বিষয়বস্তুতে চলুন

গাঙশালিক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

গাঙশালিক
গাছের ডালে বসা গাঙশালিক
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
শ্রেণী: Aves
বর্গ: Passeriformes
পরিবার: Sturnidae
গণ: Acridotheres
প্রজাতি:
A. ginginianus
দ্বিপদী নাম
Acridotheres ginginianus
(ল্যাথাম, ১৭৯০)

গাঙশালিক (Acridotheres ginginianus) হল এক ধরনের ময়না যা দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর অংশে পাওয়া যায়। এটি ভাত শালিকের চেয়ে ছোট তবে রঙে একই রকমের কিন্তু একে পৃথক করেছে এর চোখের পিছনে হলুদ রঙের জায়গায় ইটের মত লাল নগ্ন ত্বক। এটি নিচের ধূসর অংশ এবং এর মধ্যের পালকগুলির উপস্থিতির কারণে এর সাথে ঝুঁটি শালিকের কিছুটা সাদৃশ্য রয়েছে। এগুলি উত্তর এবং মধ্য ভারতের সমভূমিতে ঝাঁকে ঝাঁকে পাওয়া যায়, প্রায়শই শহর ও নগরেও দেখা যায়। নামটি কেবলমাত্র নদীর তীরের মাটিতে গর্ত খনন করে এবং বৃহত উপনিবেশে বাসা বেঁধে বসবাস ও প্রজনন করার অভ্যাস থেকে উদ্ভূত হয়েছে।

বিবরণ

[সম্পাদনা]

মাথার মুকুট এবং পাশের অংশের পালকসমূহ কালো এবং উপরের পালকগুলি শ্লেটি ধূসর এবং নিচের অংশটি হালকা ধূসর বর্ণের সাথে পেটের দিকটা ফ্যাকাশে গোলাপী রঙের হয়। ডানা কালো তবে গোড়ায় একটি ডানা প্যাচ রয়েছে এবং লেজের পালক ফ্যাকাশে গোলাপী রঙের। চোখের পিছনের নগ্ন ত্বকটি ইট লাল, পা হলুদ এবং আইরিস গভীর লাল। স্ত্রী-পুরুষ একই রকম, আলাদা করা যায় না। [] অল্প বয়স্ক পাখির মাথায় এবং ঘাড়ে একটি বাদামী রঙ থাকে। [][]

প্রজাতিগুলি বিবর্তনীয়ভাবে ভাত শালিকের নিকটতম। []

গ্যালারী

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Papenfuss, T.; Shafiei Bafti, S.; Sharifi, M.; Bennett, D.; Sweet, S.S. (২০১০)। "Varanus bengalensis"আইইউসিএন লাল তালিকা২০১০আইইউসিএন: e.T১৬৪৫৭৯A৫৯০৯৬৬১। ডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2010-4.RLTS.T164579A5909661.en। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০১৮ {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |last-author-amp= উপেক্ষা করা হয়েছে (|name-list-style= প্রস্তাবিত) (সাহায্য)
  2. Whistler, Hugh (১৯৪৯)। The Bank Myna। Gurney and Jackson, London। পৃ. ২০৫–২০৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০১৩{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)
  3. Baker, E C S (১৯২৬)। The Fauna of British India, Including Ceylon and Burma. Birds. Volume 3 (2nd সংস্করণ)। Taylor and Francis, London। পৃ. ৫৫–৫৬।
  4. Oates, EW (১৮৮৯)। The Fauna of British India, Including Ceylon and Burma. Birds. Volume 1। Taylor and Francis, London। পৃ. ৫৩৮–৫৩৯।
  5. Zuccon, D.; Pasquet, E. (২০০৮)। "Phylogenetic relationships among Palearctic–Oriental starlings and mynas (genera Sturnus and Acridotheres: Sturnidae)" (পিডিএফ): ৪৬৯–৪৮১। ডিওআই:10.1111/j.1463-6409.2008.00339.x {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |last-author-amp= উপেক্ষা করা হয়েছে (|name-list-style= প্রস্তাবিত) (সাহায্য); উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)

অন্যান্য উৎস

[সম্পাদনা]