ওরিয়েন্টাল বামন মাছরাঙা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

উদয়ী বামন মাছরাঙা
Ceyx erithaca.JPG
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: কর্ডাটা
শ্রেণী: পক্ষী
বর্গ: Coraciiformes
পরিবার: Alcedinidae
গণ: Ceyx
প্রজাতি: C. erithaca
দ্বিপদী নাম
Ceyx erithaca[২]
(Linnaeus, 1758)
প্রতিশব্দ
  • Ceyx tridactylus
  • Ceyx erithacus (Linnaeus, 1758)
  • Ceyx microsoma
  • Ceyx rufidorsa (Strickland, 1847)

উদয়ী বামন মাছরাঙা (Ceyx erithaca) এছাড়াও যারা কালো-পিঠ মাছরাঙা অথবা তিন-পায়ী মাছরাঙা নামে পরিচিত হল একধরনের পাখি প্রজাতি যারা প্রধানত মাছরাঙা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।[৩]

এরা অত্যন্ত ছোটো আকারের, লাল ও হলুদ রঙ বিশিষ্ট মাছরাঙা, এদের গড় দৈর্ঘ্য হয় ১৩ সেমি (৫.১ ইঞ্চি), দেহের নীচের অংশ হয় হলুদ রঙের এবং উজ্জ্বল নীলচে কালো রঙের পিঠ। এরা প্রধানত নিন্মভূমির জঙ্গলে বসবাস করতে পছন্দ করে থাকে। প্রধানত এদেরকে দেখতে পাওয়া যায় ভারতীয় উপমহাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এর বিভিন্ন অঞ্চলে। এদেরকে পাওয়া যায় বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড প্রভৃতি দেশে।

এদেরক পছন্দসয়ী বসবাসের জায়গা হল ছোটো ছোতো জলপ্রপাতের পাশে ঘন জঙ্গলে।[৪] দক্ষিণপশ্চিম ভারতের কোঙ্কণ অঞ্চলে এদেরকে দেখতে পাওয়া যায়, এদের প্রধান প্রজনন শুরু হয় দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি অঞ্চলে জুন মাসে। এদের বাসা প্রধানত ১ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এরা প্রধানত ৪ থেকে ৫ টা ডিম পাড়ে এবং ১৭ দিনে উভয় পুরুষ এবং মহিলা ডিমে তা দেবার পরেই বাচ্চা হয়। এরা ২০ দিন পরে বাসা থেকে বেরোয় এবং উড়তে শেখে। বাচ্ছারা প্রধানত ব্যাং, কাঁকড়া, শামুক, গঙ্গাফড়িং ইত্যাদি খেয়ে বেঁচে থাকে।[৫] লাল পিঠ মাছারাঙা দের অনেক্সময় এদের উপজাতি বলে ধরা হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. BirdLife International (২০১২)। "Ceyx erithaca"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2012.1প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১৬, ২০১২ 
  2. David N & Gosselin M. 2000. "The supposed significance of originally capitalized species-group names." BBOC. 120(4):262 note that erithaca is the correct ending but erithacus is claimed to be correct in Handbook of the Birds of the World
  3. Ali, S. (১৯৯৩)। The Book of Indian Birds। Bombay: Bombay Natural History Society। আইএসবিএন 0195637313 
  4. Schaunesee, de Rodolphe Meyer & S D Ripley (১৯২৯)। "Zoological results of the George Vanderbilt Sumatran expedition, 1936-1939. Part 3- Birds from Nias Island"। 91Proceedings of The Academy of Natural Sciences: 399–414। 
  5. Palkar, SB, Katdar VD, Lovalekar RJ, Mone RV & VV Joshi (২০০৯)। Breeding biology of Oriental Dwarf Kingfisher Ceyx erythaca4। Indian Birds। পৃষ্ঠা 98–103।