বিষয়বস্তুতে চলুন

এলমার রাইস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এলমার রাইস
আনু. ১৯২০ সালে রাইস
আনু. ১৯২০ সালে রাইস
স্থানীয় নাম
ইংরেজি: Elmer Rice
জন্মএলমার লিওপল্ড রাইজেনস্টাইন
(১৮৯২-০৯-২৮)২৮ সেপ্টেম্বর ১৮৯২
নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যু৮ মে ১৯৬৭(1967-05-08) (বয়স ৭৪)
সাউদাম্পটন, হ্যাম্পশায়ার, ইংল্যান্ড
পেশানাট্যকার
শিক্ষানিউ ইয়র্ক ল স্কুল (এলএলবি)
দাম্পত্যসঙ্গীহ্যাজেল লেভি (বি. ১৯১৫–১৯৪২)
বেটি ফিল্ড (বি. ১৯৪২–১৯৫৬)
সন্তান

এলমার রাইস (ইংরেজি: Elmer Rice; জন্ম: এলমার লিওপল্ড রাইজেনস্টাইন; ২৮ সেপ্টেম্বর ১৮৯২ - ৮ মে ১৯৬৭) একজন মার্কিন নাট্যকার ছিলেন। তার রচিত বিখ্যাত নাটক দি অ্যাডিং মেশিন (১৯২৩) ও স্ট্রিট সিন (১৯২৯)। দ্বিতীয়োক্ত নাটকের জন্য তিনি পুলিৎজার পুরস্কার অর্জন করেন।[]

প্রারম্ভিক জীবন

[সম্পাদনা]

রাইস ১৮৯২ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক সিটির ১২৭ পূর্ব ৯০তম স্ট্রিটে জন্মগ্রহণ করেন। তার পূর্ণনাম এলমার লিওপল্ড রেইজেনস্টাইন।[][][] তার দাদা জার্মান রাজ্যে ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের একজন রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন। সেই রাজনৈতিক অস্থিরতার ব্যর্থতার পর তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান, এবং সেখানে তিনি একজন ব্যবসায়ী হয়ে ওঠেন। তিনি তার অবসরের বেশিরভাগ সময় রাইস পরিবারের সাথে কাটান এবং এসময় তার নাতি এলমারের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এলমার পরবর্তীকালে রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত লেখক হন এবং তার দাদার মত উদার ও শান্তিবাদী রাজনীতির মতাদর্শী হন। তার দাদা একজন কট্টর নাস্তিক ছিলেন এবং সেটি ধর্মবিশ্বাসের ব্যাপারে এলমারের অনুভূতিতে প্রভাবিত করতে পারে, কারণ তিনি হিব্রু স্কুলে পড়তে বা বার মিৎজভা করতে অস্বীকার করেছিলেন। অন্যদিকে, রাইসের বাবার সাথে তার সম্পর্ক দূরত্ব ছিল। তিনি তার আত্মজীবনীতে লিখেন, তার বাবার স্নেহ ও মনোযোগের যে ঘাটতি ছিল তা তার দাদা ও তার চাচা উইল, যারা উভয়েই পরিবারের সাথে থাকতেন, পূরণ করেছিলেন। রাইস তার কৈশোরের বেশিরভাগ সময় বই পড়ে কাটিয়েছেন, যা তার পরিবারের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল এবং পরে তিনি পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন, "লাইব্রেরিতে যোগদানের সহজ কাজটির চেয়ে আমার জীবনে আর কিছুই বেশি সহায়ক হয়নি।"

সৃষ্টিকর্ম

[সম্পাদনা]

মঞ্চনাটক

[সম্পাদনা]
  • আ ডিফ্লেকশন ফ্রম গ্রেস (১৯১৩, অপ্রকাশিত; ফ্রাঙ্ক হ্যারিসের সাথে যৌথভাবে)
  • দ্য সেভেনথ কমান্ডমেন্ট (১৯১৩, অপ্রকাশিত; ফ্রাঙ্ক হ্যারিসের সাথে যৌথভাবে)
  • দ্য পাসিং অব চো-চো (১৯১৩, একাঙ্ক; ১৯২৫ সালে প্রকাশিত)
  • অন ট্রায়াল (১৯১৪; ফ্রাঙ্ক হ্যারিসের সাথে যৌথভাবে)
  • দি আয়রন ক্রস (১৯১৭)
  • দ্য হোম অব দ্য ফ্রি (১৯১৮)
  • ফর দ্য ডিফেন্স (১৯১৯)
  • ইট ইজ দ্য ল (১৯২২)
  • দি অ্যাডিং মেশিন (১৯২৩)
  • দ্য মংরেল (১৯২২; হারমান বারের উপন্যাস অবলম্বনে)
  • ক্লোজ হারমনি (১৯২৪; ডরথি পার্কারের সাথে যৌথভাবে)
  • দ্য সাইডওয়াকস অব নিউ ইয়র্ক (১৯২৫; ১৯৩৪ সালে থ্রি প্লেস উইদাউট ওয়ার্ডস নামে প্রকাশিত)
  • ইজ হি গিলটি? (১৯২৭)
  • ওয়েক আপ, জোনাথন (১৯২৮; হ্যাচার হিউজের সাথে যৌথভাবে)
  • দ্য গে হোয়াইট ওয়ে (১৯২৮)
  • কক রবিন (১৯২৯; ফিলিপ ব্যারির সাথে যৌথভাবে)
  • স্ট্রিট সিন (১৯২৯; পরিচালনাও করেন)
  • দ্য সাবওয়ে (১৯২৯)
  • সি নেপলস অ্যান্ড ডাই (১৯৩০; পরিচালনাও করেন)
  • দ্য লেফট ব্যাংক (১৯৩১; পরিচালনাও করেন)
  • কাউন্সেলর-অ্যাট-ল (১৯৩১; পরিচালনাও করেন)
  • দ্য হাউজ ইন ব্লাইন্ড অ্যালে: আ প্লে ইন থ্রি অ্যাক্টস (১৯৩২)
  • উই, দ্য পিপল (১৯৩৩; পরিচালনাও করেন)
  • জাজমেন্ট ডে (১৯৩৪; পরিচালনাও করেন)
  • টু প্লেস (১৯৩৫)
  • ব্ল্যাক শিপস (১৯৩৮; পরিচালনাও করেন)
  • আমেরিকান ল্যান্ডস্কেপ (১৯৩৮; পরিচালনাও করেন)
  • টু অন অ্যান আইল্যান্ড (১৯৪০; পরিচালনাও করেন)
  • ফ্লাইট টু দ্য ওয়েস্ট (১৯৪০; পরিচালনাও করেন)
  • দ্য ট্যালি মেথড (১৯৪১; পরিচালনাও করেন)
  • আ নিউ লাইফ (১৯৪৪)
  • ড্রিম গার্ল (১৯৪৬; পরিচালনাও করেন)
  • দ্য গ্র‍্যান্ড টুর (১৯৫২; পরিচালনাও করেন)
  • দ্য উইনার (১৯৫৪; পরিচালনাও করেন)
  • কিউ ফর প্যাশন (১৯৫৯; পরিচালনাও করেন)
  • লাভ অ্যামং দ্য রুইনস (১৯৬৩)
  • কোর্ট অব লাস্ট রিজোর্ট (১৯৬৫)

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "PAL: Elmer Rice (1892-1967)"paulreuben.website। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০২৪
  2. রাইস, এলমার (১৯৬৩)। Minority Report। নিউ ইয়র্ক: সিমন অ্যান্ড শুস্টার।
  3. ডারহাম, ফ্র্যাঙ্ক (১৯৭০)। Elmer Rice। কার্বনডেল, ইলিনয়: সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি প্রেস।
  4. পালমিরি, অ্যান্থনি (১৯৮০)। Elmer Rice: A Playwright's Vision of America। ম্যাডিসন, নিউ জার্সি: ফারলেই ডিকিনসন ইউনিভার্সিটি প্রেস।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]