কুয়ান্তান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
 কুয়ান্তান
প্রাদেশিক রাজধানী
 কুয়ান্তানের স্কাইলাইন
 কুয়ান্তানের পতাকা
পতাকা
 কুয়ান্তানের অফিসিয়াল সীলমোহর
সীলমোহর
 কুয়ান্তান মালয়েশিয়া-এ অবস্থিত
 কুয়ান্তান
 কুয়ান্তান
স্থানাঙ্ক: ৩°৪৯′০০″ উত্তর ১০৩°২০′০০″ পূর্ব / ৩.৮১৬৬৭° উত্তর ১০৩.৩৩৩৩৩° পূর্ব / 3.81667; 103.33333স্থানাঙ্ক: ৩°৪৯′০০″ উত্তর ১০৩°২০′০০″ পূর্ব / ৩.৮১৬৬৭° উত্তর ১০৩.৩৩৩৩৩° পূর্ব / 3.81667; 103.33333
দেশ মালয়েশিয়া
প্রদেশপেহাং প্রদেশ
প্রতিষ্ঠা১৮৫১
আয়তন
 • মোট২৯৬০ কিমি (১১৪৩ বর্গমাইল)
উচ্চতা২১.৯৫ মিটার (৭২ ফুট)
জনসংখ্যা (2010)
 • মোট৬,০৭,৭৭৮
 • জনঘনত্ব১৯২.০৯/কিমি (৪৯৭.৪৬/বর্গমাইল)
বিশেষণKuantanese
সময় অঞ্চলএমএসটি (ইউটিসি+8)
 • গ্রীষ্মকালীন (দিসস)Not observed (ইউটিসি)
পোস্টকোড25xxx, 26xxx
Mean solar timeUTC+06:46:48
ওয়েবসাইটmpk.gov.my

কুয়ান্তান হল মালয়েশিয়ার পেহাং প্রদেশের রাজধানী, প্রধান শহর ও বন্দর। এটি কুয়ান্তান নদীর মোহনায় এবং দক্ষিণ চীন সাগরের মুখে অবস্থিত। কুয়ান্তান মালয়েশিয়ার নবম বৃহত্তম শহর।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কুয়ান্তান প্রথম শতাব্দীতে চীহ-তু সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। ১১শ শতাব্দীতে এখানে ছোট ছোট বিভিন্ন সাম্রাজ্যে বিভক্ত ছিল, যেগুলো যা পেং- খেং নামে পরিচিত। এ শাসন ব্যবস্থা ১২শ শতাব্দীর সিয়ামিস গ্রহণের পুর্ব পর্যন্ত ছিল। ১৫শ শতাব্দীতে কুয়ান্তান মালাক্কা সম্রাট কর্তৃক শাসিত হয়।

সরকার[সম্পাদনা]

কুয়ান্তান মিউনিসিপাল কাউন্সিল

১৯৫৫ সাল পেহাং রাজ্য সরকারের প্রধান দপ্তরসমূহ কুয়ালা লিপিস থেকে কুয়ান্তানে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

প্রশাসনিক বিভাগ[সম্পাদনা]

কুয়ান্তান জেলা ৭টি মুকিমে বিভক্ত।[১] তা হল :

  • বেরসেরাহ
  • কুয়ালা কুয়ান্তান ১
  • কুয়ালা কুয়ান্তান ২
  • পেনোর
  • সানজাই কারাং
  • উলু কুয়ান্তান
  • উলু লেপার

কুয়ান্তান শহরের অধিকাংশ শহুরে এলাকা বেরসেরাহ ও কুয়ালা কুয়ান্তান মুকিমে অবস্থিত।

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

কুয়ান্তানের জনসংখ্যা আনুমানিক ৬০৭,৭৭৮ জন। এখানকার মোট জনসংখ্যার ৫৫% মালয়, ৩৪% চীনা, ১০% ভারতীয় এবং ১% অন্যান্য জাতিগোষ্ঠির লোক বসবাস করে। ওয়ার্ল্ড গেজেটার এর হিসাব অনুযায়ী ইস্ট কস্ট অব পেনিসুলার মধ্যে কুয়ান্তানের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি, যা হল ৩.৮৮ প্রায়।

মালয়েশিয়ার পরিসংখ্যান বিভাগ ভিত্তিক ২০১০ সালে শুমারি অনুযায়ী জাতিগোষ্ঠিসমূহ।[২]

কুয়ান্তানের জাতিগোষ্ঠি, ২০১০ আদমশুমারী
জাতিগত গোষ্ঠী জনসংখ্যা শতকরা হার
বুমিপুতেরা 334,400 55.02%
চীনা 206,888 34.04%
ভারতীয় 63,817 10.5%
অন্যান্য 1,215 0.2%
মালয়েশীয় নয় 1,458 0.24%

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কুয়ান্তানের অর্থনীতি প্রধানত পর্যটন নির্ভর। স্থানীয়ভাবে কুয়ান্তান হ্যান্ডিক্রাফট, বটিক, কেরোপক (ভাজা মাছের ক্রাকার্স) এবং লবণাক্ত মাছের জন্য বিখ্যাত। কুয়ান্তান পেহাং প্রদেশের প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক রাজধানী হিসাবে সেবা প্রদান করে। ব্যবসা ও বাণিজ্য শহরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। কাঠ শিল্প, আইসক্রিম এবং মাছ ধরা স্থানীয় অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।

পরিবহন[সম্পাদনা]

সড়কপথ[সম্পাদনা]

কুয়ান্তান কুয়ালালামপুরের সাথে ইস্ট কস্ট এক্সপ্রেসওয়ে ও কারাক এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত। কুয়ান্তানের সড়ক যোগাযোগ পূর্বে চেয়ে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, বিশেষ করে ইস্ট কস্ট এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ার পর। ইস্ট কস্ট এক্সপ্রেসওয়ে সেলানগরের গোমব্যাক থেকে শুরু হয়েছে এবং কুয়ালা তেরেংগানুর নিকটে শেষ হয়েছে। এছাড়াও কুয়ান্তান পেহাংয়ের অন্যান্য প্রধান শহরসমূহের সাথে সড়কপথে সংযুক্ত রয়েছে।

আকাশপথ[সম্পাদনা]

কুয়ান্তানে সেবাপ্রদানকারী একমাত্র বিমানবন্দর হল সুলতান হাজী আহমদ শাহ বিমানবন্দর। এটি পেহাং প্রদেশের একমাত্র বিমানবন্দর যা মালয়েশিয়া এয়ারপোর্ট বিএইচডি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। বর্তমানে কুয়ান্তান থেকে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স সিস্টেমের ফায়ারফ্লাই ও মালিন্ডো ফ্লাইট পরিচালনা করে।

সমুদ্রপথ[সম্পাদনা]

কুয়ান্তান বন্দর হল কুয়ান্তানের একটি বহুমুখী বন্দর, যা কুয়ান্তান ও সম্পূর্ণ ইস্ট কস্ট অঞ্চলকে সেবা প্রদান করে।

সিটিস্কেপ[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক[সম্পাদনা]

আরও দেখুন: মালয়েশিয়ার ভগিনী নগরসমূহের তালিকা

ভগিনী নগর[সম্পাদনা]

বর্তমানে কুয়ান্তানের একটি ভগিনী নগর রয়েছে:

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://apps.water.gov.my/jpskomuniti/dokumen/KUANTAN_PROFIL_JANUARI_2011.pdf
  2. Kewarganegaraan, Suku Bangsa, Agama dan Bahasa Sehari-hari Penduduk Indonesia Hasil Sensus Penduduk 2010। Badan Pusat Statistik। ২০১১। আইএসবিএন 9789790644175। ১০ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. Simon Khoo (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "Kuantan Port expansion to improve economic ties with China"। The Star। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]