কুক প্রণালী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কুক প্রণালী
নিউজিল্যান্ডের মানচিত্রে কুক প্রণালীর অবস্থান
নিউজিল্যান্ডের মানচিত্রে কুক প্রণালীর অবস্থান
কুক প্রণালী
নিউজিল্যান্ডের মানচিত্রে কুক প্রণালীর অবস্থান, যা তাসমান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
নিউজিল্যান্ডের মানচিত্রে কুক প্রণালীর অবস্থান
নিউজিল্যান্ডের মানচিত্রে কুক প্রণালীর অবস্থান
কুক প্রণালী
নিউজিল্যান্ডের মানচিত্রে কুক প্রণালীর অবস্থান, যা তাসমান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
স্থানাঙ্ক৪১°১৩′৪৬″ দক্ষিণ ১৭৪°২৮′৫৯″ পূর্ব / ৪১.২২৯৪৪° দক্ষিণ ১৭৪.৪৮৩০৬° পূর্ব / -41.22944; 174.48306স্থানাঙ্ক: ৪১°১৩′৪৬″ দক্ষিণ ১৭৪°২৮′৫৯″ পূর্ব / ৪১.২২৯৪৪° দক্ষিণ ১৭৪.৪৮৩০৬° পূর্ব / -41.22944; 174.48306
অববাহিকার দেশসমূহনিউজিল্যান্ড
ন্যূনতম প্রস্থ২২ কিমি (১৪ মা)
গড় গভীরতা১২৮ মি (৪২০ ফু)

কুক প্রণালী ওশেনিয়ার রাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপ ও দক্ষিণ দ্বীপকে পৃথককারী সামুদ্রিক প্রণালী। উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে দিকে বিস্তৃত প্রণালীটি পশ্চিমে তাসমান সাগরকে পূর্বদিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।[১] প্রণালীটির প্রশস্ততা পরিবর্তনশীল; এটি সর্বনিম্ন ২৩ কিলোমিটার থেকে সর্বাধিক ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রশস্ত হতে পারে।[১][২] এর গড় গভীরতা ১২৮ মিটার বা ৪২০ ফুট।[১] আনুমানিক ১৭৭০ সালে ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক সম্পূর্ণ প্রণালীটি আবিষ্কার করেন এবং তার নামে এর নামকরণ করা হয়। তিনি আরাপাওয়া দ্বীপে পাহাড়ের উপর থেকে প্রণালীটি অবলোকন করেন।[১] এর আগে ওলন্দাজ অভিযাত্রী আবেল তাসমান প্রণালীটির পশ্চিম প্রান্তে প্রবেশ করেন এবং অনুমান করেন যে এটি একটি উপসাগর। নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জাতি মাওরিদের ভাষাতে এই প্রণালীটির নাম "রাউকাওয়া সাগর"।[৩]

কুক প্রণালীর দুই তীরেই খাড়া পার্বত্য ঢালের সারি রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ দ্বীপের তীরের উপসাগরগুলি অনেক গভীর।[১] প্রণালীতে সমুদ্রস্রোত বিপজ্জনক ও এখানকার জলবায়ু প্রায়শই ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ থাকে, তাই এটি নৌযোগে অতিক্রম করা অত্যন্ত দুরূহ।[১] এখানে অনেক জাহাজডুবি ও মৃত্যু হয়েছে। ১৯০৯ সালে সবচেয়ে খারাপ দুর্ঘটনায় "পেঙ্গুইন" নামের ফেরিটি ডুবে গেলে ৭৫ জনের মৃত্যু হয়।[১] তাই নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের ওয়েলিংটন শহর থেকে দক্ষিণ দ্বীপের ব্লেনহাইম শহরে মূলত বিমানযোগে আকাশপথে কিংবা রেল ফেরির মাধ্যমে পরিবহন সম্পন্ন হয়। প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যোগাযোগের তার ও বৈদ্যুতিক তার চলে গেছে, যার দায়িত্বে আছে "ট্রান্সপাওয়ার নিউজিল্যান্ড লিমিটেড" প্রতিষ্ঠান।[৪] ১৮৬৬ সালে বৈদ্যুতিক তারগুলি স্থাপন করা হয়।[১]

ছবিতে কুক প্রণালী[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. R. W. McColl, সম্পাদক (২০১৪), Encyclopedia of World Geography, 1, Infobase Publishing, পৃষ্ঠা 862 
  2. McLintock, A H, Ed. (1966) Cook Strait from An Encyclopaedia of New Zealand, updated 18-Sep-2007. Note: This is the distance between the North Island and Arapaoa Island; some sources give a slightly larger reading of around ২৪.৫ কিলোমিটার (১৫.২ মা), that between the North Island and the South Island.
  3. "TE MOANA-O-RAUKAWA"Wellington City Libraries। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১৭ 
  4. "Cook Strait submarine cable protection zone" (PDF)। Transpower। ২০০৬। ৭ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৯