গ্র্যান্ড থেফট অটো ৫
| গ্র্যান্ড থেফট অটো ৫ | |
|---|---|
| নির্মাতা | রকস্টার নর্থ |
| প্রকাশক | রকস্টার গেমস |
| প্রযোজক | লেসলি বেনজিস |
| নকশাকার | লেসলি বেনজিস |
| প্রোগ্রামার | এডাম ফোলার |
| শিল্পী | অ্যারন গ্যারবাট |
| লেখক | ডেন হাউসার রুপার্ট হামফ্রাইজ মাইকেল আন্সউর্থ |
| রচয়িতা |
|
| ক্রম | গ্র্যান্ড থেফট অটো |
| ইঞ্জিন | রেইজ, সাথে ইউফোরিয়া এবং বুলেট |
| ভিত্তিমঞ্চ | মাইক্রোসফট উইন্ডোজ প্লে-স্টেশন 3 প্লে-স্টেশন 4 এক্সবক্স ৩৬০ এক্সবক্স ওয়ান |
| মুক্তি | প্লে-স্টেশন থ্রি, এক্সবক্স ৩৬০ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩.[১] প্লে-স্টেশন ফোর, এক্সবক্স ওয়ান ১৮ নভেম্বর ২০১৪ মাইক্রেসফট উইন্ডোজ ১৪ এপ্রিল ২০১৫ |
| ধরন | একশন-এডভেঞ্চার |
| কার্যপদ্ধতি | সিঙ্গেল প্লেয়ার, মাল্টিপ্লেয়ার (অনলাইন) |
গ্র্যান্ড থেফট অটো ৫ (ইংরেজি: Grand Theft Auto V) বা জিটিএ ৫ (GTA 5) গ্র্যান্ড থেফট অটো সিরিজের ৫ম সিকুয়েল এবং এটি জিটিএ ৪ এর পরবর্তী পর্ব। এটি সবচেয়ে ব্যয়বহুল গেম [২]। এই সিরিজের অন্যান্য গেমের তুলনায় এটি উচ্চ গ্রাফিক্সধর্মী একটি গেম। জিটিএ ৩, জিটিএ ভাইস সিটি, জিটিএ সান আন্দ্রেয়াস, জিটিএ ৪, এবং সিরিজের অন্যান্য সার্থকতার পর পিএস ৩, এক্সবক্স ৩৬০, মাইক্রোসফটস উইন্ডোজ এ রিলিজ পায় সিরিজের নতুন গেম জিটিএ ৫। ওপেন ওয়ার্ল্ড অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চার গেম হিসেবে রকস্টার গেমস-এর এটি ১৫তম সিকুয়েল। গেমটি বাজারে আসে ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০১৩[৩] এবং এর পিসি সংস্করণ বের হয় ১৪ এপ্রিল ২০১৫।
প্রেক্ষাপট
[সম্পাদনা]গেমটি তৈরি করা হয়েছে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া আর লস অ্যাঞ্জেলেসের আদলে। সিঙ্গল প্লেয়ার গেমটিতে সিলেকশন এর মাধ্যমে খেলা যাবে একাধারে তিনটি চরিত্রে। এমনকি অনলাইনে ১৬ জন একসঙ্গে মাল্টিপ্লেয়ার মোডে খেলতে পারবে। গেমটিতে গাড়ির ও অন্যান্য যানবাহনের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বিমান, হেলিকপ্টার, মোটরসাইকেল, জেটস্কাইসহ অনেক যানবাহনের মাধ্যমে গেমের বিশাল ম্যাপে বিচরণ করা যাবে। এছাড়াও জিটিএ ৫-এ রয়েছে ডুবোজাহাজ যার সাহায্যে ডুবে চলতে পারা যাবে প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে। এই গেমে যোগ করা হয়েছে প্রচুর অস্ত্র যার মধ্যে নরিনকো টাইপ ৫৬ অ্যাসল্ট রাইফেল অন্যতম।
কাহিনীসংক্ষেপ
[সম্পাদনা]২০০৪ সালে তিন বন্ধু মাইকেল, ট্রেভর এবং ব্র্যাড নর্থ ইয়াংকটনের লুডেনডর্ফ শহরে একটি ব্যাংকে ডাকাতি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুট করে। পুলিশ ও এফআইবির উপস্থিতি টের পেয়ে তারা তিনজন পালানোর উদ্দেশ্যে একটি জীপে করে তাদের হেলিকপ্টারের দিকে যায়। পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালালে তাদের এক গাড়িচালক নিহত হয়, যার ফলে মাইকেল ঐ গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নিতে বাধ্য হয়। কিন্তু তাদের গাড়ি একটি চলন্ত রেলগাড়ির সঙ্গে ধাক্কার ফলে অকেজো হয়ে পরে ফলে তারা তিনজন পায়ে হেঁটে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এফআইবির একজন স্নাইপার তাদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ করলে ব্র্যাড এবং মাইকেল ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়। এই অবস্থায় ট্রেভর একা পালাতে বাধ্য হয়। এরপর শহরের কবরস্থানে শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে সবাই মাইকেলের কবর দাফন করে (আসলে ঐ কবরে মাইকেলের পরিবর্তে অন্য এক মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা হয়)। এটি দেখে মাইকেল নিরাপদ দূরত্ব থেকে এই স্থান ছেড়ে চলে যায়।
উক্ত ঘটনার নয় বছর পর ২০১৩ সালে মাইকেল তার পুরো নাম মাইকেল টাউনলি পরিবর্তন করে নতুন পরিচয় মাইকেল ডি সান্টা নামে তার স্ত্রী আমান্ডা এবং তার দুই সন্তান জিমি ও ট্রেসির সাথে লস সান্তোসের রকফোর্ড হিলসের একটি বিলাসবহুল বাংলোতে বসবাস করে এবং ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর (এফআইবি) এক এজেন্ট ডেভের সঙ্গে একটি চুক্তি করে, যাতে তার অতীতের সমস্ত অপরাধের তথ্য মুছে ফেলা হয় যাতে করে সে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। কিন্তু মাইকেলের পরিবারের জীবনে কোন শান্তি নেই কারণ প্রায় মাইকেলের পরিবারে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। তাছাড়া জিমি ও ট্রেসি মাইকেলকে সম্মান করে না। একদিন সে শহরের এক মনোবিজ্ঞানী ডা. ইসিয়াহ ফ্রিডল্যান্ডারকে তার পরিবারের ব্যাপারে জানায় যে কিভাবে তার পরিবারের সদস্যরা ভুলপথে যাচ্ছে। ডা. ফ্রিডল্যান্ডার তার কথা শুনে মাইকেলকে তার পরিবারের সাথে ভাল কিছু করার কথা বলে যাতে মাইকেলের পরিবারে ঝামেলা না হয়।
অপরদিকে শহরের এক কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ ফ্রাঙ্কলিন (গেমের তিনজন প্রধান চরিত্রের মধ্যে একজন) শহরের স্ট্রবেরিতে তার খালা ডেনিসের সাথে বসবাস করে ও তার বন্ধু লামারের সাথে সিমিয়ন ইয়েতারিয়ান নামে শহরের এক দুর্নীতিবাজ গাড়ি ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। একদিন ফ্রাঙ্কলিন এবং লামার দুটি স্পোর্টস গাড়ি চোরাইভাবে সিমিয়নের শোরুমে নিয়ে আসে। যার ফলে সিমিয়ন ফ্রাঙ্কলিনকে একটি গাড়ি উপহার এবং তার প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ কর্মচারী হিসাবে ঘোষণা করে। একদিন জিমির গাড়ি চুরি করতে গিয়ে যখন ফ্রাঙ্কলিন মাইকেলের কাছে হাতেনাতে ধরা পরে তখন মাইকেলের সঙ্গে তার পরিচয় হয় (মূলত মাইকেলের ছেলে জিমি এখান থেকে কিস্তিতে একটি জীপ গাড়ি ক্রয় করে কিন্তু পুরো টাকা পরিশোধ করতে পারেনি তাই সিমিয়ন ফ্রাঙ্কলিনকে জিমির গাড়ি পুনরুদ্ধার করার জন্য মাইকেলের বাড়িতে পাঠায়। ফ্রাঙ্কলিন যখন ঐ জীপ নিয়ে যাচ্ছিল তখন সে ধরা পরে কারণ মাইকেল ঐ গাড়ির ভেতরে লুকিয়ে ছিল) এবং মাইকেলের নির্দেশে ঐ গাড়ি চালিয়ে সিমিয়নের শোরুম লণ্ডভণ্ড করে দেয়। ফলে সিমিয়ন ফ্রাঙ্কলিনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ফ্রাঙ্কলিনকে চাকরি থেকে বের করে দেয়।
একদিন ফ্রাঙ্কলিন কিছু কাজের জন্য মাইকেলের বাড়িতে যায় কারণ তার চাকরি না থাকায় সে এখন বেকারত্ব জীবনযাপন করছে, তখনই জিমি তার বাবা মাইকেলকে ফোনে জানায় যে মাইকেলের এক প্রমোদতরী চুরি হয়ে গেছে এবং জিমিকে একদল গ্যাং তুলে নিয়ে গেছে। যদিও মাইকেল ফ্রাঙ্কলিনকে সাথে নিয়ে জিমিকে উদ্ধার করলেও মাইকেলের একটি প্রমোদতরী চুরি হয়ে যায়। এরপর মাইকেল ট্যাক্সি নিয়ে বাড়ি গেলে ফ্রাঙ্কলিন জিমিকে মাইকেলের বাড়িতে পৌছায় দেয়। এর ফলে মাইকেলের পরিবারের সাথে ফ্রাঙ্কলিনের একটা ভালো সম্পর্ক হয়।
একদিন মাইকেল বাড়িতে এসে তার স্ত্রী আমান্ডা এবং তাদের এক টেনিস কোচ কাইল চ্যাভিস উভয়কে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলে (মূলত ঘটনার সময়ে আমান্ডা ও কাইল এক অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিল যা দেখে মাইকেল ঐ দুইজনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়)। যদিও কাইল মাইকেলের বাড়ি থেকে পালিয়ে শহরের ভাইনউড হিলসের এক বিলাসবহুল বাংলোর ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাই মাইকেল ফ্রাঙ্কলিনের সাথে কাইলকে ধাওয়া করে ঐ বিলাসবহুল বাংলো ভাংচুর করে গুড়িয়ে দেয়। কিন্তু এক পর্যায়ে মাইকেল কাইলের কাছ থেকে জানতে পারে তারা দুইজন এতক্ষণ ধরে যে বিলাসবহুল বাংলো গুড়িয়ে দিয়েছিল এর মালিক কাইল চ্যাভিস নয় বরং এই শহরের এক প্রভাবশালী মেক্সিকান মাদক ব্যবসায়ী মার্টিন মাদ্রাজোর এক প্রেমিকা যার নাম নাতালিয়া (মুলত কাইল মাইকেলের বাড়ি থেকে পালিয়ে নাতালিয়ার ঐ বিলাসবহুল বাংলোতে আশ্রয় নেয়। মাইকেল ঐ বাংলো দেখে মনে করে এটা কাইলের বাংলো তাই মাইকেল ঐ বাংলো গুড়িয়ে দেয়, অথচ কাইল জানায় সে একজন টেনিস কোচ তাই তার এই বাংলো বানানোর ক্ষমতা নাই)।
এই ঘটনার পর মার্টিন মাদ্রাজো এবং তার প্রেমিকা নাতালিয়া মাইকেলের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বাংলো পুনর্নির্মাণের জন্য মাইকেলের কাছে ২৫ লক্ষ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করে। যেহেতু মাইকেল একসময়ে ব্যাংক ডাকাত ছিল তাই সে ভাল করে জানত এই মুহূর্তে পয়সা আয় করার একমাত্র উপায় ডাকাতি।ফলে মাইকেল বাধ্য হয়ে তার এক সময়ের পুরনো বন্ধু লেস্টারের বাড়িতে যায়। লেস্টার শুরুতে মাইকেলকে লাইফ ইনভেডারের মূল কার্যালয়ে পাঠায় এক মোবাইলের এক প্রোটোটাইপ নিয়ে আনার জন্য (মূলত লেস্টার লাইফ ইনভেডারের প্রধান জে নরিসকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাইকেলকে দিয়ে এই কাজ করিয়ে নেয় কারণ জে নরিস মারা গেলে লাইফ ইনভেডারের শেয়ার অনেক কমে যাবে তাহলে লেস্টার সস্তায় সেই শেয়ার নিজের নামে কিনে নিতে পারে এবং পরে দাম বৃদ্ধি পেলে তা বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা লাভ করতে পারে এবং তার মতে জে নরিস একজন প্রতারক কারণ নরিস প্রকাশ্যে ডেটা মাইনিং-এর কথা বললেও আসলে সে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য বিভিন্ন কর্পোরেশনের কাছে বিক্রি করত। নরিসের এসব অনৈতিক কাজের জন্য লেস্টার নরিসের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল)
একদিন মাইকেল লেস্টারের লা মেসায় একটি পোশাক কারখানায় যায় ও সে লেস্টারকে মার্টিন মাদ্রাজোর প্রেমিকার বাংলোর ক্ষতিপূরণ কিভাবে তারা দিবে সে ব্যাপারে জানায়। লেস্টার এই কথা শুনে মাইকেলকে শহরের একটি স্বর্ণালংকারের দোকানের ঠিকানা দেয়। অতঃপর লেস্টারের সহায়তায় মাইকেল,ফ্রাঙ্কলিন ও তার সঙ্গীরা শহরের এক স্বর্ণালংকারের দোকানে ডাকাতি করে মাদ্রাজোর টাকা পরিশোধ করতে সক্ষম হয়। যখন এক পুলিশ সদস্য আলবার্ট স্টলি ফ্রাঙ্কলিনের সাথে কথা বলছিল তখন মাইকেল তাকে আটক করে ও তার এক বিখ্যাত উক্তিটা বলে-
"তুমি প্রতিদিন হাজারটা জিনিস ভুলে যাও ভাই। নিশ্চিত কর এটি তাদের মধ্যে একটা" [৪]
অতঃপর তারা সবাই ঐ স্থান ত্যাগ করে লেস্টারের আস্তানায় চলে আসে। এরপর সব টেলিভিশনে ঐ ডাকাতির খবর ছড়িয়ে যায়। একদিন বাড়িতে বসে মাইকেল ও ফ্রাঙ্কলিন যখন ঐ ডাকাতির খবর দেখছিল তখন এফআইবি এজেন্ট ডেভ মাইকেলের বাড়িতে এসে মাইকেলকে সতর্ক করে বলে-
"মাইকেল, তোমার সমস্যা কি? লস সান্তোসে এসেও তুমি তো আবারও তোমার আগের বদ অভ্যাসে ফিরে গেছ। এখন ট্রেভরের ব্যাপারে কি করবা, যদি ট্রেভর কোনভাবে জানতে পারে তুমি জীবিত তাহলে সে তোমাকে খুঁজতে এখানে চলে আসবে।"
মাইকেল ডেভকে আশ্বস্ত করে বলে-
"ট্রেভরকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই। ট্রেভর হয়ত মারা গিয়েছে ,তাছাড়া আমার এখানে কিছু করার ছিল না।"
একদিন ট্রেভর (গেমের তিনজন প্রধান চরিত্রের মধ্যে একজন) বাড়িতে বসে টিভিতে স্বর্ণালংকারের দোকানে ডাকাতির খবর চলাকালে এক পুলিশ সদস্যের মুখে মাইকেলের বিখ্যাত উক্তি (যে উক্তি মাইকেল লুডেনডর্ফে ব্যাংক ডাকাতির সময়ে এক নিরাপত্তা কর্মী জ্যাস্পার্সের কাছে ধরা পড়ার সময়ে বলেছিল) শুনে বুঝতে পারে এই কাজ শুধুমাত্র মাইকেলের দ্বারা সম্ভব অর্থাৎ মাইকেল এখনও জীবিত অথচ সে জানত নয় বছর আগে ২০০৪ সালে লুডেনডর্ফে ব্যাংক ডাকাতির সময় মাইকেল মারা গিয়েছিল ও ব্র্যাড পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। ২০০৪ সালে লুডেনডর্ফে ডাকাতির ঘটনার পর নয় বছর ধরে সে ব্লেইন কাউন্টিতে বসবাস করে। ট্রেভর তার সহকারী রন এবং বন্ধু ওয়েডের সাথে দ্যা লস্ট মোটরসাইকেল ক্লাবের আস্তানায় আক্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় (মূলত ট্রেভর দ্যা লস্ট মোটরসাইকেল ক্লাবের প্রধান জনির প্রেমিকা অ্যাশলের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক করতে গিয়ে জনির কাছে হাতেনাতে ধরা পরে। যার ফলে ট্রেভর জনিকে হত্যা করে এবং ট্রেভর মনে করে পুরো লস্ট মোটরসাইকেল ক্লাব ট্রেভরকে হত্যা করতে আসবে তাই ট্রেভর ও তার দুই বন্ধু রন ও ওয়েড তাদের আস্তানায় আক্রমণ করে) ও ওয়েডকে বলে-
"ওয়েড। আমি যাকে একটু আগে টিভিতে দেখলাম, তার নাম মাইকেল টাউনলি। মনে হচ্ছে সে বর্তমানে লস সান্তোসে থাকে। তাকে খুজে বের করে হবে।"
এরপর ওয়েড মাইকেলকে খুঁজতে লস সান্তোসে যায়। এরপর সে ট্রেভরের বাড়িতে গেলে ট্রেভর তাকে বলে-
"এই বেয়াদব! আমি যে তোমাকে ঐ মাইকেল টাউনলিকে খুঁজতে লস সান্তোসে পাঠিয়েছিলাম তার কোন খোঁজ পেয়েছো আর মাইকেল কিভাবে জীবিত হয়ে ফিরে আসল?"
ওয়েড ট্রেভরকে বলে-
"ট্রেভর, ঐদিন আমি লস সান্তোসে গিয়েছিলাম। লস সান্তোসে দুইজন মাইকেল টাউনলি বসবাস করে। একজনের বয়স ৮৩ আরেকজন শহরের একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে পরে। আমি পরে তার নম্বর নিতে চাইছিলাম কিন্তু এক শিক্ষক আমকে পুলিশে দেয়ার হুমকি দেয়। তবে আমি ঐ লোকের সন্ধান পেয়েছিলাম যাকে তুমি খুঁজতে বলেছিলে, তার পুরো নাম মাইকেল ডি সান্টা এবং সে বর্তমানে রকফোর্ড হিলসে বসবাস করে। তার স্ত্রীর নাম আমান্ডা ও তাদের দুই সন্তান রয়েছে।"
এই কথা শোনার পর ট্রেভর ওয়েডের সাথে লস সান্তোসে যায় এবং ট্রেভর মাইকেলের ঠিকানা পেয়ে প্রথমে ওয়েডের চাচাতো ভাই ফ্লয়েডের বাড়িতে যায় ও পরদিন মাইকেলের রকফোর্ড হিলসের বাড়িতে যায় এবং মাইকেলকে তার অতীতের জীবনে ফিরিয়ে আনে। মাইকেল ও তার পরিবারের সদস্যরা ট্রেভরকে দেখে প্রথমে একটু অবাক হলেও পরে মাইকেল এক পর্যায় তা মেনে নিতে বাধ্য হয়।
সময় যাওয়ার সাথে মাইকেলের এসব উল্টাপাল্টা কাজের জন্য তার পরিবারের সদস্যরা তাকে ছেড়ে অন্য শহরে চলে যায় (মূলত ট্রেভর লস সান্তোসে মাইকেলের বাড়িতে আসলে মাইকেলের সাথে তার পরিবারের সাথে সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে যায় এবং আমান্ডা মাইকেলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়ে তার সাথে তার দুই সন্তান ও তার এক ইয়োগা প্রশিক্ষক ফ্যাবিয়েনকে সাথে নিয়ে শহরের বাইরে চলে যায়)। পরবর্তীকালে মাইকেল চলচ্চিত্র প্রযোজক হয়ে ওঠে এবং ধনী ব্যবসায়ী ডেভিন ওয়েস্টনের মাধ্যমে রিচার্ড'স ম্যাজেস্টিকের পরিচালক সলোমন রিচার্ডের সাথে তার পরিচয় হয়। একদিন ডেভিন ওয়েস্টন মাইকেলের সঙ্গে এক বিবাদে জড়িয়ে পড়ে কারণ ডেভিন ষড়যন্ত্র করে মাইকেলের সমগ্র স্টুডিও বন্ধ করে সেটি নিজের নামে করতে চায়। ডেভিনের এই চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং মাইকেলের এক ভুলের কারণে ডেভিনের আইনজীবী এবং সহকারী মলি নিহত হয় (কারণ ডেভিনের নির্দেশে মলি সলোমনের কাছ থেকে মাইকেলের একটি চলচ্চিত্রের রিল হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে কারণ ডেভিন সেটি নিজের নামে করতে চায়। মাইকেল তাকে ধাওয়া করে একটি বিমানবন্দরে পৌছায় কিন্ত দুর্ভাগ্যবশত বিমানের ইঞ্জিনের সাথে সংঘর্ষে মলি মারা যায় কারণ ঐ সময়ে বিমানের ইঞ্জিনের পরিক্ষা চলছিল) যার ফলে ডেভিনের সাথে মাইকেলের সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। অপরদিকে ফ্রাঙ্কলিন স্ট্রেচের হাত থেকে তার বন্ধু লামারকে বারবার বাঁচাতে যায় কারণ স্ট্রেচ তাকে এবং লামারকেও মারতে চায় (মূলত স্ট্রেচ একসময়ে ফ্রাঙ্কলিন ও লামারের সাথে ফ্যামিলিজ গ্যাং এ ছিল কিন্ত স্ট্রেচ কয়েক মাস আগে কারাগারে বসে কুখ্যাত বালাস গ্যাঙ্গের সাথে একটি চুক্তি করেছিল যাতে সে প্রভাবশালী হয়ে উঠতে পারে আর যেহেতু ফ্যামিলিজ স্ট্রিট গ্যাং তাদের প্রতিপক্ষ তাই সে ফ্রাঙ্কলিন ও লামারের শত্রুর তালিকায় চলে আসে)।
একই সময়ে ট্রেভর ব্লেইন কাউন্টিতে তার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে এবং সে একসাথে দ্যা লস্ট মোটরসাইকেল ক্লাব,ভ্যারিওস লস অ্যাজটেকাস, লাতিনো, প্রতিদ্বন্দ্বী মেথ ডিলার ও'নিল ব্রাদার্স,এক বেসরকারি সামরিক প্রতিষ্ঠান মেরিওয়েদার সিকিউরিটিজ এবং সর্বশেষ লস সান্তোস ত্রায়াডের প্রধান ওয়েই চেং এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। পুনরায় ব্লেইন কাউন্টির একটি ব্যাংকে ডাকাতি করে ডেভের সঙ্গে করা চুক্তি ভঙ্গ করায় ডেভ এবং ডেভের ঊর্ধ্বতন সদস্য স্টিভ মাইকেল, ফ্রাঙ্কলিন ও ট্রেভরকে কিছু মিশনে অংশ নিতে বাধ্য করে যার প্রধান উদ্দেশ্য তাদের অন্যতম প্রতিপক্ষ সংস্থা আইএএ এর সকল কার্যকলাপ ব্যাহত করা। স্টিভের নির্দেশে তারা তিনজন লেস্টারের সাহায্যে আইএএ এর অর্থ বহনকারী একটি বুলেটপ্রুফ গাড়িতে অতর্কিত আক্রমণ করে। একদিন স্টিভ তাদের উপর সন্দেহ হলে মাইকেল ও ফ্রাঙ্কলিনকে এফআইবির সদর দপ্তরে পাঠায় সার্ভার থেকে তার বিরুদ্ধে সমস্ত প্রমাণ মুছে ফেলার জন্য। কিন্তু মাইকেল এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার নিজের সব অপরাধের তথ্য মুছে ফেলে এবং স্টিভের উপর থেকে তার নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেয়।
একদিন মার্টিন মাদ্রাজো মাইকেল ও ট্রেভরকে তার সাথে দেখা করতে তার বাড়িতে আমন্ত্রণ জানায়। মার্টিন মাদ্রাজো মাইকেল ও ট্রেভরকে জানায় যে তার পরিবারের এক সদস্য তার বিরুদ্ধে প্রমাণ সম্বলিত ফাইল নিয়ে লিবার্টি সিটিতে যাচ্ছে। সে মাইকেল ও ট্রেভরকে ঐ ফাইল পুনরুদ্ধার করার নির্দেশ দেয়। অতঃপর মাইকেল এক বিমান বিধ্বংসী অস্ত্র দিয়ে ঐ বিমান ভুপাতিত করলে ট্রেভর ঐ ফাইল নিয়ে মার্টিন মাদ্রাজোর বাড়িতে যায় এই কাজের বিনিময়ে পয়সা নেয়ার জন্য কিন্তু মার্টিন মাদ্রাজো ট্রেভরকে পয়সা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। যার ফলে ট্রেভর ক্ষিপ্ত হয়ে তার স্ত্রী প্যাট্রিসিয়াকে অপহরণ করে। যখন ট্রেভর মাদ্রাজোর গাড়িতে করে মাইকেলের কাছে আসে তখন মাইকেল তাকে বলে সে এই গাড়ি কেন নিয়ে এনেছিল। ট্রেভর তাকে বলে সে মাদ্রাজোর কাছে পয়সা চেয়েছিল কিন্তু মাদ্রাজো তাকে পয়সা দিতে রাজি হয়না তাই সে মাদ্রাজোর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে আনলে মাইকেল ভয় পেয়ে যায় ও ট্রেভরকে বলে-
"হায় রে সর্বনাশ! ট্রেভর এটা তুমি কী করলে? মার্টিন মাদ্রাজোর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে আনলে কেন? এখন মার্টিন মাদ্রাজো জানতে পারলে আমাদের দুইজনকে এত সহজে ছাড়বে না এবং আমরা এখন লস সান্তোসে যেতে পারব না।"
এই ঘটনার পর মাইকেল ও ট্রেভর লস সান্তোসে যেতে পারেনা তাই তারা দুইজন নিরুপায় হয়ে ব্লেইন কাউন্টির স্যান্ডি শোর্সে লুকিয়ে থাকে। পরদিন মাইকেল স্টিভ ও ডেভের সহায়তায় আইএএ এর গোপন ল্যাব থেকে কিছু নার্ভ গ্যাস চুরি করতে সক্ষম হয় এবং এখানে মাইকেল একটি সোনার মূর্তি খুঁজে পায় ও ট্রেভরের হাতে তুলে দেয়। অতঃপর ট্রেভর প্যাট্রিসিয়াকে মার্টিন মাদ্রাজোর কাছে হস্তান্তর করে।
একদিন মাইকেলের সাথে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ট্রেভরের সন্দেহ হয়: মাইকেল যদি জীবিত থাকে তাহলে ২০০৪ সালে লুডেনডর্ফে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় মাইকেলের কবরে কাকে দাফন করা হয়েছিল। মাইকেল এখানে কথা ঘুরানোর চেষ্টা করলে ট্রেভর লুডেনডর্ফ শহরে যায় এবং শহরের একটি কবরস্থানে মাইকেলের কবর খনন করে জানতে পারে ঐ স্থানে নয় বছর আগে ২০০৪ সালে যাকে দাফন করা হয়েছিল সে আসলে তাদের এক সঙ্গী ব্র্যাড,মাইকেল না (কারণ ডাকাতির ঘটনার সময়ে উক্ত কবরে মাইকেলের পরিবর্তে ব্র্যাডকে দাফন করে মাইকেলের নামে চালিয়ে দেয়া হয়েছিল কারণ ঘটনার সময় ব্র্যাড এবং মাইকেল উভয়ই এফআইবির অতর্কিত আক্রমণে গুলিবিদ্ধ হয় কিন্তু ব্র্যাড ঘটনাস্থলে মারা যায় অথচ মাইকেল কোনোমতে বেঁচে যায় কারণ মাইকেলের গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল) এবং এখানে এক পর্যায়ে ট্রেভর বুঝে যায় উক্ত ডাকাতির পরিকল্পনা আসলে মাইকেলের এক পাতানো ফাঁদ যেখানে ব্র্যাডের পরিবর্তে ট্রেভরের নিহত হওয়ার কথা ছিল অথচ তার পরিবর্তে ব্র্যাড নিহত হয়েছিল (কারণ মাইকেল একদিন এফআইবির সাথে একটি চুক্তি করেছিল: যদি এই ব্যাংক ডাকাতি ব্যর্থ হয় তাহলে মাইকেল তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে ও তার সমস্ত অপরাধের তথ্য মুছে ফেলা হবে) এবং ডাকাতির খবর মাইকেল আগেই এফআইবিকে জানিয়ে দিয়েছিল অর্থাৎ মাইকেল ট্রেভরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল,যার ফলে ট্রেভরের সাথে মাইকেলের সম্পর্ক এখানে খারাপ হয়ে যায় ও এক চীনা ত্রায়াডের লোকদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে মাইকেলকে রেখে সেই স্থান থেকে পালিয়ে যায় এবং ত্রায়াডের লোকেরা মাইকেলকে অপহরণ করে তাদের সাথে নিয়ে যায় (মূলত ঐ ত্রায়াড সদস্যরা ট্রেভরকে হত্যার উদ্দেশ্যে লুডেনডর্ফ শহরে আসে কারণ ট্রেভরের আক্রমণাত্মক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্লেইন কাউন্টিতে ওয়েই চেং এঁর ব্যবসায় ধ্বস নেমেছিল। কিন্তু ট্রেভর তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে সেই স্থান থেকে পালিয়ে যায় ও এখানে মাইকেলকে দেখে তারা মনে করে মাইকেল ট্রেভরের জন্য কাজ করে সেজন্য তারা মাইকেলকে তাদের সাথে নিয়ে যায়)।
যদিও ফ্রাঙ্কলিন লেস্টারের সহায়তায় মাইকেলকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় (মূলত লেস্টার ফ্রাঙ্কলিনের মোবাইলে একটি সফটওয়ার পাঠায় যার ফলে ফ্রাঙ্কলিন মাইকেলের অবস্থান খুঁজে পায়) কিন্তু মাইকেলের ওপর ট্রেভরের ক্ষোভ তার দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে। একদিন স্টিভ মাইকেলকে গ্রেফতার করতে চায় (কারণ মাইকেল এফআইবির সদর দপ্তরে ঢুকে নিজের অপরাধের তথ্য মুছে ফেলে অথচ স্টিভ মাইকেলকে নির্দেশ দেয় তার বিরুদ্ধে সমস্ত প্রমাণ মুছে ফেলতে কিন্তু মাইকেল সেই কাজ করেনি। এখন স্টিভ তাকে আর হুমকি দিয়ে কোনো কাজ করাতে পারবেনা) এবং শহরের কর্টেজ সেন্টারে তারা এফআইবি,আইএএ এবং মেরিওয়েদারের মধ্যকার এক সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। স্টিভ পালিয়ে যায় কিন্তু ট্রেভর এসে মাইকেল এবং ডেভকে বাঁচায় কারণ ট্রেভর মনে করে একমাত্র সেই মাইকেলকে হত্যা করতে পারে।
বহুদিন পর মাইকেলের পরিবারের সদস্যরা শহরে ফিরে আসে। একদিন মাইকেল ট্রেভর, ফ্রাঙ্কলিন এবং লেস্টার মিলে শহরের ইউনিয়ন ডিপোজিটরির বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ লুট করার পরিকল্পনা করে। ইউনিয়ন ডিপোজিটরিতে তাদের ডাকাতি সফল হয় যদিও পুলিশ চলে আসে কিন্তু তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। একরাতে একদল মেরিওয়েদার মাইকেলের বাড়িতে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে আমান্ডা ও ট্রেসিকে জিম্মি করে, যদিও মাইকেল ও জিমি তাদেরকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় (কারণ ডেভিনের সহকারী মলির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে মাইকেলের পরিবার সদস্যদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে ডেভিন ওয়েস্টন একদল মেরিওয়েদারকে পাঠায় কিন্তু মাইকেল বিষয়টি বুঝতে পেরে তার ছেলেকে সাথে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করতে সক্ষম হয়)। এই ঘটনার পর মাইকেল তার স্ত্রী সন্তানদের শহর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলে।
অপরদিকে ফ্রাঙ্কলিন তার প্রেমিকা তানিশার কাছ থেকে জানতে পারে যে লামারকে স্ট্রেচের নির্দেশে একদল বালাস গ্যাং ধরে নিয়ে গেছে (মূলত স্ট্রেচ বালাস গ্যাং এর কাছে নিজের ক্ষমতা প্রমাণ করার জন্য ফ্রাঙ্কলিনের বন্ধু লামারকে অপহরণ করে)। অতঃপর ফ্রাঙ্কলিন মাইকেল ও ট্রেভরের সহায়তায় লামারকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় (মুলত ফ্রাঙ্কলিন লেস্টারকে এই ব্যাপারে জানালে লেস্টার ব্লেইন কাউন্টির এক ফার্নিচারের কারখানার ঠিকানা খুঁজে পায় যেখানে লামারকে বালাস গ্যাং এর সদস্যরা বন্দি করে রেখেছে। অতঃপর লেস্টার মাইকেল এবং ট্রেভরকে জানায় ফ্রাঙ্কলিনের এক বন্ধু লামার বিপদে তাই মাইকেল ও ট্রেভর লামারকে বালাস গ্যাঙ্গের হাত থেকে উদ্ধার করতে ফ্রাঙ্কলিনকে সহায়তা করে)।
কিন্তু একদিন স্টিভ ও ডেভ ফ্রাঙ্কলিনের কাছে আসে। স্টিভ মনে করে ট্রেভর তার জন্য হুমকি। পরদিন ডেভিন ফ্রাঙ্কলিনের বাড়িতে যায়। ডেভিন এখনও মাইকেলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে চায়। তাই ফ্রাঙ্কলিনের সামনে তিনটি পথ থাকে: ট্রেভর এবং মাইকেল এই দুইজনের যেকোনো একজনকে হত্যা করা অথবা এক আত্মঘাতী অভিযানে উভয়কে বাঁচানোর চেষ্টা করা।
ফ্রাঙ্কলিন যদি মাইকেল ও ট্রেভর এই দুইজনের যেকোনো একজনকে হত্যা করে, তাহলে অন্যজনের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় এবং সে অতীতের জীবন ফিরে পায়। অন্যথায় লামার ও লেস্টারের সহায়তায় তারা তিনজন এফআইবি ও মেরিওয়েদারের আক্রমণ প্রতিহত করে এবং ওয়েই চেং, স্ট্রেচ, স্টিভ ও ডেভিন ওয়েস্টনকে হত্যা করে। ডেভিন ওয়েস্টনের মৃত্যুর পর মাইকেল ফ্রাঙ্কলিন এবং ট্রেভর একত্রিত হয় এবং তাদের বন্ধুত্ব বজায় রাখে। এর কয়েকদিন পর এফআইবি এজেন্ট ডেভের মাধ্যমে মাইকেল, ফ্রাঙ্কলিন এবং ট্রেভরের সমস্ত অপরাধের তথ্য মুছে ফেলা হয় ও মাইকেলের পরিবারের সদস্যরা শহরে ফিরে আসে।
চরিত্র
[সম্পাদনা]প্রধান চরিত্র
[সম্পাদনা]- মাইকেল ডি সান্টা: এক সময়ের ব্যাংক ডাকাত যে পূর্বে মাইকেল টাউনলি নামে সুপরিচিত। ২০০৪ সালে লুডেনডর্ফে ব্যাংক ডাকাতির নয় বছর পর ২০১৩ সালে সে ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর সাথে এক চুক্তি করার পরে তার পুরো নাম পরিবর্তন করে তার পরিবারের সাথে লস সান্তোসে চলে যায় এবং সে রকফোর্ড হিলসের একটি বিলাসবহুল বাংলোতে বসবাস করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে তার স্ত্রী বারবার তার টাকা অপচয় করে ফলে তার পরিবার বছরের পর বছর ধরে সমস্যায় পড়ে। একদিন ভুলক্রমে একজন মেক্সিকান মাফিয়ার প্রেমিকার বাংলো ভাঙ্গার পর থেকে সে আবার অপরাধমূলক জীবনে ফিরে আসতে বাধ্য হয়।
- ট্রেভর ফিলিপস: কানাডিয়ান বিমানবাহিনীর এক সাবেক বৈমানিক ও এক কুখ্যাত ব্যাংক ডাকাত যে স্যান্ডি শোর্সে ট্রেভর ফিলিপস এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে যা স্যান্ডি শোর্স ও আশেপাশের এলাকায় বেআইনিভাবে অস্ত্র এবং মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে। এই গেমে তাকে বদমেজাজি চরিত্র হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। একদিন সে লস সান্তোসে এক স্বর্ণালংকারের দোকানে ডাকাতির খবর জানার পরে বুঝে যায় যে তার বন্ধু মাইকেল এখনও জীবিত। তাই সে মাইকেলকে খোজার জন্য লস সান্তোসে যায় এবং ফ্রাঙ্কলিনের সহায়তায় এফআইবির এক কুখ্যাত এজেন্ট স্টিভকে হত্যা করতে সক্ষম হয়।
- ফ্রাঙ্কলিন ক্লিনটন: এক আফ্রো-আমেরিকান তরুণ যে তার খালার সাথে স্ট্রবেরিতে একটি ছোট বাড়িতে বসবাস করে এবং লামারের সাথে শহরের এক বিলাসবহুল গাড়ির দোকানে রেপোম্যান হিসাবে কাজ করে। একদিন মাইকেলের বাড়ির গ্যারেজ থেকে জিমির জীপ গাড়ি চুরি করতে গিয়ে ধরা পরার পর মাইকেলের সাথে তার পরিচয় হয়। পরদিন সে জিমিকে উদ্ধার করতে মাইকেলকে সহায়তা করে এবং এর ফলে তাদের দু'জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। যখন সে এবং মাইকেল একটি স্বর্ণালংকারের দোকানে ডাকাতি করে, তখন তার সাথে ট্রেভর যোগ দেয় এবং তারা বেশ কয়েকটি কাজ করে।
সহায়ক চরিত্র
[সম্পাদনা]- ব্র্যাডলি স্নাইডার: এই গেমে ব্র্যাড নামে সর্বাধিক পরিচিত। একজন ব্যাংক ডাকাত যে ২০০৪ সালে একদিন মাইকেল এবং ট্রেভরের সাথে লুডেনডর্ফ শহরের একটি ব্যাংকে ডাকাতি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুট করে। অতঃপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকেল ও ট্রেভরের সাথে তাদের এক হেলিকপ্টারের দিকে পালিয়ে যায় কিন্তু এক পর্যায়ে এফআইবির এক স্নাইপার তাদের ওপর অতর্কিত গুলি চালালে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায় এবং মাইকেলের কবরে তাকে দাফন করা হয়। যখন ট্রেভর সত্যতা বুঝতে পেরে ঐ স্থানে যায় তখন মাইকেলের কবর খনন করে বুঝে যায় ঐ ঘটনার সময় সে মারা যায়।
- লেস্টার ক্রেস্ট: মাইকেল, ট্রেভর এবং ব্র্যাডের পুরানো বন্ধু এবং এক প্রতিবন্ধী হ্যাকার যে মাইকেল ও তার লোকদের বিভিন্ন ডাকাতির মিশনে সহায়তা করে। মাইকেল নয় বছর আগে ২০০৪ সালে তার মৃত্যুর ভুয়া নাটক সাজিয়ে লস সান্তোসে চলে যাওয়ার এক পর্যায়ে সে লস সান্তোসে চলে যায় এবং শহরের লা মেসা এলাকায় এক পোশাক কারখানা ক্রয় করে যেখানে সে তার বিভিন্ন ডাকাতির কাজের জন্য ঘাটি হিসাবে ব্যবহার করার জন্য আরও বেশ কয়েকটি স্থানে তার সম্পত্তি ক্রয় করে। সে গেমে মাইকেল, ফ্রাঙ্কলিন এবং ট্রেভর কর্তৃক শহরের বিভিন্ন স্থানে বড় ডাকাতির সহায়তার পিছনে বড় ভুমিকা পালন করে।
- লামার ডেভিস: ফ্রাঙ্কলিনের বন্ধু এবং ফ্যামিলিজ স্ট্রিট গ্যাংয়ের সদস্য যে এক সময়ে ফ্রাঙ্কলিনের সাথে সিমিয়নের একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। কিন্ত একদিন যখন সিমিয়ন ফ্রাঙ্কলিনকে তার প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরীচ্যুত করে তখন সে ফ্রাঙ্কলিনের সাথে শহরের বিভিন্ন স্থানে ডেভিন ওয়েস্টনের অধীনে বিভিন্ন গাড়ি চোরাইভাবে আনানেওয়া করে। একদিন সে ও ফ্রাঙ্কলিন এক পর্যায়ে জানতে পারে তাদের এক সঙ্গী স্ট্রেচ তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে বালাস গ্যাং যোগ দেয় ও তাকে হত্যার জন্য তুলে নিয়ে যায়। অতঃপর মাইকেল ও ট্রেভরের সহায়তায় ফ্রাঙ্কলিন স্ট্রেচের লোকদের নির্মূল করতে সক্ষম হয় ও তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
- হ্যারল্ড জোসেফ: এই গেমে স্ট্রেচ নামে সর্বাধিক পরিচিত। এক সময় লস সান্তোসের দ্যা ফামিলিজ গাঙ্গের সদস্য যে ফ্রাঙ্কলিন ও লামারের একসময়ের বন্ধু। একদিন সে তার এক সময়ের বন্ধু ফ্রাঙ্কলিন ও লামারের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে বালাস গ্যাং যোগ দেয় কারণ সে একদিন কারাগারে থাকাকালীন দ্যা ফামিলিজ গ্যাংয়ের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যালাস গ্যাংয়ের সাথে একটি চুক্তি করেছিল যাতে সে নিজের লাভ এবং ক্ষমতার বৃদ্ধি করতে পারে। একদিন সে লামার ও ফ্রাঙ্কলিনকে মারতে চায় কারণ ফ্রাঙ্কলিন ও লামার উভয়ই দ্য ফ্যামিলিজ গ্যাং এর সদস্য এবং দ্য ফ্যামিলিজ গ্যাং তাদের অন্যতম প্রতিপক্ষ। কিন্ত মাইকেলের গুলিতে নিহত হয়।
- ডেভিড নর্টন: এই গেমে ডেভ নামে সর্বাধিক পরিচিত। এফআইবির এক দুর্নীতিবাজ এজেন্ট এবং মাইকেলের বন্ধু যে ২০০৪ সালে লুডেনডর্ফে ডাকাতির সময় মাইকেলের অন্যতম সহযোগী ট্রেভরকে এফআইবির কাছে আত্মসমর্পণে রাজি করার উদ্দেশ্যে মাইকেলের সাথে একটি চুক্তি করেছিল যার ফলে মাইকেল তার পরিচয় গোপন রাখতে পারবে এবং মাইকেল তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে। একদিন যখন মাইকেল এবং ফ্রাঙ্কলিন লস সান্তোসের স্বর্ণালংকারের দোকানে ডাকাতি করে তখন এই খবর পেয়ে সে মাইকেলের বাড়িতে গিয়ে মাইকেলকে ট্রেভরের ব্যাপারে সতর্ক করে।
- ডেভিন ওয়েস্টন: এক কুখ্যাত কোটিপতি ব্যবসায়ী যে দক্ষিণ সান আন্দ্রেয়াসে অনেক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। একদিন সে মাইকেলের সাথে এক বিবাদে জড়িয়ে পরে। যেহেতু মাইকেল একজন ভালো চলচিত্র প্রযোজক তাই সে মাইকেলের সমগ্র স্টুডিও বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সেজন্য তার নির্দেশে তার সহকারী মলি সলোমনের কাছ থেকে মাইকেলের ছবির রিল হাতিয়ে নেয়। মাইকেল বিষয়টি বুঝতে পেরে বিমানবন্দরে পৌছায় কিন্তু মলি বিমানের একটি ইঞ্জিনের সাথে আঘাতে নিহত হয়। এরপর তার নির্দেশে মেরিওয়েদার মাইকেলের বাড়িতে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে মাইকেলের স্ত্রী ও তার মেয়েকে জিন্মি করে কিন্ত ব্যর্থ হয়।
- সিমিয়ন ইয়েতারিয়ান: এক দুর্নীতিবাজ গাড়ি ব্যবসায়ী যার অধীনে একসময় ফ্রাঙ্কলিন এবং লামার কাজ করত। একদিন সে ফ্রাঙ্কলিনকে নির্দেশ দেয় মাইকেলের ছেলে জিমির একটি জীপ গাড়ি পুনরুদ্ধার করতে কারণ জিমি তার শোরুম থেকে গাড়ি ক্রয় করলেও সময়মতো টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। তাই ফ্রাঙ্কলিন মাইকেলের বাড়িতে যায় জীপ গাড়ি পুনরুদ্ধার করতে কিন্তু এক পর্যায়ে মাইকেলের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে এবং মাইকেলের নির্দেশে ফ্রাঙ্কলিন ঐ গাড়ি চালিয়ে তার সমগ্র গাড়ির শোরুম লণ্ডভণ্ড করে দেয়। এই ঘটনার পর সে ফ্রাঙ্কলিনকে চরম অপমান করে তার প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়।
- কাইল চ্যাভিস: এক সময়ের কানাডার জনপ্রিয় টেনিস খেলোয়াড় যে পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একজন টেনিস কোচ হিসাবে যোগ দেয় ও মাইকেলের স্ত্রী আমান্ডাকে টেনিস শেখায়। একদিন সে এবং আমান্ডা উভয়ই আপত্তিকর অবস্থায় মাইকেলের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে। যার ফলে সে মাইকেলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকেলের বাড়ি থেকে পালিয়ে একটি বিলাসবহুল বাংলোর ভেতরে আশ্রয় নেয়। মাইকেল যখন তাকে ধাওয়া করে সেই স্থানে চলে এসে তার বাংলো ভেবে সেই বাংলো লণ্ডভণ্ড করে দেয়। এরপর সে মাইকেলকে জানায় যে এতক্ষণ ধরে মাইকেল যে ব্যক্তির বাড়ি গুড়িয়ে দিয়েছিল সেটা আসলে এক মেক্সিকান মাফিয়ার এক প্রমিকার।
- আমান্ডা ডি সান্টা: মাইকেলের স্ত্রী যে এক সময় মাইকেলের খুব ঘনিষ্ঠ ছিল কিন্তু তাদের সম্পর্ক নড়বড়ে হয়ে যায় যখন সে মাইকেলের বেশিরভাগ অর্থ অপচয় করতে শুরু করে। একদিন মাইকেলের এবং তার বন্ধু ও এক ইয়োগা প্রশিক্ষক ফ্যাবিয়েনের মধ্যে এক দ্বন্দ্বের পর তার সাথে মাইকেলের ঝগড়া হওয়ার পরে ফ্যাবিয়েন, ট্রেসি এবং জিমির সাথে লস সান্তোস থেকে অন্য শহরে চলে যায়। অবশেষে একদিন মাইকেল শহরের একজন মনোবিজ্ঞানী ডা. ফ্রিডল্যান্ডারের মাধ্যমে তার পরিবারের প্রধান সমস্যা বুঝতে পেরে তার পরিবারকে পুনরায় একত্রিত করে এবং তাদের সম্পর্কও পুনরায় শুরু করে।
- জেমস ডি সান্টা: এই গেমে জিমি নামে সর্বাধিক পরিচিত। মাইকেল ও আমান্ডা দম্পতির ছোট ছেলে যে মূলত প্রচণ্ড অলস ও বেকার প্রকৃতির এবং প্রায়ই সে টিভিতে গেম খেলে এবং ধূমপান ও গাঁজা সেবন করে তার মূল্যবান সময় নষ্ট করে। যদিও মাইকেলের সাথে প্রায়ই তার ছোটোখাটো বিষয়ে মতবিরোধ থাকে কিন্তু সে এমন উল্টাপাল্টা কাজ করে যা তার পরিবারের জন্য বোঝা এবং দ্বন্দ্ব ও হাস্যরসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তার ও মাইকেলের ক্রমাগত দ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও সে তার বাবা মাইকেলকে শ্রদ্ধা করে ও সে কখনও কখনও মাইকেলকে মুগ্ধ করার জন্য বিপথগামী এবং মরিয়া প্রচেষ্টা করে।
- ট্রেসি ডি সান্টা: মাইকেল ও আমান্ডা দম্পতির বড় মেয়ে যে সেলিব্রিটি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা রাখে এবং এই নিয়ে প্রায়ই তার বাবার সাথে কলহে লিপ্ত হয়। একদিন সে তার বাবা-মাকে না জানিয়ে এক জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ফেম অর শেম অডিশনে অংশ নেয় যেটি জানতে পেরে মাইকেল ও ট্রেভর উদ্বিগ্ন হয়ে মেজ ব্যাংক অ্যারেনায় যায় এবং তার উল্টাপাল্টা নাচ দেখে এক পর্যায়ে মাইকেল ও ট্রেভর উভয়ই ক্ষিপ্ত হয়ে তার অডিশন নষ্ট করে এবং এর জন্য ফেম অর শেম এর উপস্থাপক লাজলোকে চরম অপমান করে। এই ঘটনার পর সে তার বাবাকে তার অডিশন নষ্টের জন্য দোষারোপ করে।
- মার্টিন মাদ্রাজো: মাদ্রাজো পরিবারের প্রধান ও লস সান্তোসের এক প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ী যে তার প্রেমিকার বাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য মাইকেলের কাছে ২৫ লক্ষ মার্কিন ডলার দাবি করে। একদিন সে মাইকেল ও ট্রেভরকে তার বাড়িতে ডেকে পাঠায় কারণ তার বিরুদ্ধে প্রমাণসহ একটি ফাইল নিয়ে কেউ অন্য শহরে যাচ্ছে। সে ট্রেভরকে নির্দেশ দেয় ফাইল পুনরুদ্ধার করতে। ট্রেভর সেই ফাইল উদ্ধার করতে সক্ষম হয় কিন্তু যখন তার বাড়িতে যায় টাকার জন্য তখন সে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। যার ফলে ট্রেভর তার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। যখন মাইকেল ট্রেভরকে একটি মূর্তি দেয় তখন ট্রেভর তার স্ত্রীকে তার হাতে তুলে দেয়।
- স্টিভেন হেইন্স: এই গেমে স্টিভ নামে সর্বাধিক পরিচিত। এফআইবির এক কুখ্যাত দুর্নীতিবাজ এজেন্ট যে ডেভের ঊর্ধ্বতন হিসাবে মাইকেল, ফ্রাঙ্কলিন এবং ট্রেভরকে তাদের একটি প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থা আইএএ-এর সমস্ত কার্যকলাপ দুর্বল করার জন্য ব্যবহার করে। একদিন সে মাইকেল ও ফ্রাঙ্কলিনকে এফআইবির সদর দপ্তরে পাঠায় তার বিরুদ্ধে প্রমাণ মুছে ফেলতে কিন্তু মাইকেল সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাইকেল তার নিজের সমস্ত অপরাধের সব তথ্য মুছে ফেলে যার ফলে সে এক পর্যায়ে মাইকেলের ওপর ক্ষিপ্ত হয় এবং মাইকেলকে গ্রেফতার করতে যায় কারণ এফআইবি তার ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে যদিও ট্রেভরের জন্য মাইকেলকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়।
অপ্রধান চরিত্র
[সম্পাদনা]- ওয়েই চেং: লস সান্তোস ত্রায়াডের প্রধান যে ব্লেইন কাউন্টিতে তার বড় ছেলে তাও এবং তার অনুবাদককে এই অঞ্চলের অন্যতম বিশিষ্ট মেথ ডিলার ট্রেভরের সাথে যোগাযোগ করতে পাঠায়। অ্যাজটেকাস গ্যাঙ্গের এক দল দ্বারা ট্রেভরের মেথ ল্যাবে আক্রমণের সময়ে তাও এবং অনুবাদককে তার সাথে কাজ করতে বাধা দেয় যার পরিবর্তে সে প্রতিদ্বন্দ্বী ও'নিলের সাথে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ও'নিল ব্রাদার্স তার সাথে চুক্তি করেছে তা জানতে পেরে ট্রেভর রাগের বশে ও'নিল ব্রাদারসের মেথ ল্যাব ধ্বংস করে। ট্রেভরের জন্য ব্যবসা নষ্ট হওয়ার প্রতিশোধ নিতে সে তার লোকদের ট্রেভরকে ধরতে বলে।
- তাও চেং: ওয়েই চেং এর বড় ছেলে যাকে ও তার অনুবাদককে তার বাবা ওয়েই চেং ব্লেইন কাউন্টির অন্যতম মেথ ডিলার ট্রেভর ফিলিপসের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য পাঠায়। অধিকাংশ সময়ে সে চীনা ভাষায় কথা বলে। যদিও সে ইংরেজিতে বলতে এবং বুঝতে পারে তবে সে সাধারণত তার অনুবাদকের সাথে থাকে। সে মূলত একজন মানসিকভাবে অস্থির একজন ট্রায়াড উত্তরাধিকারী যে এক পর্যায়ে মেথ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে এবং ট্রেভরের সঙ্গে এক সংঘর্ষে জড়ায়। বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতিশোধ এবং সহিংসতা ঘিরে শেষ পর্যন্ত তাকে প্রতিশোধপরায়ণে পরিণত করে।
- জেফ্রি ক্রফোর্ড জোন্স: এই গেমে লাজলো নামে সর্বাধিক পরিচিত। জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ফেম অর শেম এর প্রধান উপস্থাপক কিন্তু সে তার কিছু উল্টাপাল্টা কাজের জন্য এই শহরে সকলের কাছে বিতর্কিত। একদিন ফেম অর শেমের অডিশন চলাকালে ট্রেসির উল্টাপাল্টা নাচ উপস্থাপনের জন্য যখন মাইকেল এবং ট্রেভর ঐ অডিশন নষ্ট করে তখন সে সেখান থেকে পালিয়ে যায় কিন্তু এক পর্যায়ে মাইকেল ও ট্রেভরের কাছে হাতেনাতে ধরা পরে ও চরম অপমানিত হয়। একদিন মাইকেল ও জিমি যখন ট্রেসির সাথে তাকে শহরের একটি ট্যাটুর দোকানে হাতেনাতে ধরে ফেলে তখন মাইকেল রাগের বশে তার পেছনের চুল কেটে দেয়।
- আন্দ্রেয়াস সানচেজ: এফআইবির এক দুর্নীতিবাজ এজেন্ট এবং স্টিভের প্রধান সহকারী যার প্রাথমিক ভূমিকা ছিল মাইকেল, ফ্রাঙ্কলিন এবং ট্রেভরকে কিছু বিপজ্জনক ও বিভিন্ন বেআইনি অভিযান পরিচালানোর জন্য স্টিভকে সহায়তা করা যাতে স্টিভ তার ক্যারিয়ার সচল রাখতে পারে। একদিন সে নিজে স্বীকার করে সে গোপনে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী এফআইবির একদলের কাছে স্টিভের সমস্ত কুকীর্তি সম্পর্কে তথ্য ফাঁস করছিল এবং এই দুর্নীতির জন্য সে স্টিভকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করে। কিন্তু কর্টজ সেন্টারে এফআইবি ও মেরিওয়েদারের মধ্যে গোলাগুলির সময়ে বিশ্বাসঘাতকতার জন্য স্টিভ তাকে গুলি করে হত্যা করে।
- মলি শুলজ: এক আইনজীবী যে ডেভিন ওয়েস্টনের অধীনে কাজ করে। একদিন ডেভিনের নির্দেশে সে সলোমনের কাছ থেকে মাইকেলের মেল্টডাউন সিনেমার একটি কপি হাতিয়ে নেয়। যার ফলে মাইকেল সেটি পুনরুদ্ধার করার জন্য তাকে একটি বিমানবন্দরে ধাওয়া করে একটি বিমানবন্দরে যায় কিন্তু সে বিমানের ভুলবশত একটি জেট ইঞ্জিনে আটকে তাত্ক্ষণিকভাবে মারা যায়। তার মৃত্যুর পর ডেভিন মাইকেলের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উক্ত ঘটনার জন্য মাইকেলকে দোষারোপ করে এবং প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মাইকেলের বাড়িতে আক্রমণ করার জন্য একদল মেরিওয়েদার প্রেরণ করে।
- জোনাথন ক্লেবিটজ: এই গেমে জনি নামে সর্বাধিক পরিচিত। দ্যা লস্ট মোটরসাইকেল ক্লাবের প্রধান যে লিবার্টি সিটি থেকে ব্লেইন কাউন্টিতে চলে আসার পর এক পর্যায়ে মেথ আসক্ত হয়ে পরে । একদিন তার প্রেমিকা অ্যাশলের সাথে ট্রেভরের এক অনৈতিক সম্পর্ক যখন সে জানতে পারে তখন সে ট্রেভরের ওপর ক্ষিপ্ত হয় এবং ট্রেভরকে সে তার প্রেমিকার সাথে সম্পর্ক করতে নিষেধ করে। ট্রেভরের সাথে এই নিয়ে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ট্রেভর তাকে একটি মদের কাচের বোতল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। তার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে দ্যা লস্ট মোটরসাইকেলের একদল সদস্য ট্রেভরের বাড়ি তছনছ করে।
- ফ্যাবিয়েন লারোচে: একজন ফরাসি নাগরিক এবং আমান্ডার বন্ধু যে একজন ইয়োগা প্রশিক্ষক। একদিন মাইকেল ও আমান্ডার বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সে আমান্ডার প্রতিবাদ থাকা সত্ত্বেও যোগব্যায়ামের সময় মাইকেলকে আমান্ডার সাথে যোগ দিতে বলে। সে আমান্ডার উপর একটি ইঙ্গিতপূর্ণ যোগব্যায়াম অবস্থান সম্পাদন করার চেষ্টা করে। এভাবে একদিন এক পর্যায়ে আমান্ডার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে যা দেখে মাইকেল তার ওপর ক্ষিপ্ত হয় ও রাগের বশে তাকে আক্রমণ করার চেষ্টা করে কিন্তু সুইমিংপুলে পড়ে যায়। মাইকেলের এই বেপরোয়া আচরণের জন্য আমান্ডা তার সাথে লস সান্তোস ছেড়ে চলে যায়।
- ডেনিস ক্লিনটন: ফ্রাঙ্কলিনের খালা যে এই গেমে একজন কট্টর নারীবাদী হিসাবে সর্বাধিক পরিচিত এবং প্রায়শই তার বন্ধুদের সাথে স্পিরিট ওয়াকে নেতৃত্ব দেয় এবং তার বাড়িতে নারীবাদী মিটিংয়ের আয়োজন করে। কিন্তু একদিন ফ্রাঙ্কলিন যখন স্ট্রবেরি থেকে ভাইনউড হিলসের একটি বিলাসবহুল বাংলোতে চলে যায় তখন তার সাথে ফ্রাঙ্কলিনের সম্পর্ক খারাপ হয়। একদিন ফ্রাঙ্কলিন যখন তার সাথে দেখা করতে আসে সে ফ্রাঙ্কলিনকে তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে ঠিক তখনই ট্রেভর আসে প্রথমে তার প্রশংসা করে কিন্ত ট্রেভর যখন তাকে ৭ ডলার দেয় তখন সে ফ্রাঙ্কলিন ও তার বন্ধুদের অপমান করে।
- আলবার্ট স্টলি: এক পুলিশ সদস্য যে একটি স্বর্ণালংকারের দোকানে ডাকাতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চলে আসে। স্বর্ণালংকারের দোকানে ডাকাতি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্রাঙ্কলিন যখন তার সঙ্গীদের জন্য অপেক্ষা করছিল তখন সে ফ্রাঙ্কলিনের সাথে বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত হয় ও ফ্রাঙ্কলিন তাকে তার স্থান হতে সরে যেতে বলে এবং সেই সময়ে মাইকেলে তাকে আটক করে বিখ্যাত এক উক্তি শুনায় যেই উক্তি মাইকেল পূর্বের ডাকাতির সময়ে বলত। আর যখন সে একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে যখন ঐ উক্তি শুনায় তখন ট্রেভর টিভিতে ঐ খবর শুনে মাইকেলের জীবিত থাকার ব্যাপারটা টের পায়।
- ডি: বালাস গ্যাঙ্গের সদস্য যে একবার ফ্রাঙ্কলিন ও লামার কর্তৃক অপহৃত হয় এবং এর বিনিময়ে ফ্রাঙ্কলিন ও লামার বালাস গ্যাং এর কাছে ৪০ হাজার মার্কিন ডলার মুক্তিপণ দাবি করে যাতে ফ্রাঙ্কলিন ও লামার সহজে পয়সা আয় করতে পারে। পরে এফআইবি তদন্ত শুরু করলে ফ্রাঙ্কলিন ও লামার তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এই ঘটনার পর একদিন যখন ফ্রাঙ্কলিন, লামার ও স্ট্রেচ শহরের একটি কারখানায় তার সাথে দেখা করতে যায় তখন সে ফ্রাঙ্কলিন ও লামারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে বালাস গ্যাং এর মাধ্যমে আটক করতে চায় কিন্ত এক পর্যায়ে স্ট্রেচের গুলিতে নিহত হয়।
- ইলউড ও'নিল: ও'নিল ব্রাদারসের প্রধান যে ব্লেইন কাউন্টিতে মেথ ব্যবসা পরিচালনা করে। একদিন ওয়েই চেং এর নির্দেশে ত্রায়াড সদস্যরা ব্লেইন কাউন্টিতে ট্রেভর ফিলিপস এন্টারপ্রাইজের সাথে চুক্তি না করে তার প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করে কারণ ট্রেভর তাও এবং তার অনুবাদককে তার কাজে বাধা দিয়েছিল যখন ভ্যারিওস লস অ্যাজটেকাস ট্রেভরের মেথ ল্যাবে আক্রমণ করেছিল। যখন ট্রেভর জানতে পারে ঐ ত্রায়াড সদস্যরা মেথের জন্য ও'নিলের সাথে চুক্তি করেছে তখন ট্রেভর তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাগান বাড়িতে আক্রমণ করে তার মেথ ল্যাব ধ্বংস করে দেয়।
- ইসিয়াহ ফ্রিডল্যান্ডার: একজন মনোবিজ্ঞানী ও চিকিৎসক।
- পেইজ হ্যারিস: একজন হ্যাকার যে লেস্টারের সাথে কাজ করে। এই গেমে বিভিন্ন ডাকাতি ও বড় কোন মিশনে মাইকেল, ফ্রাঙ্কলিন ও ট্রেভরকে সহায়তা করে। এই গেমে সে অন্যান্য হ্যাকারদের তুলনায় সবচেয়ে বেশি দক্ষ।
- করিম ডেনজ: একজন ব্যাংক ডাকাত।
- নর্ম রিচার্ডস: একজন ব্যাংক ডাকাত।
- গুস্তাভো মোতা: একজন ব্যাংক ডাকাত।
- জ্যাস্পার্স: লুডেনডর্ফে এক ব্যাংকের নিরাপত্তা কর্মী যেখানে মাইকেল ট্রেভর ও ব্র্যাড ২০০৪ সালে ডাকাতি করেছিল।
- হাও: একজন গাড়ি মেকানিক ও ফ্রাঙ্কলিনের বন্ধু।
- তালিয়ানা মার্টিনেজ: পেশায় একজন গাড়ি চালক যে মিশন শেষে মাইকেল ও ফ্রাঙ্কলিনকে নিরাপদ স্থানে ফিরতে সহায়তা করে।
- পপি মিচেল: একজন অভিনেত্রী।
- সাচা ইয়েতারিয়ান: সিমিয়নের ভাতিজা।
- অর্টেগা: ভ্যারিওস লস অ্যাজটেকাস গ্যাঙ্গের প্রধান।
- টেরেন্স থর্প: এই গেমে সে টেরি নামে সর্বাধিক পরিচিত। দ্যা লস্ট মোটরসাইকেল ক্লাব এর সদস্য।
- ক্লেটন সিমন্স: এই গেমে ক্লে নামে সর্বাধিক পরিচিত। দ্যা লস্ট মোটরসাইকেল ক্লাব এর সদস্য।
- অ্যালবার্ট ডি নেপোলি: একজন অভিনেতা।
- ডেব্রা: ফ্লয়েডের প্রেমিকা।
- চপ: ফ্রাঙ্কলিন ও লামারের গৃহপালিত কুকুর।
- অ্যাশলে বাটলার: জনির প্রেমিকা ও দ্যা লস মোটরসাইকেল ক্লাবের সদস্য যে ২০১৩ সালে তার প্রেমিকের সাথে লিবার্টি সিটি থেকে ব্লেইন কাউন্টিতে চলে আসে।
- এলিসা ম্যাকালেন: কাইল চ্যাভিসের বান্ধবী। এই গেমে সে লিজ নামে পরিচিত।
- এডি তো: এক চীনা-আমেরিকান অপরাধী যে মাইকেলের সাথে লস সান্তোসের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করে।
- তনিয়া উইগিন্স: ফ্রাঙ্কলিনের বান্ধবী।
- ত্যাভেল ক্লিনটন: ফ্রাঙ্কলিনের চাচাতো ভাই।
- জেবি ব্র্যাড শ: ফ্রাঙ্কলিনের বন্ধু ও তনিয়ার স্বামী।
- বেভারলি ফেল্টন: একজন চিত্রগ্রাহক।
- ম্যাডিসন ফক্স: একজন চিত্রগ্রাহক।
- রিচার্ড লুকেন্স: একজন প্রোগ্রামার যে লাইফ ইনভেডারে কাজ করে। এই গেমে সে রিকি নামে সর্বাধিক পরিচিত।
- প্যাটরিক ম্যাকরেরী: এই গেমে প্যাকি নামে সর্বাধিক পরিচিত। লিবার্টি সিটিতে একসময়ের দুর্ধর্ষ ব্যাংক ডাকাত যে মাইকেল ও ফ্রাঙ্কলিনের সাথে লস সান্তোসের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করে।
- কার্লোস: দ্য মাইটি বুশের কর্মচারী যে মাইকেলের বাড়ির মালি হিসেবে কাজ করে।
- ইভা: মাইকেলের বাড়ির এক কর্মচারী।
- সলোমন রিচার্ডস: ভাইনউড চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং রিচার্ড'স ম্যাজেস্টিকের মালিক।
- প্যাট্রিসিয়া মাদ্রাজো: মার্টিন মাদ্রাজোর স্ত্রী যে ট্রেভর কর্তৃক অপহৃত হয় কারণ তার স্বামী ট্রেভরকে দিয়ে কাজ করালেও টাকা পরিশোধ করে নাই। পরবর্তীতে ট্রেভর তাকে তার স্বামীর হাতে তুলে দেয়।
- জ্যাভিয়ের মাদ্রাজো: মাদ্রাজো পরিবারের সদস্য।
- ওয়েড হেবার্ট: ট্রেভর এবং রনের বন্ধু যে ট্রেভরের সাথে লস সান্তোস এবং ব্লেইন কাউন্টির আশেপাশে তার কাজে সহায়তা করে।
- ফ্লয়েড হেবার্ট: ওয়েডের চাচাতো ভাই যে লস সান্তোসে তার প্রেমিকার সাথে ভ্যাসপুচি সৈকতের কাছে বসবাস করে।
- তানিশা জ্যাকসন: ফ্রাঙ্কলিনের প্রেমিকা।
- মেরি-অ্যান কুইন: একজন দৌড়বিদ।
- অ্যাডাম: মেরি-অ্যান কুইনের প্রেমিকা।
- জে নরিস: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লাইফ ইনভেডার এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক।
- নাতালিয়া জেভেরোভনা: মার্টিন মাদ্রাজোর প্রেমিকা।
- রোনাল্ড জ্যাকোস্কি: ট্রেভরের বন্ধু যে বিভিন্ন মিশনে ট্রেভরকে সহায়তা করে। সে এই গেমে রন নামে সর্বাধিক পরিচিত।
- রায়ান ফিলিপস: ট্রেভরের ছোট ভাই।
- জিমি বোস্টন: একজন অভিনেতা।
- তাহির জাভান: লস সান্তোসের এক কুখ্যাত সন্ত্রাসী।
- ক্যারেন ড্যানিয়েলস: আইএএ এর এক উচ্চপদস্থ এজেন্ট যে লিবার্টি সিটির ঘটনার পাঁচ বছর পর ২০১৩ সালে ইউনাইটেড লিবার্টি পেপার থেকে আইএএ তে যোগ দেয়। একদিন সে ও তার লোকেরা ফার্দিনান্দ কেরিমভ নামে এক টেকনিশিয়ানকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার জন্য।
- ফার্দিনান্দ কেরিমভ: একজন হোমথিয়েটার টেকনিশিয়ান যে তার পরিবারের সাথে লস সান্তোসের মর্নিংউডে থাকে। একদিন আইএএ এর হাতে ধরা পরে কারণ আইএএ মনে করে যে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। কিন্ত সে জানায় যে সে একজন টেকনিশিয়ান এবং সে হোম থিয়েটার এর কাজ করে কোন নজরদারি কোন যন্ত্রের কাজ করে না। যদিও মাইকেল তাকে আইএএ এর হাত থেকে উদ্ধার করে।

তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Jackson, Mike (১৬ জুলাই ২০১৩)। "GTA 5: new details, Japanese release date confirmed"। Computer and Video Games। Future plc। ১৮ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ http://www.luxury.com.bd/আধুনিক ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে প্রযুক্তি/আসছে-ব্যয়বহুল-গেম-গ্র্যান্ড-থেফট-অটো-৫
- ↑ "গেম রিভিউ: গ্র্যান্ড থেফট অটো ৫"। প্রিয় টেক। ২৬ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৫।
- ↑ Harkin, Chris (১৪ জুলাই ২০২৩)। "GTA 5: Michael's Best Quotes, Ranked"। Game Rant (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০২৫।