কই

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

কৈ
Anabas testudineus.png
কৈ মাছ
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: কর্ডাটা
শ্রেণী: Actinopterygii
বর্গ: Perciformes
উপবর্গ: Anabantoidei
পরিবার: Anabantidae
গণ: Anabas
Species

টেমপ্লেট:Btname
টেমপ্লেট:Btname

কই বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের খুব সুস্বাদু মাছগুলোর অন্যতম। বর্তমানে এটি খুব দামী মাছ হিসাবে পরিচিত।

শ্রেনীবিন্যাস[সম্পাদনা]

বৈজ্ঞানিক নাম Anabas cobojius। মাছটিকে ইংরেজিতে Gangetic koi বলে। এটি Anabantidae পরিবারের অন্তর্গত। এটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় মাছ।

বাসস্থান[সম্পাদনা]

এটি মিষ্টি জলের মাছ। সাধারণত নদী, খাল এবং বিলে পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে পুকুরেও চাষ করা যায়।

চাষ পদ্ধতি[সম্পাদনা]

দেশী কই মাছের চাষ পদ্ধতি খুব সহজ নয়। দেশী কই পুকুরে চাষ সম্ভব হলেও তা লাভজনক নয়। চার মাসে থাই কৈ-এর বৃদ্ধি যেখানে ৮০ থেকে ১০০ গ্রাম পর্যন্ত হয় সেখানে দেশী কৈ-এর বৃদ্ধি হয় মাত্র ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম।

পুকুর নির্বাচন ও পুকুর প্রস্তুতি

• ছোট বড় সব পুকুরেই চাষ করা যায় তবে পুকুরের আয়তন ২০-২৫ শতাংশ এবং গভীরতা ১.০-১.৫ মিটার হলে ভালো হয়।

• পুকুরের পাড় মেরামত, কিছু জলজ আগাছা সংরৰণ ও বার বার জাল টেনে রাক্ষুসে মাছ অপসারণ করতে হবে।

• প্রতি শতাংশে ১ কেজি চুন প্রয়োগের ৪-৫ দিন পর শতাংশ প্রতি ৮-১০ কেজি গোবর, ১০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম টিএসপি সার প্রয়োগ করতে হবে।

• কৈ মাছ যাতে পুকুর থেকে উঠে যেতে না পারে সে জন্য বাঁশের তৈরী বেড়া বা নাইলনের নেট দিয়ে পুকুরের চার দিকে বেড়া দিতে হবে। একই সাথে এই বেড়া সাপ, গুঁইসাপ, ব্যাঙ, বেজী, উদ প্রতিরোধ করে।

পোনা মজুদ, খাদ্য প্রয়োগ ও উৎপাদন

• প্রাকৃতিক উৎস বা হ্যাচারী থেকে সুস্থ্য ও সবল পোনা সংগ্রহ করে প্রতি শতাংশে ২৫০-৩০০ টি পোনা মজুদ করা যায়।

• পোনা মজুদের পর মাছের দেহ ওজনের শতকরা ৬-৮ শতাংশে হারে ৩৫-৪০ শতাংশ আমিষযুক্ত সম্পূরক খাবার দিনে ৩ বার দিতে হবে। এ জন্য সকাল, দুপুর ও বিকেলে দিতে হবে।

• যথাযথ নিয়মে পরিচর্যা করলে ৬ মাসের মধ্যে কৈ মাছ গড়ে ৪০-৫০ গ্রাম হয় এবং প্রতি শতাংশে ৮-১০ কেজি উৎপাদন পাওয়া যায়।

অর্থনৈতিক গুরুত্ব[সম্পাদনা]

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে কই মাছের প্রচুর চাহিদা রয়েছে এবং সুস্বাদু বটে। চাষাবাদ পদ্ধতি পরিবর্তেন মাধ্যে প্রতি বছর প্রচুর কই মাছ উৎপাদন সম্ভব। যা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে অর্থনীতিকে করবে সতেজ।

রন্ধনপ্রণালী[সম্পাদনা]

সাধারণত মাছ যেভাবে রান্না করা হয়, এই মাছও সেইভাবেই রান্না করা যায়। আরো সুস্বাদুভাবে রান্না করার জন্য নিম্নে বর্ণিত রন্ধনপ্রণালী দেখে নিতে পারেন।

দুই ধরনের কই মাছ রান্না বা কই মাছের ঝোল !!

সংগ্রহ সময়: ৫ মিনিট.রান্নার সময়: ১৫ মিনিট.মোট সময়: ২০ মিনিট.

পরিবেশন করুন ২ জনের জন্য.

Ingredients: উপকরণ:

১ কাপ পেঁয়াজ পেস্ট .লবণ স্বাদ মত.২ টে; চামচ তেল .২ কাপ পানি.ধনে পাতা কাটা.

৩ টি কাঁচা মরিচ চিরা.২ টি কই মাছ.১/4 চা চামচ জিরা গুঁড়া.১/২ চা চামচ আদা, রসুন বাটা.লবণ স্বাদ মত.১/২ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো.১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়া.১/২ চা চামচ ধনে গুঁড়া.

Method: পদ্ধতি:

1. মাছের আঁশ ফেলে, কাটুন. মাছের সব টুকরা পরিষ্কার করুন.

2. একটি বাটিতে সামান্য লবণ, মরিচ ও হলুদ গুঁড়ার সঙ্গে মাছ সমানভাবে মিশ্রিত করুন.

3. চুলাতে ১টি বৃহৎ প্যানের মধ্য ১ টেবিল চামচ তেল দিন এবং মাছের উভয় পাশ ভাল করে ভাজুন.

4. কম তাপের উপর একটি কড়াইতে বাকি তেল দিয়ে কম তাপে আদা, রসুন ,পেঁয়াজ পেস্ট িদয়ে ভাল করে নাড়ুন.

5.মরিচ, হলুদ গুঁড়া, লবণ দিয়ে নাড়ুন.

6. পানি দিয়ে ভাল করে নাড়ুন.

7. পানি ফুটতে শুরু হলে মাছ , কাঁচা মরিচ দিন এবং কয়েক মিনিটের জন্য ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন.

8. ঢাকনা খুলুন জিরা গুঁড়া, ধনে পাতা দিয়ে কম তাপের উপর আরো ৫ মিনিটের জন্য রান্না করুন.

9. ভাত,পোলাউ বা রুটি দিয়ে পরিবেশন করুন.

Method 2: পদ্ধতি ২:সংগ্রহ সময়: ৫ মিনিট.রান্নার সময়: ১৫ মিনিট.

মোট সময়: ২০ মিনিট.পরিবেশন করুন ৩ জনের জন্য.Ingredients: উপকরণ:

৫-৬ টি কাঁচা মরিচ চিরা.তিনটি ভাজা কই মাছ.১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়া.

2 বড় পেঁয়াজ, কাটা.১ চা চামচ আদা, রসুন বাটা.লবণ স্বাদ মত.

১/২ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো.১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়া.১/২ চা চামচ ধনে গুঁড়া.

২ টে; চামচ তেল .২ কাপ পানি.হাফ কাপ পেঁয়াজ বেরেসতা.১/২ চা চামচ চিনি.

Method: পদ্ধতি:

1. একটি প্যান এ তেল গরম করুনএবং চিনি দিয়ে পেঁয়াজকে সুবর্ণ বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভাজুন .

2. আদা, রসুন পেস্ট িদয়ে ভাল করে নাড়ুন.

3.মরিচ, হলুদ গুঁড়া, কাঁচা মরিচ, লবণ দিয়ে নাড়ুন এবং পানি িদন.

4.পানি ফুটতে শুরু হলে মাছ , কাঁচা মরিচ দিন এবং কয়েক মিনিটের জন্য ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন.

5. ঢাকনা খুলুন পেঁয়াজ বেরেসতা, জিরাগুড়ো দিয়ে কম তাপের উপর আরো ৫ মিনিটের জন্য রান্না করুন.

6. ভাত,পোলাউ বা রুটি দিয়ে পরিবেশন করুন.

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্য সূত্র[সম্পাদনা]

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd http://www.ais.gov.bd