু কল্যাণ ও সংরক্ষণ
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার কিয়োটো পদক (১৯৯০)
হুবার্ড পদক (১৯৯৫)
পরিবেশগত অবদানের জন্য টিলার পুরস্কার (১৯৯৭)
অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (২০০৪)

ডেম জেন গুডঅল, অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (/ˈɡʊdˌɔːl/; ভালেরি জেন মরিস গুডঅল ৩ এপ্রিল ১৯৩৪-এ জন্মগ্রহন করনে[২] হলেন একজন ইংরেজ প্রিমাটোলজিস্ট, এথোনোলজিন্ট , নৃবেজ্ঞানী, এবং ইউ.ই. শান্তি দূত].[৩] ভালেরি জেন মরিস গুডঅলকে বিশ্বের সর্বাগ্রে বানর বিশেষজ্ঞ বলে পরিচিত। [৪] সে জেন গুডঅল ইন্সটিটিউট এবং দ্যা রূটস্ এন্ড সুটস এর প্রতিষ্ঠাতা, এবং সে পশু সংরক্ষণ এবং কল্যাণ বিষয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করেছে. সে নন-হিউম্যান রাইটস প্রোজেক্টে ১৯৯৬ সাল থেকে অবদান রাখছেন। [৫][৬]

প্রার্থমিক জীবন[সম্পাদনা]

জেন গুডঅলের ১৯৩৪ সালে লন্ডন, ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন । তার পিতার নাম হার্বার্ট মরিস গুডঅল ও মাতার নাম মার্গারেট ম্যানফ্যানউইজোসেফের [২]। জন্মরে পর থেকেই তার জীবপ্রেম দৃস্টান্ত স্থাপন করতে থাকে। তবে তা শুরু হয়েছিল বাল্য কালে পিতা কাছ থেকে জুবলি নামক এক খেনলা বানর প্রাপ্তির মাধ্যমে। পরে তা রূপকল্প থেকে বাস্তবতা লাভ করে।[৭]

ব্যাক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

গুডঅল দুইবার বিয়ে করেছেন। ২৪ মার্চ, ১৯৬৪ সে একজন ডাচ ভদ্রলোক-এর সাথে বিযে করেন। তিনি লন্ডনের একজন নামকরা ফটোগ্রাফার ছিলেন। এই দম্পত্তির একটি পূত্র সন্তান রয়েছেন।১৯৭৪ সালে এই দম্পত্তির বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে সে ডিরেক ব্রাইকিসানকে (তানজানিয়ার সাবেক সাংসদ ও জাতীয় পার্কের সাবেক পরিচালক) বিযেকরেন। ডিরেক অক্টোবর ১৯৮০ সালে ক্যানসার রোগের কারনে মারা যান।[৮]

আফ্রিকা[সম্পাদনা]

গুডঅল সবসময় প্রাণী এবং আফ্রিকা সম্পর্কে উত্সাহী। তিনি ১৯৫৭ সালে কেনিয়ায় এর বন্ধুর ফার্মে যান।[৭] সেখানে সে কিছুদিন তার এক বন্ধুর সহায়িকা হিসেবে কাজকরে। এরপর তাকে জন নেপার এবং ওসামা হিলের সাথে লন্ডন, ইংল্যান্ডে পশুর ওপরে পড়ালেখার জন্য পাঠানো হয়।[৯] তখন তিনি একজন বানর গবেষণাকারী হিসেবে একজন হোমিডিস বিশেষজ্ঞের সহাহিকা হিসেবে নিযুক্ত হন। এবং এই সূত্রে তাকে তানজানিয়া পাঠানো হয়। সেখানে সে গম্বি স্ট্রিম জাতীয় পার্কে তার গবেষণা শুরু করেন।[৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

গম্বি স্ট্রিম জাতীয় পার্কে গবেষনা[সম্পাদনা]

জেন গুডঅল সিলভার ডোনাল্ড কেমরেুনের সাথে তার কাজ সম্পর্কে আলোচনা করছেন

গুডঅল বানরের সামাজীক ও পারিবারিক গবেষনার জন্য সবথেকে বেশী পরিচিত। সে কাসাখেলা বানর কমিউনিটি ও গম্বি স্ট্রিম জাতীয় পার্কে, তানজানিয়া ১৯৬০ সালে গবেষনা শুরু করেন।[১০] সে বানর পর্যবেক্ষনের সময় তাদের নাম্বার দ্বাড়া মনে না রেখে সে বানরদের ফিফি, ডেভিড এরকম নাম প্রদান করতেন। সে প্রত্যেকের সাথে এক এক জন আলাদা মানুষের মতো আচাড়ন করতেন, যা সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে অভাবনীয় ছিলো।[১১]

তার দেয়া বানরদের কছিু নাম:

  • ডেভিড গ্রেব্রেড, ধুসর রং-এর গুডঅলের পর্যবেক্ষিত প্রথম বানর;[১২]
  • গোলাইত, ডেভিড গ্রেব্রেডের বন্ধু, আসলে মোটা হওয়ার কারনে গোলাইত নাম দেওয়া হয়;
  • মাইক, গোলাইতের মতই আরেক বানর;
  • হামাফ্র, বড়, শক্তিশালী ও বুড়িাওলা পুরুষ বানর;
  • গিগি, একটা বড় ও মোটা মেয়ে বানর , সবাই একে চচিী বলে ডাকতো;
  • মি. ম্যাক, এক বুদ্ধিমান বৃদ্ধ পুরুষ বানর;
  • ফোলো, বড় নাকযুক্ত ও লম্বা নাকাওলামা বানর; ফিগান, ফাবেন, ফ্রিডু, ফিফি, and ফালিন্ট;[১৩][১৪]
  • ফ্রোডো, ফিফির দ্বিতীয় সন্তান[১৫]

সে মনকেরেন, "শুধু মানুষ-ই নয় বানরদরে মাঝেও সুখ, দুংখ,আনন্দ ও ভালবাসা রয়েছে "[১১] সে বানরদের জড়িয়ে ধরে, চুমু খেয়ে এমন কি কথা বলে তাদের আচারনের সাথে মানুষের আচারনের মিল সম্পর্কে পর্যবেক্ষন করতেন।[১১]

জেন গুডঅল ইন্সটিটিউট[সম্পাদনা]

১৯৭৭ সালে জেন গুডঅল আফ্রিকায় তার গবেষনার সুবিধার জন্য জেন গুডঅল ইন্সটিটিউট প্রতিস্ঠা করেন।[১৬] জেন গুডঅল ইন্সটিটিউটের মূল কাজ ছিলো গম্বি স্ট্রিম জাতীয় পার্কের গবেষনায় সহায়তা করার সাথে সাথে সারা পৃথিবীতে নন-হিউমান রাইটস্ প্রোজেক্টের মাধ্যমে বানরদের আধিকার নিশ্চিত করা।[১৭]

জেন গুডঅল ২০০৮ সালে হাঙ্গেরিতে
জেন গুডঅল ২০০9 সালে লুই পিরতির সাথে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ডেম জেন গুডঅল". উইমেনস হাওয়ার (, বিবিসি রেডিও ৪). ২৬ জানুয়ারি ২০১০. http://www.bbc.co.uk/programmes/p00tr6ks। সংগৃহীত হয়েছে ১৮ জানুয়ারি ২০১০. Season ২০১০.
  2. দ্যা বায়োগ্যাফি চ্যানলে (২০১০)। "জেন গুডঅল-এর জীবনি"। সংগৃহীত ২৮ জুলাই ২০১০ 
  3. হ্যালোওয়ে, এম. (১৯৯৭) প্রোফাইল: জেন মরিস গুডঅল – গম্বের বিক্ষ্যাত প্রাইমেট, আমেরিকান বৈজ্ঞানিক ২৭৭(৪), ৪২–৪৪.
  4. "জেন আবারো বনে"। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক। এপ্রিল ২০০৩। সংগৃহীত ১৭ নভেম্বর 
  5. "আমাদের সম্মন্ধে"এন.এইচ.আর.পি. ওয়েবসাইট। Nনন-হিউম্যান রাইটস প্রোজেক্টে। সংগৃহীত ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  6. "২০১৩ আসছে আর আমরা প্রস্তুত!"এন.এইচ.আর.পি. ওয়েবসাইট। নন-হিউম্যান রাইটস প্রোজেক্টে। ১৬ জানুয়ারি, ২০১৩। সংগৃহীত ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩। "পরের বছর,একটি বোর্ড সদস্য হিসেবে আমি মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ জন্য জেন গুডঅলের সঙ্গে নন-হিউম্যান রাইটস প্রকল্প, ইনক, কেন্দ্র তৈরি করছিলাম।" 
  7. গুডঅল, জেন; ফিলিপ ব্যারম্যান (২০০০)। রিসন ফর হোপ। নিউ ওয়ার্ক: ওয়ার্নার বুকস। পৃ: ৪। আইএসবিএন 978-0-446-67613-7 
  8. ওয়াল্কিং উইথ্ দ্যা গ্রেট এ্যাপিস। হউগটন। ১৯৯১। পৃ: ১২৫–১২৬। আইএসবিএন 0-395-51597-1 
  9. মরেল, ভারজেনিয়া (১৯৯৫)। এনকিসট্রাল প্যাসানস। যুক্তরাষ্ট্র: সিমন এবং সাকহোস্টার। পৃ: ২৪২। আইএসবিএন 0-684-80192-2 
  10. "স্টাডি কর্নার – গম্ব টাইমলাইন"। Jane Goodall Institute। ২০১০। সংগৃহীত ০২ মার্চ ২০১৫ 
  11. "জনে গুডলের বানর প্রতি ধারনা"। পিবিএস। ১৯৯৬। সংগৃহীত ০২ মার্চ ২০১৫ 
  12. Gombe National Park, ডেভিড গ্রেব্রেড, Janegoodall.org
  13. ফ্লো (১৯২৯ – ১৯৭২),
  14. ফিফি (১৯৫৮-২০০৪), Janegoodall.org
  15. ফ্লো, এ. (২০০৩)। "ফ্রোডো"। ন্যাশনাল জিওগ্রফ্রিক সোসাইটি। সংগৃহীত ৪ মার্চ ২০০৯ 
  16. "আমাদের ইতিহাস"রুটস আর সুটস। দ্যা জেন গুডঅল ইন্সটিটিউট। আসল থেকে ২০ জুলাই ২০১১-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২ মার্চ, ২০১৫ 
  17. "আমাদের লক্ষ্য"রুটস আর সুটস। দ্যা জেন গুডঅল ইন্সটিটিউট। আসল থেকে ২০ জুলাই ২০১১-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২ মার্চ, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]