কুঁচ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
কুঁচ
Crab's eye
Abrus precatorius pods.jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
বিভাগ: Magnoliophyta
শ্রেণী: Magnoliopsida
বর্গ: Fabales
পরিবার: Fabaceae
উপপরিবার: Faboideae
গোত্র: Abreae
গণ: Abrus
প্রজাতি: A. precatorius
দ্বিপদী নাম
Abrus precatorius
L.

কুঁচ (ইংরেজি: jequirity,[১] বা Crab's eye,[১] বা rosary pea,[১] বা precatory pea or bean,[১]) (বৈজ্ঞানিক নাম: Abrus precatorius) হচ্ছে এক প্রকারের লেগিউম জাতীয় উদ্ভিদ। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-৪ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[২]

অন্যান্য নাম[সম্পাদনা]

অতীতকালে এক রতি সোনা মাপা হতো যে মাপন দিয়ে তার নাম কুঁচ বীজ। বাংলাদেশে এর আঞ্চলিক নামগুলো হচ্ছে: রতি, রত্তি, কুঁচ, কইচ গোটা। কুঁচের আরও যেসব নাম আছে সেগুলো হচ্ছে চূড়ামনি, শাঙ্গুষ্ঠা, গুঞ্জা, সৌম্যা, শিখন্ডী, কৃষ্ণলা, অরুণা, তাম্রিকা, রক্তিকা, কম্ভোজী, ভিল্লিভূষণা, মাণচূড়া। আর কুঁচের সাদা প্রজাতিটির নাম হচ্ছে শ্বেতগুঞ্জা, ভিরিন্টিকা, কাকাদনী।

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষে এটিকে সুলভ হিসেবে বলা হলেও এ উদ্ভিদ কবিরাজ বাড়ির আঙিনায় সীমাবদ্ধ। সংরক্ষণের ব্যবস্থা না হোলে অচিরেই প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাবে এই ঔষধি উদ্ভিদটি।

ভেষজ ব্যবহার[সম্পাদনা]

কুঁচ ভেষজ কাজে লাগে। কুঁচের বিষাক্ত অংশ হচ্ছে বীজ ও শিকড়। বিষক্রিয়ার ধরন হলো গর্ভপাতক, বমনকারক, রেচক ও পশুবিষ।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Wagstaff, D. Jesse (২০০৮)। International Poisonous Plants Checklist: An Evidence-Based ReferenceCRC Press। পৃ: ১। আইএসবিএন 1420062522। সংগৃহীত অক্টোবর ৭, ২০১২ 
  2. বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জুলাই ১০, ২০১২, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পৃষ্ঠা-১১৮৫৩৯

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]