কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়
কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়
প্রাক্তন নামসমূহ
কিশোরগঞ্জ হাই স্কুল
নীতিবাক্যশৃঙ্খলা বোধ ও চরিত্র গঠনই শিক্ষার লক্ষ্য
ধরনসরকারী বিদ্যালয়
স্থাপিত১৮৮১ (1881)
অধ্যক্ষমোহাম্মদ কবীর চৌধুরী (ভারপ্রাপ্ত)
শিক্ষার্থী১২০০+[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
ঠিকানা
কাচারী বাজার, কিশোরগঞ্জ
, ,
শিক্ষাঙ্গন৩.৫ একর
ভাষাবাংলা মাধ্যম
সংক্ষিপ্ত নামকিসবাউবি
ওয়েবসাইটkgbhs.edu.bd

কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কিশোরগঞ্জ জেলার কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় অবস্থিত। বিদ্যালয়টি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে স্কুলটিতে দুই শিফটে প্রায় ১২০০ শিক্ষার্থী ও ৫০ জন শিক্ষক রয়েছেন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৮১ সনে প্রতিষ্ঠিত শত বৎসরের পুরাতন কিশোরগঞ্জ হাই স্কুল পরবতীতে ১৯৪১ সনে কিশোরগঞ্জ রামানন্দ ইউনিয়ন হাই স্কুল নামকরণ করা হয় । ০১-০১-১৯৬৭ সনে প্রাদেশিকীকরণ করার পর বিদ্যালয়ের নাম কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় রাখা হয় । বিদ্যালয় হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন , যা মূলত শিক্ষাদানের কেন্দ্র , যেখানে শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থী পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে জ্ঞানলাভ করে থাকে । বিদ্যালয় সব সময়ই দালানকোঠায় আবদ্ধ হবে এমন নয় , বরং একজন শিক্ষক, কিছু পরিমান শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাসহায়ক পরিবেশই বিদ্যালয় হবার জন্য যথেষ্ট । বিদ্যালয় সাধারণত তাত্ত্বিক জ্ঞান বিতরণ করে । বিদ্যালয় নির্দিষ্ট পাঠক্রমের অধীনে পরিচালিত হয় এবং বিদ্যালয়ে পঠনের জন্য পাঠ্যপুস্তক থাকে । বিদ্যালয় সকল পাঠসহায়ক পরিবেশকে বোঝায় বলে স্কুল , কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয় সবকিছুর সাধারণ নামই বিদ্যালয় । কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়টি কিশোরগঞ্জপৌরসভার মধ্যে অবস্থিত

শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রম[সম্পাদনা]

লেখাপড়ার পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রমকেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। এ কারণে প্রতিবছর মাধ্যমিক পরিক্ষায় ভালো ফল অর্জনের পাশাপাশি দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় এ কলেজের ছাত্ররা বরাবরই ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করে আসছে।

ক্রীড়া[সম্পাদনা]

অত্র প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যালয়ের জন্মলগ্ন থেকেই স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্রীড়া ও খেলাধুলায় বিশেষ সুনাম অর্জন করে আসছে।

সাংস্কৃতিক[সম্পাদনা]

সাংস্কৃতিক উন্নয়নে অত্র প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত সুপরিচিত। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অসংখ্যবার শ্রেষ্ঠত্বের সুনাম বয়ে এনেছে।

ধর্মচর্চা[সম্পাদনা]

সকল ধর্মাবলম্বী ছাত্রদেরই নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা এই বিদ্যালয়ে রয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অডিটোরিয়াম ভবনের দুতলায় সকল ধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রার্থনা কক্ষ এবং ওজুখানা রয়েছে। এছাড়া, বিদ্যালয়ে একটি পাঠাগার রয়েছে। সেখানে সকল ধর্মের পুস্তকাদি সংরক্ষিত রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]