গবলিন হাঙর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

গবলিন হাঙর
সময়গত পরিসীমা: Holocene
Mistukurina owstoni museum victoria.jpg
Goblin shark size.svg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
শ্রেণী: Chondrichthyes
উপশ্রেণী: Elasmobranchii
মহাবর্গ: Selachimorpha
বর্গ: Lamniformes
পরিবার: Mitsukurinidae
গণ: Mitsukurina
প্রজাতি: M. owstoni
দ্বিপদী নাম
Mitsukurina owstoni
D. S. Jordan, 1898
Mitsukurina owstoni distmap.png
গবলিন হাঙরের বিস্তৃতি সীমা[১]
প্রতিশব্দ

Odontaspis nasutus Bragança, 1904
Scapanorhynchus dofleini Engelhardt, 1912
Scapanorhynchus jordani Hussakof, 1909
Scapanorhynchus mitsukurii White, 1937

গবলিন হাঙর (Mitsukurina owstoni) গভীর-সমুদ্র হাঙরের একটি অপ্রতুল প্রজাতি। একে মাঝে মধ্যে "জীবন্ত জীবাশ্ম" বলা হয়, এটি মিটসুকুরিনিডি পরিবারের একমাত্র প্রতিনিধিত্বকারী বিদ্যমান প্রানী যার বংশ প্রায় ১২৫ মিলিয়ন বছর পুরনো। এই গোলাপি চামরার প্রাণীটির বড়, চ্যাপ্টা নাক-মুখ, সামনের দিকে প্রসারিত হওয়ার মত বড় চোয়াল থাকে যাতে নখের মত দাঁত নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিলেখ (প্রোফাইল) আছে। এটি পরিনত অবস্থায় সাধারণত ৩ এবং ৪ মি (১০ এবং ১৩ ফু) লম্বা হয় যদিও এটি আরও বড় হতে পারে। গবলিন হাঙররকে পাওয়া যেতে পারে পৃথিবীর যেকোনো মহাদেশীয় ঢাল, ডুবো গিরিখাত এবং ডুবো পাহাড় গুলোতে যেখানে গভিরতা ১০০ মি (৩৩০ ফু) থেকে বেশি, প্রাপ্ত বয়স্ক গুলোকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের থেকে গভীরে পাওয়া যায়।

গবলিন হাঙরের অনেক শরীরতত্ত্বীয় বৈশিষ্ট্য যেমন নরম দেহ ও ছোট পাখনা নির্দেশ করে এটি মন্থর প্রকৃতির। এই প্রজাতিটি উভয় সমুদ্র তল এবং পানি স্তরের মাঝখান থেকে টেলেওস্ট মাছ, শেফালোপোড এবং ক্রাস্টেসিয়ান দের শিকার করে। এর লম্বা নাক এম্পুলা অব লরেনযিনি দ্বারা ঢাকা থাকে যা একে কাছের শিকার দ্বারা উৎপন্ন খুবই সামান্য তড়িৎ ক্ষেত্র অনুভব করতে সাহায্য করে এবং শিকারকে সে খুব দ্রুত তার চোয়াল বাড়িয়ে ধরতে পারে। কিছু পরিমাণ গবলিন হাঙর গভীর সমুদ্রের জেলেদের কাছে অনিচ্ছাকৃত ভাবে ধরা পরে। এর অপ্রতুলতার পরেও আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ পরিষদ (IUCN) একে উদ্ধৃত করে বিশাল বিস্তৃতি এবং কম ধরা পরার ঘটনা হিসেবে এবং একে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে অভিহিত করে।

শ্রেণীবিন্যাস[সম্পাদনা]

সংরক্ষিত গবলিন হাঙরের বিভিন্ন চোয়ালের অবস্থান ভুলক্রমে বেশ কিছু স্বতন্ত্র প্রজাতির বর্ণনার কারন।

আমেরিকান মৎস্যবিদ ডেভিড স্টার জর্ডান ১৯৮৮ সালে প্রসিডিংস অফ দ্যা ক্যালিফোর্নিয়া একাডেমী অফ সায়েন্সে এর একটি সংখ্যায় গবলিন হাঙররের বর্ণনা করেন এবং একে পরিচিত করান শুধুমাত্র একটি নতুন প্রজাতি হিসেবেই নয় বরং একটি নতুন গণ এবং পরিবার হিসেবে। তার বর্ণনার ভিত্তি ছিল ১০৭ সেমি (৪২ ইঞ্চি) লম্বা অপ্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ যা জাপানের ইয়োকোহামার কাছের উপসাগর থেকে ধরা হয়। এই প্রজাতিটি অধিগত হয় জাহাজ মালিক এবং প্রকৃতিবিদ আলান ওয়েস্টেন দ্বারা যিনি সেটিকে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাকিচি মিটসুকুরিকে দেন পরবর্তীতে তিনি সেটিকে জর্ডানের কাছে নিয়ে আসেন। এইভাবে হাঙরটিকে এই দুইজন মানুষকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য নাম দেন Mitsukurina owstoni[২]সাধারণ নাম "গবলিন হাঙর" হচ্ছে জাপানি নাম টেঙ্গুজামে(tenguzame) এর অনুবাদ, টেঙ্গু জাপানের একটি পৌরাণিক জীব যাকে প্রায়ই লম্বা নাক এবং লাল মুখ দ্বারা বর্ণনা করা হত।[৩] এই প্রজাতির অন্য একটি প্রাণীর নাম হচ্ছে এলফিন হাঙর। [১]

জর্ডানের বর্ণনা প্রকাশের কিছু সময় পরে বেশ কিছু বিজ্ঞানী মিটসুকুরিনা এবং বিলুপ্ত মেসোজোয়িক হাঙর ইস্কাপানোরাইনকাস এর মাঝে সামঞ্জস্য খুজে পান।[৪] কিছু সময় ধরে মিটসুকুরিনাকে ইস্কাপানোরাইনকাস এর নিম্ন সমার্থক ধরা হত। পরবর্তীতে আরও সম্পূর্ণ জীবাশ্মে ইস্কাপানোরাইনকাস এবং মিটসুকুরিনার মাঝে অনেক শরীরতাত্ত্বিক পার্থক্য খুজে পান যার ফলে আধুনিক বিজ্ঞানিরা এদের পৃথক গণ হিসেবে চিন্তা করতে শুরু করেন।[৫] কিছু গবলিন হাঙর প্রজাতি যাদেরকে ১৯০৪ থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত পৃথক ভাবা হত সেগুলকে এখন বৈধ মনে করা হয় না। এই শ্রেণীবিন্যাস বিশৃঙ্খলার উদ্ভব হয় কারন সংরক্ষণ করার সময় চোয়াল বিভিন্ন আকৃতিতে থাকে যা মাথার আনুপাতিক বিভিন্নতার ফলাফল।[৬]

জাতিজনি এবং বিবর্তন[সম্পাদনা]

শরীরতত্তের উপর ভিত্তি করে জাতিজনিক পড়াশুনা গবলিন হাঙরকে লেমনিফরমস বর্গের মৌলিক সদস্যাে অবস্থিত করেছে যা মেকেরেল হাঙর নামে পরিচিত।[৭][৮] জেনেটিক উপাত্ত ব্যবহার করে যে গবেষণা তাও এই প্রজাতির একটি অবস্থান নিশ্চিত করে।[৯][১০] মিটসুকুরিনিডি পরিবার যা মিটসুকুরিনি , ইস্কাপানোরাইনকাস, এবং আনমটোডান দ্বারা প্রকাশ করা হয় যাকে ক্রিটেসাশ(c. ১২৫–১১৩ Ma) কালের আপ্টিয়ান বয়স পর্যন্ত পাওয়া যায়। বিলুপ্ত প্রজাতি M. lineata এবং M. maslinensis এর সাথে মিটসুকুরিনা নিজে জীবাশ্ম রূপে লিপিবদ্ধ হয় মধ্য ইয়োসিন (c. ৪৯–৩৭ Ma)যুগে।[১১][১২] .[১৩][১৪] পেলিওজিন সময়ে (c. 66–23 Ma) Striatolamia macrota যা উষ্ণ অগভীর পানিতে বসবাস করতো সেটিও একটি মিটসুকুরিনা প্রজাতি হতে পারে।[১৫] পুরাতন বংশের শেষ সদস্য হিসেবে এবং যা প্রিমিটিভ অনেক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে তাই গবলিন হাঙরকে জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে বর্ণনা করা হয়।[১৬]

বর্ণনা[সম্পাদনা]

গবলিন হাঙরের চোয়াল খাওয়ার সময় আকস্মিক ভাবে বড় হয়।

গবলিন হাঙরের তলোয়ারের মত লম্বা এবং সমান বৈশিষ্ট্য মণ্ডিত মুখমণ্ডল আছে। বয়সের সাথে সাথে মুখমণ্ডল আনুপাতিক হারে কমতে থাকে।[১৭] চোখ গুলো ছোট এবং নেত্র পল্লব বিহিন; চোখের পেছনে স্পাইরেকল থাকে। বড় মুখটি আকৃতিতে অধিবৃত্তসদৃশ। চোখের পেছনে স্পাইরেকল থাকে। বড় মুখটি অধিবৃত্তসদৃশ আকৃতির। মুখ অত্যন্ত বর্ধনশীল এবং চঞ্চুর প্রায় শেষ পর্যন্ত বর্ধিত করতে পারে যদিও সাধারণত ধরা হয় মাথার নীচের অংশের ফ্লাশের বিপরীত থেকে। এটির আছে ৩৫-৫৩ উপরের এবং ৩১-৬২ নিচের দাঁতের সারি। মুখের প্রধান অংশের দাঁতগুলো হচ্ছে লম্বা এবং সংকীর্ণ বিশেষকরে যেগুলো সিমফসিস এর কাছাকাছি (চোয়াল মধ্যবিন্দু) এবং সুন্দরভাবে খাঁজকাটা করে সাটানো থাকে। চোয়ালের কোণার কাছাকাছি পিছনের দাঁত ছোট হয় এবং চাপার জন্য চ্যাপ্টা আকৃতি থাকে। অনেক পৃথক প্রকরণ ঘটে দাঁতের দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থে যার কিনা প্রধান শিখরের প্রতিটি পাশ দিয়ে একটি ছোট দাঁত আছে এবং সিমফসিস এর মধ্যে বা প্রধান এবং পিছনের দাঁতহীন ফাকা স্থানের উপস্থিতিতে থাকে। পাঁচ জোড়া ফুলকা ছিদ্র হচ্ছে ছোট এবং ভিতরে আংশিক ফুলকা ফিলামেন্ট উন্মুক্ত থাকে; পঞ্চম জোড়ার অবস্থান বক্ষের পাখনা উৎপত্তির স্থানের উপরে।[৩][৫][১৮]

শরীর বেশ সরু এবং থলথলে। দুই পৃষ্ঠীয় পাখনার আকার এবং আকৃতি অনুরূপ, উভয়ই হচ্ছে ছোট এবং বৃত্তাকার। বক্ষের পাখনাগুলোও হয় বরং ছোট এবং বৃত্তাকার। শ্রোণী এবং পশ্চাৎ পাখনার আছে দীর্ঘ ভিত্তি এবং তা পৃষ্ঠীয় পাখনা হতে বড় হয়। লেজের পুষ্পদণ্ড পাশ-থেকে-পাশে চ্যাপ্টা থাকে এবং তলি বা খাঁজ কাটার অভাব থাকে। এই অসম লেজের পাখনার একটি দীর্ঘ উপরের লোব আছে সঙ্গে টিপের কাছাকাছি একটি অগভীর মোটা খাঁজ আছে এবং একটি অস্পষ্ট নীচের লোব থাকে।[৫][১৮] নরম আধা স্বচ্ছ পরিষ্কার ত্বকের একটি রুক্ষ গঠনবিন্যাস আছে চর্মের ছোটো দাঁত বা দাঁতের মতো বেড়িয়ে থাকা আচ্ছাদন থেকে, প্রতিটির আকৃতি দৈর্ঘ্য বরাবর ঢালের সাথে একটি ছোট খাড়া মেরুদণ্ডের ন্যায়। জীবীত অবস্থায় এই প্রজাতির গোলাপি বা তামাটে রঙ থাকে ত্বকের তলদেশে দৃশ্যমান রক্তনালীসমূহের কারণে; বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রঙ গভীর হয় এবং তরুণ হাঙর প্রায় সাদা হতে পারে। পাখনার মার্জিন হয় স্বচ্ছ পরিষ্কার ধূসর বা নীল এবং আইরিসের মধ্যে নীলাভ দাগের সাথে চোখ কালো হয়। মৃত্যুর পর রং দ্রুত নিস্তেজ হয়ে ধূসর বা বাদামী হয়।[৩][৬] প্রাপ্তবয়স্ক হাঙর সাধারণত পরিমাপে ৩ এবং ৪ মি (৯.৮ এবং ১৩.১ ফু) এর মধ্যে দীর্ঘ হয়।[৩] যাইহোক ২০০০ সালে একটি বিরাট মহিলা প্রজাতির আটক আনুমানিক ৫.৪–৬.২ মি (১৮–২০ ফু) দীর্ঘ যা দেখিয়েছে যে এই প্রজাতি পূর্বে যা সন্দেহ করা হত তার তুলনায় অনেক বড় হতে পারে।[১৭] একটি ৩.৮মি দীর্ঘ হাঙ্গরের সর্বোচ্চ ওজন রেকর্ড করা হয় ২১০ কেজি (৪৬০ পা)। [৫]

শব্দতত্ত্ব[সম্পাদনা]

জাতিগত নাম সন্মান করে দেয়া হয় কেইগোমিটসুকুরিকে একজন জাপানি প্রাণিবিজ্ঞানী যিনি ১৮৬০ সালের দিকে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে পড়াশোনা করেন। নির্দিষ্ট নামটি সন্মানিত করে অ্যালান অস্টেন কে যিনি এশিয় বন্যপ্রাণীর একজন ইংরেজ সংগ্রাহক। [১৯]

বিস্তৃতি এবং বাসস্থান[সম্পাদনা]

সব তিনটি প্রধান মহাসাগর থেকে গবলিন হাঙরকে ধরা হয়েছে যা ইঙ্গিত করে এর ব্যাপক বিশ্বব্যাপী বিস্তারের। আটলান্টিক মহাসাগরে মেক্সিকোর উত্তর গলফ, সুরিনাম, ফ্রেঞ্চ গায়ানা এবং পশ্চিমে দক্ষিণ ব্রাজিল এবং পূর্ব দিকে ফ্রান্স, পর্তুগাল, মদিরা এবং সেনেগাল থেকে এটির অস্তিত্ত লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।[১][৩][২০] এটা আরও সংগৃহীত হয়েছে মধ্য আটলান্টিক রিজের সমুদ্র পাহার থেকে।[২১][২২] ইন্দো-প্যাসিফিক ও ওশেনিয়ায় এটি পাওয়া গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, মোজাম্বিক, জাপান, তাইওয়ান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। একটি একক পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় নমুনা পরিচিত হয় যা দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে সংগ্রহ করা হয়।[১][৩] এই প্রজাতিকে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় উপরের মহাদেশীয় ঢালে ২৭০–৯৬০ মি (৮৯০–৩,১৫০ ফু) গভীরতায়।[৫] এটা ধরা হয়েছে ১,৩০০ মি (৪,৩০০ ফু) এর মত গভীর থেকে এবং সমুদ্রেরর নিচে ১,৩৭০ মি (৪,৪৯০ ফু) গভীরতায় একটি দাঁত পাওয়া গেছে।[২৩] অপ্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে প্রাপ্তবয়স্করা বৃহত্তর গভীরত্বে বাস করে। অপূর্ণাঙ্গ গবলিন হাঙর দক্ষিণ জাপানের গিরিখাতে ১০০–৩৫৯ মি (৩২৮–১,১৭৮ ফু) গভীরতায় দেখা যায় সাথে মাঝে মধ্যে পৃথকভাবে উপকূলবর্তী অগভীর পানিতে ৪০ মি (১৩০ ফু) গভীরে দেখতে পাওয়া যায়।[১][২৪] ২০১৪ সালের এপ্রিলে,ফ্লোরিডার পশ্চিমের জেলেরা যখন মেক্সিকোর গলফে মাছ ধরছিল তখন তাদের জালে একটি গবলিন হাঙর ধরা পরে যা উপসাগরীয় অঞ্চলের গলফে ধরা শুধুমাত্র দ্বিতীয়টি।[২৫] হাঙরটির ছবি নেয়া হয় এবং তারপর পানিতে ছেরে দেয়া হয়।[২৫]

২০১৪ সালেের জুলাই এ একটি গবলিন হাঙর শ্রীলঙ্কা একটি মাছ ধরার জালে ধরা পরে এবং তারপর রিপোর্ট করা হয় শ্রীলঙ্কার পূর্ব উপকূলীয় ভালাইছছেনাই তে। হাঙরটি প্রায় ৪ ফু (১.২ মি) লম্বা এবং ওজন প্রায় ৭.৫ কেজি (১৭ পা)। হাঙরটি দেয়া হয়েছিল এনএআরএ (জাতীয় জলজ সম্পদ, গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা) কে আরও গবেষণার জন্য।[২৬]

জীববিজ্ঞান এবং বাস্তুতন্ত্র[সম্পাদনা]

যদিও জীবিত গবলিন হাঙরের পর্যবেক্ষণের সুযোগ কম তারপরও এর শারীরবিদ্যা ইঙ্গিত করে যে তার জীবনধারা নিষ্ক্রিয় এবং মন্থর। তার কঙ্কাল হ্রাস কৃত এবং দুর্বল ভাবে ক্যালসিয়াম যুক্ত, পেশী ব্লক গুলো এর পার্শ্ব গুলোর (মায়োমিয়ার) সাথে দুরবল্ভাবে উন্নত এবং তার পাখনা হয় নরম এবং ছোট। তার লম্বা লেজের পাখনাতে একটি নিম্ন কোণ থাকে যা সাধারণত একটি ধীর-সাঁতার হাঙ্গরের জন্য উপজুক্ত। দীর্ঘ চঞ্চুর একটি সংজ্ঞাবহ আছে বলে দেখা যায় যেহেতু এটা বহন করে অসংখ্য লরেঞ্জিনির আম্পুলা যা অন্যান্য প্রাণী দ্বারা উত্পাদিত দুর্বল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র সনাক্ত করতে পারে। চঞ্চুর নরম হওয়ার কারনে এটি অসম্ভাব্য যে এটি অন্যকে বিদ্ধ করতে ব্যবহার করা হয় যা শিকারের নিচে বিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছিল।[৬] অন্যান্য অনুভূতি থেকে দৃষ্টি কম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা যায় এই বিবেচনা করে যে হাঙ্গরের মাথার ছোট মস্তিস্কে অপেক্ষাকৃত ছোট অপটিক টেক্টাম থাকে।[৩] তারপরও বেশিরভাগ গভীর -সমুদ্র হাঙরের মত এটি তার পিউপিলের আকার পরিবর্তন করতে পারে এবং এভাবে কিছু পরিস্থিতিতে তার দৃষ্টিশক্তি ব্যবহার করে।[২৩] গবলিন হাঙর নীল হাঙরের (প্রিওনাসে গ্লাউকা) শিকারে পরিনত হতে পারে।[২৪] এই প্রজাতির থেকে নথিভুক্ত পরজিবির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে কোপেপোড এর এখত্রোগেলিকাস মিটসুকুরিনা,[২৭] এবং টেপওয়ার্ম এর লিটোবথ্রিয়াম আমসিখেন্সিস এবং মারসুপিওবথ্রিয়াম গবেলিনাস[২৮]

খাওয়া[সম্পাদনা]

রাট্টাইলস এবং অন্যান্য গভীর সমুদ্রের টেলেওস্টস গবলিন হাঙরের প্রধান খাবার।

গবলিন হাঙর প্রধানত টেলেওস্টস মাছ যেমন রাট্টাইল এবং ড্রাগন ফিস খেয়ে থাকে। এটি আরও ভক্ষন করে সেফালোপড এবং ক্রাস্টেসিও যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে ডেকাপোড এবং আইসোপোড। কিছু নমুনার পেট থেকে আবর্জনা পাওয়ার কথা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।[২৯] তার পরিচিত শিকারের অন্তর্ভুক্ত আছে নীচে-কায় প্রজাতি যেমন ব্লাকবেরি রোসফিস (হেলিকলেনাস ডাক্তাইলোপ্টেরাস) এবং মধ্য পানির যেমন স্কুইড এরটিউথোওয়েনিয়া এবং অস্ট্রাকড এর ম্যাক্রো সাইপ্রিডিনা রোটান্ডা। এভাবে গবলিন হাঙরকে দেখা যায় সমুদ্র উপকূল এবং এর উপর থেকে খাবার সংগ্রহ করতে।[৬][৩০]

যেহেতু এটা একটি দ্রুত সাঁতারু মাছ না তাই গবলিন হাঙ্গর হতে পারে একটি অতর্কিত শিকারী। এর কম-ঘনত্বের মাংস এবং বড় তৈলাক্ত লিভার এটিকে তৈরি করে নিরপেক্ষ প্রাণবন্ত হিসেবে, যার ফলে সনাক্তকরণ এড়ানোর জন্য এটি শিকার করে ন্যূনতম গতির মাধ্যমে।[২৪] একবার শিকার পরিসীমা মধ্যে আসলে হাঙ্গর এর বিশেষ মুখ দিয়ে এগিয়ে গিয়ে কামরে ধরতে পারে। চোয়াল এর বর্ধিত অংশ দুই জোড়া ইলাস্টিক লিগামেন্টের সহায়তায় যার সঙ্গে যুক্ত থাকে মান্ডিবুলার যুগ্ম টানা অবস্থাতে যখন তারা তাদের স্বাভাবিক প্রত্যাহৃত অবস্থানে থাকে। যখন হাঙ্গর কামড় দেয় লিগামেন্ট তাদের টানকে মুক্তি দেয় এবং মূলত "গুলতি" আকারে মুখ এগিয়ে দেয়। [৫] একই সময়ে ভাল-উন্নত বাশিহিয়াল (একটি জিহ্বা এর অনুরূপ ) এর মুখ বিস্তৃত করে মৌখিক গহ্বর বর্ধিত করে এবং পানি ও শিকার শোষণ করে। [৬]

জীবন ইতিহাস[সম্পাদনা]

গবলিন হাঙরের প্রজনন সম্পর্কে সামান্যই পরিচিত হওয়া গেছে কারণ একজন গর্ভবতী মহিলা এখনো পাওয়া এবং গবেষণা করা বাকি আছে। এটা সম্ভবত তাদের অন্যান্য মেকারেল হাঙ্গরের প্রজনন বৈশিষ্ট্য ভাগাভাগি করে যা হচ্ছে ভিভিপরাস ছোট ঢুলি আকৃতির এবং ভ্রূণ যা গর্ভকালে বড় হয় অনুন্নত ডিম (অফেগি) খেয়ে।[১] জন্মের আকার সম্ভবত ৮২ সেমি (৩২ ইঞ্চি) এর কাছাকাছি যা জানা সবচাইতে ছোট নমুনা।[৩] পুরুষরা যৌনাতা পূর্ণ হয় প্রায় ২.৬ মি (৮.৫ ফু) লম্বাতে যেখানে মহিলাদের পূর্ণতার বয়স জানা যায় নি। [১] বৃদ্ধি এবং পরিণতির কোন তথ্য পাওয়া যায় নি। [৩]

মনুষ্য সংস্পর্শ[সম্পাদনা]

যে গভীরতায় এটি বাস করে বলে জানা যায় সেই গভীরতায় গবলিন হাঙর মানুষের কোন বিপদ এর কারন নয়। কয়েকটি জীবিত নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সরকারী এ্যাকুয়ারিয়াম আনা হয়েছে যদিও তারা শুধুমাত্র একটি স্বল্প সময় বেঁচে ছিল। একটিকে রাখা হয়েছিল টোকাই বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এক সপ্তাহ সময় বেঁচে ছিল যেখানে জন্য আরেকটিকে রাখা হয়েছিল টোকিও সাগর জীবন উদ্যানে এবং দুই দিন বসবাস করেছিল।[৫][৩১] তার অর্থনৈতিক তাৎপর্য সংক্ষিপ্ত; মাংস শুকনো এবং লবণাক্ত করা যেতে পারে যেখানে সংগ্রাহকরা এর চোয়াল উচ্চ মূল্যে সংগ্রহ করে।[১][৫] মাংস কিছু সময়ে জাপানিরা যকৃতের তেল ও সার এর জন্য ব্যবহার করে।[৩২] এই হাঙ্গর কোন জেলের লক্ষ্যবস্তু নয় তবে মাঝে মাঝে গিলজালের তলানিতে ও বড় টানাজাল পাওয়া যায় এবং লম্বা সুতাতে লাগানো থাকে অথবা মাছ ধরার যন্ত্রে জরানো থাকে। বেশীরভাগ ধরা পড়াই হচ্ছে বিচ্ছিন্ন ঘটনা; কিছু এলাকায় যেখানে এটা নিয়মিত ধরা পরে তা হচ্ছে দক্ষিণ জাপান যেখানে প্রায় ৩০ টি পৃথক (বেশিরভাগই তরুণ) প্রতি বছর ধরা হয়। একটি কালো স্কাবারডফিস (আফানোপাস কারবো) মদিরার মাছ ধরার ব্যবসায় বার্ষিক ২ থেকে তিনটি গবলিন হাঙর নেয়। ২০০৩ এর এপ্রিলে ১০০ এরও অধিক গবলিন হাঙর নর্থওয়েস্টার্ন তাইওয়ানে ধরা হয়েছিল; এই ঘটনার কারন জানা যায় নি যদিও পর্যবেক্ষকরা লক্ষ করেন এটা ছিল একটি প্রধান ভূমিকম্পের পূর্বসূরী। এই প্রজাতিটি সেই এলাকায় আগে কখনো দেখা যায় নি কিংবা পূর্বে এত সংখ্যাতেও পাওয়া যায় নি। [১][৩] প্রকৃতি সংরক্ষনের আন্তর্জাতিক সংস্থা (আইইউসিএন) গবলিন হাঙরকে ন্যূনতম উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। তার বিশাল বিস্তৃত ছাড়াও এর অধিকাংশ জনসংখ্যা মাছ ধরা হয় না এমন পরিবেশে থাকে বলে মনে করা হয় কারন খুব কম প্রাপ্ত বয়স্করা ধরা পরেছে। তাই বিশ্বাস করা হয় এটা মানুষের কার্যকলাপ দ্বারা হুমকিপাপ্ত নয়।[১]

তথ্য সুত্র[সম্পাদনা]

  1. "Mitsukurina owstoni"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2012.2প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন। ২০০৪। 
  2. Jordan, D.S. (১৮৯৮)। "Description of a প্রজাতি of fish (Mitsukurina owstoni) from Japan, the type of a distinct family of lamnoid হাঙরs"Proceedings of the California Academy of Sciences (Series 3) Zoology1 (6): 199–204। 
  3. Castro, J.H. (২০১১)। The হাঙরs of North America। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 202–205। আইএসবিএন 978-0-19-539294-4 
  4. Hussakof, L. (১৯০৯)। "A new গবলিন হাঙর, Scapanorhynchus jordani, from Japan"Bulletin of the American Museum of Natural History26: 257–262। 
  5. Compagno, L.J.V. (২০০২)। হাঙরs of the World: An Annotated and Illustrated Catalogue of হাঙর প্রজাতি Known to Date (Volume 2)। Food and Agriculture Organization of the United Nations। পৃষ্ঠা 68–71। আইএসবিএন 92-5-104543-7 
  6. Martin, R.A.। "Biology of the গবলিন হাঙর"। ReefQuest Centre for হাঙর Reসমুদ্রrch। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৫, ২০১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  7. Shirai, S. (১৯৯৬)। "Phylogenetic interrelationships of neoselachians (Chondrichthyes: Euselachii)"। Stiassny, M.L.J.; Parenti, L.R.; Johnson, G.D.। Interrelationships of Fishes। Academic Press। পৃষ্ঠা 9–34। আইএসবিএন 0-08-053492-9 
  8. Shimada, K. (২০০৫)। "Phylogeny of lamniform হাঙরs (Chondrichthyes: Elasmobranchii) and the contribution of dental characters to lamniform systematics"। Paleontological Reসমুদ্রrch9 (1): 55–72। doi:10.2517/prpsj.9.55 
  9. Naylor, G.J.P.; Martin, A.P.; Mattison, E.; Brown, W.M. (১৯৯৭)। "The inter-relationships of lamniform হাঙরs: testing phylogenetic hypotheses with sequence data"। Kocher, T.D.; Stepien, C.A.। Molecular Systematics of Fishes। Academic Press। পৃষ্ঠা 199–218। আইএসবিএন 0-08-053691-3 
  10. Naylor, G.J.; Caira, J.N.; Jensen, K.; Rosana, K.A.; Straube, N.; Lakner, C. (২০১২)। "Elasmobranch phylogeny: A mitochondrial estimate based on 595 প্রজাতি"। Carrier, J.C.; Musick, J.A.; Heithaus, M.R.। The Biology of হাঙরs and Their Relatives (second সংস্করণ)। CRC Press। পৃষ্ঠা 31–57। আইএসবিএন 1-4398-3924-7 
  11. Sepkoski, J.; Antinarella, J.; McMahon, J. (২০০২)। "A compendium of fossil marine animal genera (Chondrichthyes entry)"Bulletins of American Paleontology364: 560। 
  12. Nelson, J.S. (২০০৬)। Fishes of the World (fourth সংস্করণ)। John Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 54। আইএসবিএন 0-471-75644-X 
  13. Vialle, N.; Adnet, S.; Cappetta, H. (২০১১)। "A new হাঙর and ray fauna from the Middle Miocene of Mazan, Vaucluse (southern France) and its importance in interpreting the paleoenvironment of marine deposits in the southern Rhodanian Basin"। Swiss Journal of Palaeontology130 (2): 241–258। doi:10.1007/s13358-011-0025-4 
  14. Pledge, N.S. (১৯৬৭)। "Fossil Elasmobranch teeth of South Australia and their stratigraphic distribution"Transactions of the Royal Society of South Australia91: 135–160। 
  15. Purdy, R. (২০০৫)। "Is Striatolamia a junior synonym of Mitsukurina?"। Journal of Vertebrate Paleontology25 (3): 102A। doi:10.1080/02724634.2005.10009942 
  16. Birx, H.J., সম্পাদক (২০০৯)। Encyclopedia of Time: Science, Philosophy, Theology, & Culture (Volume 1)। SAGE Publications। পৃষ্ঠা 547। আইএসবিএন 1-4129-4164-4 
  17. Parsons, G.R.; Ingram, G.W.; Havard, R. (২০০২)। "First record of the গবলিন হাঙর Mitsukurina owstoni, Jordan (family Mitsukurinidae) in the Gulf of Mexico"। Southeastern Naturalist1 (2): 189–192। doi:10.1656/1528-7092(2002)001[0189:FROTGS]2.0.CO;2 
  18. Last, P.R.; Stevens, J.D. (২০০৯)। হাঙরs and Rays of Australia (second সংস্করণ)। Harvard University Press। পৃষ্ঠা 156–157। আইএসবিএন 0-674-03411-2 
  19. "Mitsukurina"www.fishesofaustralia.net.au। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৪-০৫ 
  20. Rincon, G.; Vaske, T.; Gadig, O.B. (২০১২)। "Record of the গবলিন হাঙর Mitsukurina owstoni (Chondrichthyes: Lamniformes: Mitsukurinidae) from the south-western Atlantic"। Marine Biodiversity Records5: e44। doi:10.1017/S1755267211000923 
  21. Kukuyev, E.I. (১৯৮২)। "Ichthyofauna of Corner Mountains and New England সমুদ্রmounts"। Parin, N.V.। Insufficiently Studied Fishes of the Open Ocean. Moscow: Institute of Oceanology। Institute of Oceanology, Academy of Sciences of the USSR। পৃষ্ঠা 92–109। 
  22. Prokofiev, A.M.; Kukuev, E.I. (২০০৯)। "New findings of rare fish প্রজাতি from families Mitsukurinidae (Chondrichthyes), Muraenidae, Lophiidae, Macrouridae, and Psychrolutidae (Teleostei) on rises of the Atlantic Ocean with the description of Gymnothorax walvisensis sp. nov"। Journal of Ichthyology49 (3): 215–227। doi:10.1134/S0032945209030023 
  23. Martin, R.A.। "Deep সমুদ্র: গবলিন হাঙর"। ReefQuest Centre for হাঙর Reসমুদ্রrch। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৫, ২০১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  24. Ebert, D.A. (২০০৩)। হাঙরs, Rays, and Chimaeras of California। University of California Press। পৃষ্ঠা 96–97। আইএসবিএন 0-520-22265-2 
  25. "Scientists amazed by accidental Gulf catch of second-ever গবলিন হাঙর"। SFGate। ২ মে ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০১৪ 
  26. "Valaichchena strange fish"lankadeepa.lk (Sinhala ভাষায়)। Sri Lanka। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৫ 
  27. Izawa, K. (২০১২)। "Echthrogaleus mitsukurinae sp. nov (Copepoda, Siphonostomatoida, Pandaridae) infesting the গবলিন হাঙর Mitsukurina owstoni Jordan, 1898 in Japanese waters"। Crustaceana85 (1): 81–87। doi:10.1163/156854012x623674 
  28. Caira, J.N.; Runkle, L.S. (১৯৯৩)। "2 new tapeworms from the গবলিন হাঙর Mitsukurina owstoni off Australia"। Systematic Parasitology26 (2): 81–90। doi:10.1007/BF00009215 
  29. Yano, K.; Miya, M.; Aizawa, M.; Noichi, T. (২০০৭)। "Some aspects of the biology of the গবলিন হাঙর, Mitsukurina owstoni, collected from the Tokyo Submarine Canyon and adjacent waters, Japan"। Ichthyological Reসমুদ্রrch54 (4): 388–398। doi:10.1007/s10228-007-0414-2 
  30. Duffy, C.A.J. (১৯৯৭)। "Further records of the গবলিন হাঙর, Mitsukurina owstoni (Lamniformes: Mitsukurinidae), from New Zealand"। New Zealand Journal of Zoology24 (2): 167–171। doi:10.1080/03014223.1997.9518111 
  31. "গবলিন হাঙর caught alive"Tokyo Zoo Net। Tokyo Zoological Park Society। জানুয়ারি ২৫, ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৬, ২০১৩ 
  32. Bean, B.A. (১৯০৫)। "Notes on an adult গবলিন হাঙর (Mitsukurina owstoni) of Japan"Proceedings of the United States National Museum28 (1409): 815–818। doi:10.5479/si.00963801.28-1409.815 

বহিঃ সংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Lamniformes