খাম্স-পা বিদ্রোহ, ১৯৩৪

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
খাম্স-পা বিদ্রোহ, ১৯৩৪
তারিখ১৯৩৪
অবস্থানখাম্স
ফলাফল মধ্যস্থতা
যুধ্যমান পক্ষ
স্পোম-ম্দা'-ত্শাং পরিবারের নেতৃত্বাধীন খাম্স-পা বিদ্রোহী তিব্বত তিব্বত (১৯১২-১৯৫১)
সেনাধিপতি
স্পোম-ম্দা'-ত্শাং-স্তোব-র্গ্যাস
স্পোম-ম্দা'-ত্শাং-রাব-দ্গা'
তিব্বত থুব-ব্স্তান-'জাম-দ্পাল-য়ে-শেস-র্গ্যাল-ম্ত্শান
(তিব্বতের রাজপ্রতিনিধি)
শক্তি
খাম্স-পা জনজাতি তিব্বততিব্বতী সেনাবাহিনী

খাম্স-পা বিদ্রোহ ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দে তিব্বতের খাম্স অঞ্চলে তিব্বত সরকারের বিরুদ্ধে সংগঠিত একটি স্থানীয় বিদ্রোহ।[১][২]:৯৫, ৯৬ স্পোম-ম্দা'-ত্শাং-স্তোব-র্গ্যাস (ওয়াইলি: spom mda' tshang stob rgyas) এবং স্পোম-ম্দা'-ত্শাং-রাব-দ্গা' (ওয়াইলি: spom mda' tshang rab dga’) নামক অভিজাত স্পোম-ম্দা'-ত্শাং পরিবারের দুই ভাই এই বিদ্রোহে খাম্স-পা জনজাতিদের নেতৃত্ব দেন।

বিদ্রোহ সংগঠন[সম্পাদনা]

তিব্বতের খাম্স অঞ্চলে স্পোম-ম্দা'-ত্শাং (ওয়াইলি: spom mda' tshang) পরিবার একটি ধনী ও অভিজাত ব্যবসায়ী পরিবার রূপে গণ্য হত। এই পরিবারের স্পোম-ম্দা'-ত্শাং-স্তোব-র্গ্যাস (ওয়াইলি: spom mda' tshang stob rgyas) এবং স্পোম-ম্দা'-ত্শাং-রাব-দ্গা' (ওয়াইলি: spom mda' tshang rab dga’) নামক দুই ভাই খাম্স-পা বিদ্রোহ সংগঠিত করেন।[৩][৪] ত্রয়োদশ দলাই লামার মৃত্যুর পর তাঁদের পারিবারিক বন্ধু থুব-ব্স্তান-কুন-ফেল-লাকে (ওয়াইলি: thub bstan kun phel la) ক্ষমতার অলিন্দ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কারণে তাঁরা তিব্বত সরকারের বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহ সংগঠিত করেন। তাঁরা প্রথমে চামদো ও পরে লাসা আক্রমণের পরিকল্পনা করেন।[৫]

ফলাফল[সম্পাদনা]

তিব্বত সরকার স্পোম-ম্দা'-ত্শাং (ওয়াইলি: spom mda' tshang) পরিবারের ওপর প্রথমে নিষেধাজ্ঞা জারী করে তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করে, কিন্তু পরে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করা হয়। তিব্বতী উলের প্রধান রপ্তানিকারক এই পরিবারকে শাস্তিপ্রদান করা হলে সরকারী কোষাগারে অর্থলাভের সম্ভাবনা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় রফার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই মধ্যস্থতার ফলে পরিবারটি বিদ্রোহকে আর বাড়তে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বিদ্রোহ বিফল হলে স্পোম-ম্দা'-ত্শাং-রাব-দ্গা' কালিম্পং পালিয়ে যান।[২]:৯৬

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Michel Peissel, Les Cavaliers du Kham, guerre secrète au Tibet, Robert Laffont, Paris, 1972
  2. Arpi, Claude। "The Karma of Tibet" (PDF)। পৃষ্ঠা 96। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১৪ 
  3. Epstein, Lawrence, সম্পাদক (২০০২)। Khams Pa Histories: Visions of People, Place and Authority: PIATS 2000: Tibetan Studies: Proceedings of the Ninth Seminar of the International Association for Tibetan Studies, Leiden 2000। Brill's Tibetan Studies Library, Volume 2/4 (illustrated সংস্করণ)। Brill। পৃষ্ঠা 105। আইএসবিএন 90-04-12423-3। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-২৭ 
  4. Melvyn C., Goldstein (১৯৮৯)। A History of Modern Tibet, 1913-1951: The Demise of the Lamaist State1। University of California Press। পৃষ্ঠা 450। আইএসবিএন 978-0-520-91176-5। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১১ 
  5. Patterson, George Neilson (১৯৯০)। Requiem for Tibet। Aurum Press। আইএসবিএন 978-1-85410-111-2 

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]