এয়ারক্রাফট স্পটিং

এয়ারক্রাফট স্পটিং অথবা প্লেন স্পটিং হলো একধরনের শখের বহিঃপ্রকাশ, যা এয়ারক্রাফট চলাচলের ছবি তুলে রাখার মাধ্যমে করা হয়। এর পাশাপাশি প্লেন স্পটাররা এয়ারক্রাফট সমূহ নজরদারি করার মাধ্যমে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের গন্তব্য এবং তাদের আন্তঃযোগাযোগের রেকর্ড লিপিবদ্ধ করে থাকে।
ইতিহাস ও বিবর্তনপ্রক্রিয়া
[সম্পাদনা]আবিষ্কারের শুরু থেকেই এভিয়েশনে আগ্রহী ব্যক্তিরা এরোপ্লেন ও এয়ারক্রাফট সমূহ দেখে আসছেন। যদিওবা বিংশ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত প্লেন স্পটিং এর শখকে অতটা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হত না।
প্রযুক্তির উন্নতি সাধন এবং বৈশ্বিক তথ্য সংগ্রহের কারণে প্লেন স্পটিং এ বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] পয়েন্ট এন্ড শুট, ডিএসএলআর ক্যামেরা এবং ওয়াকিটকি এই শখের কাজে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। ইন্টারনেট এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সাহায্যে স্পটাররা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের যেকোনো এয়ারক্রাফটের তথ্য জানতে পারছে। এয়ারক্রাফট এর জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট যেমন এয়ারলাইন্স.নেট এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন টুইটার, ইন্সট্রাগ্রাম প্লেন স্পটারদেরকে তাদের তোলা এয়ারক্রাফট এর ছবি আপলোড করার সুবিধা দিয়ে থাকে, যাতে বিশ্বের অন্যান্য লোকেরা তা দেখার সুযোগ পায়।
কৌশল
[সম্পাদনা]
স্পটিং করার সময় স্পটাররা এয়ারক্রাফট এর মূল কয়েকটি বিষয়ের উপর নজর দেয় যেমন, বিমানের ইঞ্জিনের আওয়াজ, ইঞ্জিন থেকে কয়টি বাষ্প বের হলো ইত্যাদি। স্পটাররা এয়ারক্রাফট এর সাইজ, সেগুলোর নাম্বার এবং ইঞ্জিনের অবস্থা এসব বিষয় সম্পর্কে অবহিত থাকে। স্পটিং এর আরেকটি বিষয় হলো বিমানের পাখা, যেটা বিমানে দেহের মূল কাঠামোর সাথে যুক্ত থাকে। বিমানের পাখা মূল কাঠামোর উপরে, নিচে কিংবা একেবারে মাঝখানে অবস্থান করতে পারে। বিমানের মোট পাখার সংখ্যা দিয়ে সহজেই বোঝা যায় সেটি বাই-প্লেন নাকি টাইল-প্লেন। টাই-প্লেনের অবস্থান সাধারনত বিমানের পাখার সাহায্যে নির্ণয় করা হয়ে এর পাশাপাশি ল্যান্ডিং গিয়ার এর অবস্থান স্পটারদের নিকট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।[১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Landing Gear Configuration: Tricycles Versus Taildraggers ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ জুলাই ২০১৬ তারিখে, Disciples of Flight, October 11, 2014
| বিমানচালনা বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |