গাজী ওয়্যারস্ লিমিটেড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গাজী ওয়্যারস্ লিমিটেড
গাজী ওয়্যারস্ লিমিটেডের লোগো.jpeg
গঠিত১৯৭২; ৪৯ বছর আগে (1972)
সদরদপ্তরচট্রগ্রাম, বাংলাদেশ
যে অঞ্চলে
বাংলাদেশ
দাপ্তরিক ভাষা
বাংলা
ওয়েবসাইটwww.gaziwires.gov.bd

গাজী ওয়্যারস্ লিমিটেড বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন একটি সংস্থা যা তার উৎপাদন করে। এটি বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের একটি সহায়ক সংস্থা।[১] গাজী ওয়্যারস্ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হলেন বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ রইস উদ্দিন।[২] ডা. মোঃ গোলাম কবির গাজী ওয়্যারস্ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।[৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

গাজি ওয়্যারস্ লিমিটেড ১৯৬৫ সালে জাপানভিত্তিক ফুরুকাওয়া ইলেকট্রিক কোম্পানির প্রযুক্তিগত সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার সংস্থাটিকে জাতীয়করণ করে। এটি বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনার অধীনস্থ করা হয়। গাজি ওয়্যারস্ বিভিন্ন ধরণের তামার তার উৎপন্ন করে।[৪] ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় এবং পরবর্তী বন্যায় গাজী ওয়্যারসে্র কারখানা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।[৫]

২০১৬ সালে গাজি ওয়্যারস্ লিমিটেডকে উৎপাদনশীলতা ও গুণমানের উৎকর্ষতার জন্য জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।[৬] ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি গাজী ওয়্যারসে্র আধুনীকিকরণের জন্য ৬৮৯ মিলিয়ন টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছে।[৭] ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে গাজি ওয়্যারস্ লিমিটেড বাংলাদেশ সরকারের মুনাফা উপার্জনকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।[৮] প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শিল্প মন্ত্রণালয় সকল সরকারী সংস্থা ও সহায়ক সংস্থাগুলিকে গাজী ওয়্যারস্ লিমিটেডের মতো রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাগুলির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়ের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bhuyan, Ayubur Rahman (১৯৯৩)। Trade Regimes and Industrial Growth: A Case Study of Bangladesh (ইংরেজি ভাষায়)। Bureau of Economic Research, University of Dhaka। পৃষ্ঠা 139। 
  2. "Biography of the Chairman"gaziwires.portal.gov। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২০ 
  3. ব্যবস্থাপনা পরিচালকgaziwires.portal.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২০ 
  4. গাজী ওয়্যারস লিঃgaziwires.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২০ 
  5. Bibhāga, Bangladesh Arthanaitika Upadeshṭā (১৯৯১)। Bangladesh Economic Survey (ইংরেজি ভাষায়)। Ministry of Finance, Economic Adviser's Wing, Government of the People's Republic of Bangladesh। পৃষ্ঠা 49। 
  6. গাজী ওয়্যারস লিঃgaziwires.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২০ 
  7. "Ecnec: 23 districts to get polytechnic institutes"Dhaka Tribune। ৩১ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২০ 
  8. "Gazi Wires maintains profit trend"Daily Sun (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২০ 
  9. "Ministry asks government organisations to follow PM order on buying goods from SoEs"New Age (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২০