খাদিজা মুমতাজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
খাদিজা মুমতাজ
Kadeeja mumthaz.jpg
জন্ম১৯৫৫
কাত্তুর, থ্রিসুর জেলা, কেরালা, ভারত
পেশাডাক্তার, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক
ভাষামালায়ালম
জাতীয়তাভারতীয়
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসেন্ট জোসেফ কলেজ, ইরিনকালাক্কুদা
কালিকুট মেডিকেল কলেজ
সময়কাল২০০৪–বর্তমান
উল্লেখযোগ্য রচনাবলিবর্ষা, আথুরাম, মথরুকাম
উল্লেখযোগ্য পুরস্কারকেরালা সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার
২০১০ বর্ষা

খাদিজা মুমতাজ (জন্মঃ ১৯৫৫) হলেন ভারতের কেরালা রাজ্য থেকে আগত একজন মালায়ালম লেখক। তিনি পেশায় একজন মেডিক্যাল ডাক্তার এবং তার ২য় উপন্যাস "বর্ষা" এর জন্য কেরালা সাহিত্য অঙ্গনে অত্যন্ত সুপরিচিত একজন লেখক হিসেবে মর্যাদা লাভ করেন। যার স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি ২০১০ সালের কেরালা সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার জিতে নেন।

প্রাথমিক এবং ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

খাদিজা থ্রুিসুর জেলার কাত্তুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইরিনজালুক্কুদা এর সেন্ট জোসেফ কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন এবং "কালিকুট মেডিকেল কলেজ" থেকে এমবিবিএস ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপর তিনি স্ত্রীরোগবিদ্যা বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রি অর্জন এবং একজন রেজিস্টার্ড চিকিত্সক হিসেবে স্ত্রীরোগবিদ্যা এবং ধাত্রীবিদ্যার অধ্যাপক হিসেবে "কালিকুট মেডিকেল কলেজ"-এ কাজ করে আসছেন। খাদিজার সেবামূলক কাজের কঠোর পরিশ্রম শেষে কালিকুট মেডিকেল কলেজ থেকে তার বদলীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি ২০১৩ সালের জুনে সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহনের জন্য আবেদন করেন।[১]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

খাদিজা মুমতাজ ডঃ এম কে আব্দুল হামিদ এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই সুখী দম্পতির ঘরে দুইজন পুত্র সন্তান রয়েছে। একজন হলেন প্রসুন এম. কে. ও অপরজন হলেন নাবিল এম. কে।

সাহিত্য কর্মজীবন[সম্পাদনা]

মুমতাজ সর্বপ্রথম "সাপ্তাহিক চন্দ্রিকা" নামক একটি পত্রিকায় একটি ধারাবাহিক উপন্যাস হিসেবে "আথমাথিরথাংগালি মুনগিনভারন্নু" নামে প্রকাশের মাধ্যমে তার সাহিত্য কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে এটি পুর্ণাঙ্গবাবে একটি বই আকারে বের করা হয়েছে। মুমতাজের ২০০৭ সালের উপন্যাস বর্ষা প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌছান এবং জনপ্রিয়তা ও সাফল্যতার সাথে তার খ্যাতিও বেড়ে যায়।[২][৩] এটি ২০১০ সালের কেরালার সবচেয়ে সম্মাজনক পুরস্কার "কেরালা সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার" লাভ করে।[৪] মুমতাজের পরবর্তী উপন্যাস "আথুরাম" ১২তম কচি আন্তর্জাতিক বই মেলায় ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি তারিখে প্রকাশিত হয়।[৫] এই উপন্যাসটিতেও তিনি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হন।

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

  • আথামথিরথাংগালি মুনগিনভারন্নু (উপন্যাস, বর্তমান বই, কথ্যায়াম, ২০০৪)
  • বর্ষা (উপন্যাস, ডিসি বুকস, কথ্যায়াম, ২০০৭)
  • ডক্টর দাইভামাল্লা (স্মৃতিকথা, ডিসি বুকস, কথ্যায়াম, ২০০৯)
  • আধুরাম (উপন্যাস, ডিসি বুকস, কথ্যায়াম, ২০১০)
  • সরগম, সামুহাম (প্রবন্ধ, বকপয়েন্ট, কজিকোড, ২০১১)
  • বলাধিল নিন্নু ইরাঙ্গি বান্না ওরাল (ছোট গল্প, পিয়ানো প্রকাশনা, কোজ়িকোড, ২০১১)[৬]
  • মাথরুকম (বৈজ্ঞানিক সাহিত্য, ডিসি বুকস, কথ্যায়াম, ২০১২)
  • পুরুশানারিয়াথা স্থিরিমুখাঙ্গাল (প্রবন্ধ, মাতৃভূমি বুকস, কোজ়িকোড, ২০১২)

পুরস্কার[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Kurian, Jose (৬ জুন ২০১৩)। "Dr. Mumtaz calls it quit over transfer order"Deccan Chronicle। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৩ 
  2. "Barsa—a story unveiling truths" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১১ মে ২০১৩ তারিখে. DC Books. 9 March 2013. Retrieved 3 July 2013.
  3. "Writer felicitated". The Hindu. 21 January 2011. Retrieved 7 April 2012.
  4. "Sahitya Akademi fellowships, awards presented" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে. The Hindu. 13 February 2011. Retrieved 11 December 2012.
  5. "Reading habit poor in State". The Hindu. 29 January 2011. Retrieved 7 April 2008.
  6. "New publishing house ". The Hindu. 20 April 2011. Retrieved 11 December 2012.
  7. "Surendranath awards". The Hindu. 11 September 2008. Retrieved 3 July 2013.