বিষয়বস্তুতে চলুন

গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শক্তির উৎস (সূর্য), পৃথিবীর উপরিভাগ, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের মধ্যে শক্তির ক্রমসঞ্চালনের একটি উপস্থাপনা।
সূর্য থেকে শক্তি নিচের দিকে এবং পৃথিবী ও এর বায়ুমণ্ডল থেকে শক্তি উপরের দিকে প্রবাহিত হয়। যখন গ্রিনহাউস গ্যাস পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে নির্গত বহির্গামী দীর্ঘতরঙ্গ বিকিরণ শোষণ করে, তখন তারা সেই বিকিরণকে মহাশূন্যে চলে যেতে বাধা দেয়, ফলে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৫৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট) বৃদ্ধি পায়।

যখন কোনো গ্রহের বায়ুমণ্ডলে তাপ-ধারণকারী গ্যাস গ্রহটিকে মহাশূন্যে তাপ হারাতে বাধা দেয় এবং এর ফলে এর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, তাই গ্রিনহাউস প্রভাব। পৃষ্ঠের উষ্ণায়ন কোনো অভ্যন্তরীণ তাপ উৎস (যেমন বৃহস্পতি গ্রহের ক্ষেত্রে) থেকে হতে পারে অথবা নক্ষত্রের মতো কোনো বাহ্যিক উৎস থেকেও আসতে পারে। পৃথিবীর ক্ষেত্রে, সূর্য স্বল্পতরঙ্গ বিকিরণ (সূর্যালোক) নির্গত করে, যা গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পৃথিবীর পৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে। এর প্রতিক্রিয়াস্বরুপ, পৃথিবীর পৃষ্ঠ দীর্ঘতরঙ্গ বিকিরণ নির্গত করে, যা মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস দ্বারা শোষিত হয় এবং এর ফলে পৃথিবী যে হারে শীতল হতে পারে তার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

গ্রিনহাউস প্রভাব না থাকলে, পৃথিবীর গড় পৃষ্ঠের তাপমাত্রা −১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (−০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট)-এর মতো ঠান্ডা হতো।[১][২] এটি ২০শ শতকের প্রায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৫৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট) গড় তাপমাত্রার তুলনায় অনেক কম।[৩][৪] প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত গ্রিনহাউস গ্যাসের পাশাপাশি, জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।[৫][৬] এর ফলে, ২০২৩ সাল পর্যন্ত,[৭] শিল্পবিপ্লবের পর থেকে প্রায় ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২.২ ডিগ্রি ফারেনহাইট) পরিবর্তন ঘটেছে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে,[৮] এবং ১৯৮১ সাল থেকে বৈশ্বিক গড় পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রতি দশকে ০.১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।[৯]

পরম শূন্য তাপমাত্রার চেয়ে বেশি তাপমাত্রার সব বস্তুই তাপীয় বিকিরণ নির্গত করে। সূর্য ও পৃথিবী থেকে নির্গত তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালী ভিন্ন, কারণ তাদের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ভিন্ন। সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৫,৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৯,৯০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট), তাই এটি তার অধিকাংশ শক্তি সূর্যালোকের মতো নিকট-অবলোহিত ও দৃশ্যমান তরঙ্গদৈর্ঘ্যের স্বল্পতরঙ্গ বিকিরণ হিসেবে নির্গত করে। বিপরীতে, পৃথিবীর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা অনেক কম, তাই এটি মধ্য ও দূর-অবলোহিত তরঙ্গদৈর্ঘ্যে দীর্ঘতরঙ্গ বিকিরণ নির্গত করে।[৬] কোনো গ্যাস দীর্ঘতরঙ্গ বিকিরণ অবলোহিত বর্ণালীবীক্ষণ করলে তাকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল আগত স্বল্পতরঙ্গ বিকিরণের মাত্র ২৩% শোষণ করে, কিন্তু পৃষ্ঠ থেকে নির্গত দীর্ঘতরঙ্গ বিকিরণের ৯০% শোষণ করে,[১০] ফলে শক্তি সঞ্চিত হয় এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠ উষ্ণ হয়।

গ্রিনহাউস প্রভাবের অস্তিত্ব (যদিও তখন একে এই নামে অভিহিত করা হয়নি) ১৮২৪ সালের প্রথম দিকেই জোসেফ ফুরিয়ে প্রস্তাব করেছিলেন।[১১] ১৮২৭ ও ১৮৩৮ সালে ক্লড পুইয়ে যুক্তি ও প্রমাণকে আরও শক্তিশালী করেন। ১৮৫৬ সালে ইউনিস নিউটন ফুট দেখান যে, জলীয়বাষ্পযুক্ত বায়ুর ক্ষেত্রে সূর্যের উষ্ণায়ন প্রভাব শুষ্ক বায়ুর তুলনায় বেশি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের ক্ষেত্রে এই প্রভাব আরও বেশি।[১২][১৩] গ্রিনহাউস শব্দটি প্রথম এই ঘটনাটির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেন নিলস গুস্তাফ একহোম ১৯০১ সালে।[১৪][১৫]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার অস্তিত্বের পক্ষে ১৮২৪ সালে জোসেফ ফুরিয়ার যুক্তি পেশ করেন। এই যুক্তি ও গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার অস্তিত্বের প্রমাণ পরবর্তীকালে আরও জোরদার করেন ক্লদ পৈলিওলেট ১৮২৭ ও ১৮৩৮ সালে এবং জন টিনডাল পরীক্ষামূলক পর্যবেক্ষণ দ্বারা ১৮৫৯ সালে। স্যভান্তে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে আরও সম্পূর্ণরূপে নিরূপণ করেন।[১৬][১৭] আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল ১৯১৭ সালে লিখেছিলেন "জীবাশ্ম জ্বালানির অবারিত দহন হচ্ছে এক শ্রেণির গ্রিন হাউজ

প্রতিক্রিয়া এবং এর চূড়ান্ত ফলাফল হচ্ছে গ্রীনহাউজটি ণিরশ্রেণষঘরে ্ণ-ঘরে পরিণত হয়।"তিনি এছাড়াও শক্তির উৎসগুলো যেগুলো যেমন সৌর শক্তি ব্যবহারের জন্য প্রচার চালিয়েছিলেন।[১৮][১৯]

ক্রিয়াকৌশল

[সম্পাদনা]

আমাদের পৃথিবী সূর্য হতে শক্তি গ্রহণ করে অতিবেগুনি রশ্মি, দৃশ্যমান আলো ও অবলোহিত রশ্মি রূপে যার বেশিরভাগই বায়ুমণ্ডল কর্তৃক শোষিত না হয়ে পৃথিবীতে ফিরে যায়। প্রাপ্ত শক্তির মোট অংশ বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে থাকে এবং যার প্রায় ৫০ শতাংশ পৃথিবী পৃষ্ঠ কর্তৃক শোষিত হয়। ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত

হবার দরুন উষ্ণ অবলোহিত রশ্মি বিকিরণ করে যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রধান শোষোণকৃত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের য়ুলনাই অনেক দীর্ঘ হয়।বেশির ভাগ তাপীয় বিকিরণই বায়ুমণ্ডল কর্তৃক শোষিত হয় ওপরে মুখীচেিমুখে উভয় দিকে পুন:বিকিরিত হয়।নিম্নাভিমুখী বিকিরণ পৃথিবী পৃষ্ঠ কর্তৃক শোষি‌ত হয়। সৃষ্ট এই দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপীয় বিকিরণ তাপমাত্রার ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটায় যেন মনে হয় বায়ুমন্ডল অনুপস্থিত।

গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ

[সম্পাদনা]

পৃথিবীতে প্রধান যে চারটি গ্যাস গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী তাদের শতকরা পরিমাণ হচ্ছেঃ[২০]

• জলীয় বাষ্প ৩৬-৭০%

• কার্বন ডাই অক্সাইড ৯-২৬%

• মিথেন ৪-৯%

• ওজোন ৩-৭%

গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির জন্য মেঘ হচ্ছে প্রধান অগ্যাসীয় উপাদান যা অবলোহিত রশ্মি শোষণ ও নির্গত করে।[২১]

জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা

[সম্পাদনা]
মাওনা লোয়া মানমন্দির কর্তৃক মাপা বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘনত্বের কিলিং কার্ভ.

মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড দ্বারা গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়াকে আরও জোরালো করা বর্ধিত (অথবা মানুষ সৃষ্ট প্রভাব) গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া নামে পরিচিত।[২২] মানুষ সৃষ্ট এইসব রশ্মিবিকিরণকারীর বৃদ্ধি প্রধা বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি করছে।[২৩] জলবায়ু পরিবর্তনের উপর আন্তঃসরকার পরিষদ কর্তৃক করা সর্বশেষ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,"বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ পর্যবেক্ষিত গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি খুব সম্ভব মানুষ সৃষ্ট গ্রীনহাউজ গ্যাসের ঘনত্বের বৃদ্ধির জন্য ঘটেছে।"[২৪] জীবাশ্ম জ্বালানীর দহন ও অন্যান্য কর্মকাণ্ড যেমনযেমন সিমেন্ট উৎপাদন এবং উষ্ণপ্রধান অঞ্চলের বন উজাড় দ্বারা কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়।[২৫]মাওনা লোয়া মানমন্দির কর্তৃক একটি প্রতিবেদনে দেখায় যে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ৩১৩ পিপিএম (কণা প্রতি দশ লক্ষে)[২৬] যা ছিল ১৯৬০ সালে তা বেড়ে গিয়ে ৩৮৯ পিপিএম হয় ২০১০ সালে।এটা মে ৯,২০১৩ তে ৪০০ পিপিএম এ পৌঁছায়।[২৭] বর্তমানে পর্যবেক্ষিত কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ চরম অবস্থা (~৩০০ পিপিএম) ভূতাত্ত্বিক রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বরফ গলনের উপাও অনুযায়ী।[২৮] বৈশ্বিক জলবায়ুর উপর কার্বন ডাই-অক্সাইডের দহন ও উৎপাদনের ফলাফল হচ্ছে একটি বিশেষ কারণ গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়ার জন্য যা প্রথম ১৮৯৬ সালে বর্ণনা করেছিলেন স্যভান্তে আরহেনিয়াস এবং এছাড়াও একে ক্যালেন্ডার এফেক্টও বলা হোত।

বাস্তব গ্রীনহাউজ

[সম্পাদনা]
আরএইচএস হুইচলে অবস্হিত একটি আধুনিক গ্রীনহাউজ

বায়ুমন্ডলীয় গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া যার নামকরণ করা হয়েছে গ্রীনহাউজের সাথে সাদৃশ্য রেখে যা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে উষ্ণ হয়।কিন্ত,যে প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডল তাপ ধরে রাখে তা আলাদা।[২৯] প্রাথমিকভাবে একটি গ্রীনহাউজ শোষিত তাপ কাঠামোর দ্বারা পরিচলনের মাধ্যমে ছেড়ে না দিয়ে ধরে রাখে।গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া পৃথিবীকে উওপ্ত করে কারণ গ্রীনহাউজসমূহ নির্গমরত বিকীর্ণ শক্তি শোষণ করে এবং তার কিছু অংশ আবার পুন:বিকিরণ করে পৃথিবীর দিকে। সূর্যালোক অতিক্রম করতে পারে এমন যেকোন উপাদান সাধারণত কাচ বা প্লাস্টিক দিয়ে গ্রীনহাউজ তৈরি করা হয়।এটা প্রধাণত উওপ্ত হয় কারণ সূর্যালোক এর মধ্যকার ভূপৃষ্ঠকে উওপ্ত করে যা পরবর্তীতে গ্রীনহাউজের মধ্যকার বাতাসকে উষ্ণ করে।গ্রীনহাউজের বাইরের পরিবেশে ভূপৃষ্ঠের নিকটবর্তী উষ্ণ বাতাস উপরের দিকে উঠে শীতল বাতাসের সাথে মিশ্রিত হয় যেখানে এমনটা না হয়ে গ্রীনহাউজের মধ্যকার বাতাস উষ্ণ হতেই থাকে কারণ তা গ্রীনহাউজের মধ্যে আটকান অবস্থায় থাকে।গ্রীনহাউজের ছাঁদের কাছাকাছি একটা জানালা খুলে এটা দেখানো যায় তাপমাত্রা যথেষ্ট পরিমাণে হ্রাস পায়।এটি পরীক্ষামূলকভাবে (আর.ডাবলু.উড,১৯০৯) দেখানো হয়েছে যে একটি গ্রীনহাউজ যার আচ্ছাদন খনিজ লবণের (যার মধ্য দিয়ে অবলোহিত রশ্মি অতিক্রম করতে পারে) তা কাছাকাছি কাচের আচ্ছাদনের অপর একটি গ্রীনহাউজকে উওপ্ত করে।[৩০] সুতরাং,গ্রীনহাউজের প্রাথমিক কাজ হচ্ছে শীতলকারীর পরিচলন রোধ করা।[৩১][৩২] গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়ায় বরং বাতাসের চলাচল রোধ করে তাপ ধরে রাখে এবং গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ তার শোষিত শক্তির কিছু অংশ ভূপৃষ্ঠের দিকে পুন:বিকিরণ করে পৃথিবীকে উওপ্ত করে।এই প্রক্রিয়া বাস্তব গ্রীনহাউসের মধ্যেও বিদ্যমান,কিন্তু তা তুলনামূলকভাবে গুরুত্বহীন।

পৃথিবীর বাইরে গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া

[সম্পাদনা]

সৌরজগতে মঙ্গল, শুক্র,ও টাইটান (শনির উপগ্রহ) এ গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া প্রলক্ষিত হয় যার মধ্যে শুক্রতে বিশেষ করে বেশি কারণ এর বায়ুমন্ডল প্রধাণত কার্বন ডাই অক্সাইড দিয়ে গঠিত।[৩৩] টাইটান বিপরীত-গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করে যেখানে এর বায়ুমন্ডল সৌর বিকিরন শোষন করে কিন্তু তা অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অবলোহিত রশ্মি বিকিরন করে।[৩৪][৩৫]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ "Solar Radiation and the Earth's Energy Balance"। The Climate System – EESC 2100 Spring 2007। Columbia University। ৪ নভেম্বর ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১০।
  2. ↑ Le Treut H, Somerville R, Cubasch U, Ding Y, Mauritzen C, Mokssit A, Peterson T, Prather M (২০০৭)। "Historical Overview of Climate Change Science" (পিডিএফ)। Solomon S, Qin D, Manning M, Chen Z, Marquis M, Averyt KB, Tignor M, Miller HL (সম্পাদকগণ)। Climate Change 2007: The Physical Science Basis. Contribution of Working Group I to the Fourth Assessment Report of the Intergovernmental Panel on Climate Change। Cambridge, UK and New York, NY: Cambridge University Press। পৃ. ৯৭। ২৬ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৪।
  3. ↑ "The Elusive Absolute Surface Air Temperature (SAT)"। Goddard Institute for Space Studies। NOAA। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮।
  4. ↑ "Yearly average temperature"। Climate Change Tracker।
  5. ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "ipcc-AR4WG1" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  6. 1 2 Rebecca, Lindsey (১৪ জানুয়ারি ২০০৯)। "Climate and Earth's Energy Budget : Feature Articles"। earthobservatory.nasa.gov। ২১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০২০।
  7. ↑ "AR6 Synthesis Report: Summary for Policymakers Headline Statements"। www.ipcc.ch (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০২৬।
  8. ↑ Fox, Alex। "Atmospheric Carbon Dioxide Reaches New High Despite Pandemic Emissions Reduction"। Smithsonian Magazine (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০২১।
  9. ↑ Lindsey, Rebecca; Dahlman, Luann। "Climate Change: Global Temperature"। NOAA Climate.gov। ১৫ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  10. ↑ "What is Earth's Energy Budget? Five Questions with a Guy Who Knows"। NASA.gov। ১০ এপ্রিল ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২৩।
  11. ↑ Fourier, J. (১৮২৪)। "Remarques Generales sur les Temperatures Du Globe Terrestre et des Espaces Planetaires"। Annales de Chimie et de Physique (ফরাসি ভাষায়)। ২৭: ১৩৬–১৬৭। ২ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০২০।
  12. ↑ Foote, Eunice (নভেম্বর ১৮৫৬)। Circumstances affecting the Heat of the Sun's Rays। খণ্ড ২২। পৃ. ৩৮২–৩৮৩। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১৬। {{বই উদ্ধৃতি}}: |work= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  13. ↑ Huddleston, Amara (১৭ জুলাই ২০১৯)। "Happy 200th birthday to Eunice Foote, hidden climate science pioneer"। NOAA Climate.gov। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৯।
  14. ↑ Easterbrook, Steve (১৮ আগস্ট ২০১৫)। "Who first coined the term "Greenhouse Effect"?"। Serendipity। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১৫।
  15. ↑ Ekholm N (১৯০১)। "On The Variations Of The Climate Of The Geological And Historical Past And Their Causes"। Quarterly Journal of the Royal Meteorological Society। ২৭ (117): ১–৬২। বিবকোড:1901QJRMS..27....1E। ডিওআই:10.1002/qj.49702711702।
  16. ↑ John Tyndall, Heat considered as a Mode of Motion (500 pages; year 1863, 1873).
  17. ↑ Isaac M. Held and Brian J. Soden (Nov. 2000)। "Water Vapor Feedback and Global Warming"। Annual Review of Energy and the Environment। ২৫। Annual Reviews: ৪৪১–৪৭৫। ডিওআই:10.1146/annurev.energy.25.1.441। ২২ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০১৩। {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: |তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  18. ↑ Bell, Alexander Graham, Dictionary of Canadian Biography Online, 1921–1930 (Volume XV), University of Toronto and Université Laval, 2000. Retrieved March 1, 2013.
  19. ↑ Grosvenor, Edwin S. and Morgan Wesson. Alexander Graham Bell: The Life and Times of the Man Who Invented the Telephone. New York: Harry N. Abrahms, Inc., 1997, p. 274, আইএসবিএন ০-৮১০৯-৪০০৫-১.
  20. ↑ "জ্বলীয় বাষ্প: প্রতিক্রিয়া না অত্যাচার?"। RealClimate। ৬ এপ্রিল ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০০৬।
  21. ↑ Kiehl, J. T. (১৯৯৭)। "Earth's Annual Global Mean Energy Budget" (পিডিএফ)। Bulletin of the American Meteorological Society। ৭৮ (2): ১৯৭–২০৮। বিবকোড:1997BAMS...78..197K। ডিওআই:10.1175/1520-0477(1997)078<0197:EAGMEB>2.0.CO;2। আইএসএসএন 1520-0477। ৩০ মার্চ ২০০৬ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০০৬। {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |coauthors= উপেক্ষা করা হয়েছে (|author= প্রস্তাবিত) (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার |month= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  22. ↑ "Enhanced greenhouse effect — Glossary"। Nova। Australian Academy of Scihuman impact on the environment। ২০০৬।
  23. ↑ "Enhanced Greenhouse Effect"। Ace.mmu.ac.uk। ২৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১০।
  24. ↑ IPCC Fourth Assessment Report Synthesis Report: Summary for Policymakers (p. 5)
  25. ↑ IPCC Fourth Assessment Report, Working Group I Report "The Physical Science Basis" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৫ মার্চ ২০১১ তারিখে Chapter 7
  26. ↑ "বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন ডাই অক্সাইড – মাওনা লোয়া"। NOAA। ২০ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০১৩।
  27. ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৩ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০১৩।
  28. ↑ Hansen J. (২০০৫)। "A slippery slope: How much global warming constitutes "dangerous anthropogenic interference"?"। Climatic Change। ৬৮ (333): ২৬৯–২৭৯। ডিওআই:10.1007/s10584-005-4135-0। ১২ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০১৩। {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |month= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  29. ↑ Brian Shmaefsky (২০০৪)। Favorite demonstrations for college science: an NSTA Press journals collection। NSTA Press। পৃ. ৫৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৭৩৫৫-২৪২-৪।
  30. ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "wood1909" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  31. ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "Schroeder" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  32. ↑ Oort, Abraham H.; Peixoto, José Pinto (১৯৯২)। Physics of climate। New York: American Institute of Physics। আইএসবিএন ০-৮৮৩১৮-৭১১-৬। ...the name water vapor-greenhouse effect is actually a misnomer since heating in the usual greenhouse is due to the reduction of convection{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  33. ↑ দৃষ্টি আকর্ষণ: এই টেমপ্লেটি ({{cite doi}}) অবচিত। doi দ্বারা চিহ্নিত প্রকাশনা উদ্ধৃত করার জন্য:10.1126/science.11538492, এর পরিবর্তে দয়া করে |doi=10.1126/science.11538492 সহ {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}} ব্যবহার করুন।
  34. ↑ "Titan: Greenhouse and Anti-greenhouse :: Astrobiology Magazine - earth science - evolution distribution Origin of life universe - life beyond :: Astrobiology is study of earth"। Astrobio.net। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১০।
  35. ↑ "Pluto Colder Than Expected"। SPACE.com। ৩ জানুয়ারি ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১০।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]