বিষয়বস্তুতে চলুন

এক্লাম্পসিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এক্লাম্পসিয়া
বিশেষত্বধাত্রীবিদ্যা
লক্ষণখিঁচুনি, উচ্চ রক্তচাপ []
জটিলতাঅ্যাসপিরেশন নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ, বৃক্কীয় অক্ষমতা, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া।[]
রোগের সূত্রপাতগর্ভধারণের ২০ সপ্তাহ পরে।[]
ঝুঁকির কারণপ্রি-এক্লাম্পসিয়া[]
প্রতিরোধঅ্যাসপিরিন, পরিপূরক খাদ্য হিসেবে ক্যালসিয়াম খাওয়া, পূর্ববর্তী উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা করা।[][]
চিকিৎসাম্যাগনেশিয়াম সালফেট, হাইড্রালাজিন, জরুরি সন্তান প্রসব।[][]
আরোগ্যসম্ভাবনামৃত্যুর ঝুঁকি ১%।[]
সংঘটনের হার১.৪% সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে।[]
মৃতের সংখ্যা৪৬,৯০০ গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপজনিত রোগসমূহ (২০১৫)[]

এক্লাম্পসিয়া(ইংরেজি: Eclampsia) প্রি-এক্লাম্পসিয়ায় আক্রান্তগর্ভবতী মহিলাদের খিঁচুনি হওয়াকে এক্লাম্পসিয়া বলে।[] প্রি-এক্লাম্পসিয়া হলোগর্ভবতী মহিলাদের এমন এক রোগ যেখানে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং হয় প্রস্রাবেরসাথে প্রচুর প্রোটিন নির্গত হয় নতুবা অন্যান্য অঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়।[][] এটা শুরু হতে পারে সন্তান প্রসবের পূর্বে, প্রসবের সময় বা এর পরে।[] প্রায়শ এটা গর্ভাবস্থার দ্বিতীয়ার্ধে ঘটে।[] টনিক-ক্লনিক ধরনের খিঁচুনি হয় যা প্রায় এক মিনিট স্থায়ী হয়।[] খিঁচুনির পরে সাধারণত চিত্তবিভ্রম বা গাঢ় নিদ্রাচ্ছন্নতা ঘটে।[] জটিলতাসমূহের মধ্যে রয়েছে অ্যাসপিরেশন নিউমোনিয়া,মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ,বৃক্কীয় অক্ষমতা,হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধহয়ে যাওয়া ইত্যাদি। [] গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপজনিত অনেক রোগরয়েছে, এক্লাম্পসিয়া ও প্রি-এক্লাম্পসিয়া তারই অংশ।[]

উচ্চ ঝুঁকিতে যারা রয়েছে তাদের অ্যাসপিরিন খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, এছাড়া পরিপূরক খাদ্য হিসেবে ক্যালসিয়াম খাওয়া, পূর্ববর্তী উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা করার মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করার সুপারিশ করা হয়।[][] গর্ভাবস্থায় শারীরিক ব্যায়াম কিছুটা উপকারী হতে পারে।[] শিরাপথে বা মাংসপেশিতে ম্যাগনেশিয়াম সালফেটের ব্যবহার এক্লাম্পসিয়াতে ফলদায়কও নিরাপদ।[][] এটা উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয়দেশের জন্যই সত্য।[] অন্যান্য চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ যেমন হাইড্রালাজিনের প্রয়োগ ও জরুরি ভিত্তিতে যোনিপথে বা সিজারিয়ান সেকশন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসব করানো।[]

প্রি-এক্লাম্পসিয়া হয় ৫% ক্ষেত্রে ও এক্লাম্পসিয়া হয় প্রায় ১.৪% ক্ষেত্রে।[] উন্নত বিশ্বে উন্নত চিকিৎসাসেবার কারণে এর হার অনেক কম। সেখানে প্রায় প্রতি ২০০০ সন্তান প্রসবে একবার এই ঘটনা ঘটে।[] গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপজনিত রোগই হল গর্ভকালীন মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। [১০] ২০১৫ সালে এই রোগে প্রায় ৪৬,৯০০ জনের মৃত্যু হয়।[] এক্লাম্পসিয়ায় আক্রান্ত মহিলাদের মধ্যে প্রায় এক শতাংশ মৃত্যুবরণ করে।[] এক্লাম্পসিয়া শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক ভাষা থেকে সেখানে এর অর্থ বিজলি চমক বা বজ্র।[১১] খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে হিপোক্রেটিস প্রথম এই রোগের বর্ণনা দেন।[১১]

উপসর্গসমূহ

[সম্পাদনা]
পাকস্থলীর বিভিন্ন অঞ্চল বা চতুর্থাংশের নকশা, এর মাধ্যমে ডানদিকের ঊর্ধ্ব চতুর্থাংশ বা এপিগ্যাস্ট্রিক অঞ্চলের অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব যেখানে এক্লাম্পসিয়ায় ব্যথা হয়।

এক্লাম্পসিয়া গর্ভকালীন একটি সমস্যা যেখানে প্রি-এক্লাম্পসিয়ায় আক্রান্তগর্ভবতী মায়েদের খিঁচুনি হয়।[১২] সাধারণত খিঁচুনির পূর্বে গর্ভবতী মহিলাদের উচ্চ রক্তচাপও প্রোটিনিউরিয়া(প্রসাবের মাধ্যমে প্রোটিন বের হওয়া) হয়।[১৩]

  • দীর্ঘস্থায়ী(অবিরাম) মাথাব্যথা।
  • চোখে ঝাপসা দেখা।
  • ফটোফোবিয়া (অর্থাৎ উজ্জ্বল আলোতে অস্বস্তি)
  • পেটব্যথা
    • হয় এপিগ্যাস্ট্রিক অঞ্চলে (নাভির উপরে উদরের মধ্যভাগ)
    • এবং/অথবা ডানদিকের ঊর্ধ্ব চতুর্থাংশে বা ডানদিকের বক্ষপিঞ্জরের নিচে
  • পরিবর্তিত মানসিক অবস্থা(চিত্তবিভ্রম)

এই উপসর্গগুলোর যেকোনোটি খিঁচুনির পূর্বে বা পরে ঘটতে পারে।[১৪] আবার এগুলোর কোনোটিই ঘটবে না এমনও হতে পার। অন্যান্য মস্তিষ্কের লক্ষণসমূহ যেমন বমনেচ্ছা, বমন, মাথাব্যথা ও অন্ধত্ব ঠিক খিঁচুনির পূর্বমুহূর্তে হতে পারে। বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্ষমতানষ্ট হলে আরো অনেক লক্ষণ প্রকাশ পায় যেমন পেটব্যথা, জন্ডিস, ঘনঘন শ্বাস ও প্রস্রাবের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া।

প্রারম্ভ

[সম্পাদনা]

এক্লাম্পসিয়ার খিঁচুনি সাধারণত গর্ভকালীন ও সন্তান প্রসবের পূর্বে হয়ে থাকে তবে তা প্রসববেদনা ও প্রসবের সময় বা সন্তান প্রসবের পরেও হতে পারে।[১২][১৪][১৫] যদি সন্তান প্রসবের পরে খিঁচুনি হয় তাহলে তা সাধারণত প্রসবের প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হয় তবে কখনো কখনো তা সন্তান প্রসবের ৪ সপ্তাহ পরেও হতে পারে।[১২][১৪]

জটিলতাসমূহ

[সম্পাদনা]

এক্লাম্পসিয়ার ক্ষেত্রে গর্ভধারিণী মা ও গর্ভস্থ সন্তান উভয়েরই ঝুঁকি থাকে।এক্লাম্পসিয়ায় আক্রান্ত মায়েদের গর্ভের সন্তান স্বাভাবিকের তুলনায় ধীর গতিতে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় ফলে সন্তান গর্ভধারণ সময়ের তুলনায় আকারে ছোট হয় অথবা কম ওজন নিয়ে জন্মায়।[১৬] এক্লাম্পসিয়াতে অমরা বা গর্ভফুলেও সমস্যা হয়।গর্ভফুল হতে রক্তক্ষরণ হতে পারে অথবা এটা জরায়ু প্রাচীর হতে পৃথক হওয়া শুরু হতে পারে।[১৭] সন্তান প্রসবের সময় গর্ভফুল জরায়ু প্রাচীর হতে আলাদা হয়ে যাওয়া একটি স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু প্রসবের পূর্বে গর্ভফুল খসে পড়া অস্বাভাবিক এবং গর্ভস্থ সন্তানের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ।[১৮] এই রোগে গর্ভফুলের রক্তসরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে ভ্রূণে অক্সিজেন ও পুষ্টির ঘাটতি হয় ফলে ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।[১৭] খিঁচুনির সময় ভ্রূণের হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে মন্থর হয়ে যায়।[১৬][১৯] এই জটিলতাগুলোর যেকোনোটি ঘটলে তা ভ্রূণের জন্য বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়।যদি ভ্রূণ বা মায়ের স্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেক বেশি হয় তাহলে ৪০ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা না করে দ্রুত বাচ্চা প্রসব করানো নিরাপদ হতে পারে।[১৭][২০] এক্লাম্পসিয়ার ফলে মায়েদের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা হয় যেমন চোখে ঝাপসা দেখা, এক চোখ অন্ধ হওয়া বা উভয় চোখে স্থায়ী অন্ধত্ব।[২১][২২] ফুসফুসেও সমস্যা হয়। ধীরে ধীরে ফুসফুসে পানি জমা হতে থাকে যেটি পালমোনারি ইডিমা নামে পরিচিত।[১৭] খিঁচুনির সময় পাকস্থলীয় খাদ্যাংশ বমি হয়ে বের হওয়ার সময় কিছু অংশ ফুসফুসে প্রবেশ করতে পারে। এটি পালমোনারি অ্যাস্পিরেশন নামে পরিচিত।[১৬] অ্যাস্পিরেশন হলে শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হতে পারে বা পরে ফুসফুসে সংক্রমন হতে পারে যাকে অ্যাস্পিরেশন নিউমোনিয়া বলে।[১৪][২৩] এমনও সম্ভব যে খিঁচুনির সময় শ্বাস সময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে বা অপর্যাপ্ত হবে এবং রোগিণীর শরীর ও মস্তিষ্কে অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দিবে যা হাইপোক্সিয়া নামে পরিচিত।[১৪][২৪] শ্বাস নিতে কষ্ট হলে সাময়িকভাবে সহায়ক যন্ত্রপাতির সাহায্যে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রয়োজন হতে পারে যেই প্রক্রিয়াটি মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন বা যান্ত্রিক শ্বাস-প্রশ্বাস নামে পরিচিত।পরিস্থিতি আরো জটিল হলে মা দুর্বল ও নিশ্চেষ্ট এমনকি গাঢ় নিদ্রাচ্ছন্ন হতে পারে[২২] যা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা সেরিব্রামের স্ফীতির লক্ষণ।[১৭][২২]

প্রতিরোধ

[সম্পাদনা]

এক্লাম্পসিয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য সঠিক সময়ে প্রি-এক্লাম্পসিয়া রোগ শনাক্ত করা ও এর যথাযথ চিকিৎসা জরুরি।গর্ভধারণের পুরো সময়টা নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ করা প্রয়োজন।.[২৫]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 "40"। Williams obstetrics (24th সংস্করণ)। McGraw-Hill Professional। ২০১৪। আইএসবিএন ৯৭৮০০৭১৭৯৮৯৩৮ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগে অবৈধ প্যারামিটার
  2. 1 2 WHO recommendations for prevention and treatment of pre-eclampsia and eclampsia. (পিডিএফ)। ২০১১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯২-৪-১৫৪৮৩৩-৫। ১৩ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)
  3. 1 2 Henderson, JT; Whitlock, EP; O'Connor, E; Senger, CA; Thompson, JH; Rowland, MG (২০ মে ২০১৪)। "Low-dose aspirin for prevention of morbidity and mortality from preeclampsia: a systematic evidence review for the U.S. Preventive Services Task Force."Annals of Internal Medicine১৬০ (10): ৬৯৫–৭০৩। ডিওআই:10.7326/M13-2844পিএমআইডি 24711050
  4. 1 2 Smith, JM; Lowe, RF; Fullerton, J; Currie, SM; Harris, L; Felker-Kantor, E (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "An integrative review of the side effects related to the use of magnesium sulfate for pre-eclampsia and eclampsia management."BMC Pregnancy and Childbirth১৩: ৩৪। ডিওআই:10.1186/1471-2393-13-34পিএমসি 3570392পিএমআইডি 23383864{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পতাকাভুক্ত নয় এমন বিনামূল্যে ডিওআই (লিঙ্ক)
  5. 1 2 Abalos, E; Cuesta, C; Grosso, AL; Chou, D; Say, L (সেপ্টেম্বর ২০১৩)। "Global and regional estimates of preeclampsia and eclampsia: a systematic review."। European journal of obstetrics, gynecology, and reproductive biology১৭০ (1): ১–৭। ডিওআই:10.1016/j.ejogrb.2013.05.005পিএমআইডি 23746796
  6. 1 2 GBD 2015 Mortality and Causes of Death, Collaborators. (৮ অক্টোবর ২০১৬)। "Global, regional, and national life expectancy, all-cause mortality, and cause-specific mortality for 249 causes of death, 1980-2015: a systematic analysis for the Global Burden of Disease Study 2015."Lancet৩৮৮ (10053): ১৪৫৯–১৫৪৪। ডিওআই:10.1016/s0140-6736(16)31012-1পিএমসি 5388903পিএমআইডি 27733281 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: |প্রথমাংশ1= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  7. Lambert, G; Brichant, JF; Hartstein, G; Bonhomme, V; Dewandre, PY (২০১৪)। "Preeclampsia: an update."। Acta Anaesthesiologica Belgica৬৫ (4): ১৩৭–৪৯। পিএমআইডি 25622379
  8. "Hypertension in pregnancy. Report of the American College of Obstetricians and Gynecologists' Task Force on Hypertension in Pregnancy." (পিডিএফ)Obstet. Gynecol.১২২ (5): ১১২২–৩১। নভেম্বর ২০১৩। ডিওআই:10.1097/01.AOG.0000437382.03963.88পিএমআইডি 24150027। ৬ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৮
  9. McDonald, SD; Lutsiv, O; Dzaja, N; Duley, L (আগস্ট ২০১২)। "A systematic review of maternal and infant outcomes following magnesium sulfate for pre-eclampsia/eclampsia in real-world use."। International journal of gynaecology and obstetrics: the official organ of the International Federation of Gynaecology and Obstetrics১১৮ (2): ৯০–৬। ডিওআই:10.1016/j.ijgo.2012.01.028পিএমআইডি 22703834
  10. Arulkumaran, N.; Lightstone, L. (ডিসেম্বর ২০১৩)। "Severe pre-eclampsia and hypertensive crises"। Best Practice & Research Clinical Obstetrics & Gynaecology২৭ (6): ৮৭৭–৮৮৪। ডিওআই:10.1016/j.bpobgyn.2013.07.003পিএমআইডি 23962474
  11. 1 2 Emile R. Mohler (২০০৬)। Advanced Therapy in Hypertension and Vascular Disease। PMPH-USA। পৃ. ৪০৭–৪০৮। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৫০০৯৩১৮৬। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  12. 1 2 3 Stone, C. Keith; Humphries, Roger L. (২০১৭)। "Chapter 19: Seizures"। Current diagnosis & treatment. Emergency medicine (8th সংস্করণ)। New York: McGraw-Hill। আইএসবিএন ৯৭৮০০৭১৮৪০৬১৩ওসিএলসি 959876721
  13. Kane SC, Dennis A, da Silva Costa F, Kornman L, Brennecke S (২০১৩)। "Contemporary Clinical Management of the Cerebral Complications of Preeclampsia"Obstetrics and Gynecology International২০১৩: ৯৮৫৬০৬। ডিওআই:10.1155/2013/985606পিএমসি 3893864পিএমআইডি 24489551 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |লেখকগণ= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পতাকাভুক্ত নয় এমন বিনামূল্যে ডিওআই (লিঙ্ক)
  14. 1 2 3 4 5 Gabbe MD, Steven G. (২০১৭)। "Chapter 31: Preeclampsia and Hypertensive Disorders"। Obstetrics : Normal and Problem Pregnancies। Jennifer R. Niebyl MD, Joe Leigh Simpson MD, Mark B. Landon MD, Henry L. Galan MD, Eric R.M. Jauniaux MD, PhD, Deborah A. Driscoll MD, Vincenzo Berghella MD and William A. Grobman MD, MBA (Seventh সংস্করণ)। Philadelphia, PA: Elsevier, Inc.। পৃ. ৬৬১–৭০৫। আইএসবিএন ৯৭৮০৩২৩৩২১০৮২ওসিএলসি 951627252
  15. Cunningham, F. Gary (২০১৪)। "Chapter 40: Hypertensive Disorders"। Williams Obstetrics। Leveno KJ, Bloom SL, Spong CY, Dashe JS, Hoffman BL, Casey BM, Sheffield JS. (24th সংস্করণ)। New York: McGraw-Hill Education। আইএসবিএন ৯৭৮০০৭১৭৯৮৯৩৮ওসিএলসি 871619675
  16. 1 2 3 Fleisher MD, Lee A. (২০১৮)। "Chapter: Eclampsia"। Essence of Anesthesia Practice। Roizen, Michael F.,, Roizen, Jeffrey D., (4th সংস্করণ)। Philadelphia, Pa.: Elsevier Inc। পৃ. ১৫৩–১৫৪। আইএসবিএন ৯৭৮০৩২৩৩৯৪৯৭০ওসিএলসি 989062320{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অতিরিক্ত বিরামচিহ্ন (লিঙ্ক)
  17. 1 2 3 4 5 Bersten, Andrew D. (২০১৪)। "Chapter 63: Preeclampsia and eclampsia"। Oh's Intensive Care Manual। Soni, Neil (Seventh সংস্করণ)। [Oxford]: Elsevier Ltd। পৃ. ৬৭৭–৬৮৩। আইএসবিএন ৯৭৮০৭০২০৪৭৬২৬ওসিএলসি 868019515
  18. "Chapter 46: Placenta Previa, Placenta Accreta, Abruptio Placentae, and Vasa Previa"। Creasy and Resnik's maternal-fetal medicine : principles and practice। Creasy, Robert K.,, Resnik, Robert,, Greene, Michael F.,, Iams, Jay D.,, Lockwood, Charles J., (Seventh সংস্করণ)। Philadelphia, PA। ২০১৪। পৃ. ৭৩২–৭৪২। আইএসবিএন ৯৭৮১৪৫৫৭১১৩৭৬ওসিএলসি 859526325{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অতিরিক্ত বিরামচিহ্ন (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক)
  19. "ACOG practice bulletin. Diagnosis and management of preeclampsia and eclampsia. Number 33, January 2002"Obstet Gynecol৯৯ (1): ১৫৯–৬৭। জানুয়ারি ২০০২। ডিওআই:10.1016/s0029-7844(01)01747-1পিএমআইডি 16175681
  20. "Chapter 35: Hypertension"। High risk pregnancy : management options। James, D. K. (David K.), Steer, Philip J. (4th সংস্করণ)। St. Louis, MO: Saunders/Elsevier। ২০১১। পৃ. ৫৯৯–৬২৬। আইএসবিএন ৯৭৮১৪১৬০৫৯০৮০ওসিএলসি 727346377{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক)
  21. Cunningham FG, Fernandez CO, Hernandez C (এপ্রিল ১৯৯৫)। "Blindness associated with preeclampsia and eclampsia"। American Journal of Obstetrics and Gynecology১৭২ (4 Pt 1): ১২৯১–৮। ডিওআই:10.1016/0002-9378(95)91495-1পিএমআইডি 7726272 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |লেখকগণ= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  22. 1 2 3 James, David K. (২০১১)। "Chapter 48: Neurologic Complications of Preeclampsia/Eclampsia"। High Risk Pregnancy। Steer, Philip J. (4th সংস্করণ)। St. Louis, MO: Saunders/Elsevier। পৃ. ৮৬১–৮৯১। আইএসবিএন ৯৭৮১৪১৬০৫৯০৮০ওসিএলসি 727346377
  23. Cronenwett, Jack L. (২০১৪)। "Chapter 40: Systemic Complications: Respiratory"। Rutherford's vascular surgery। Johnston, K. Wayne, (Eighth সংস্করণ)। Philadelphia, PA: Saunders, Elsevier। পৃ. ৬২৬–৬৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮১৪৫৫৭৫৩০৪৮ওসিএলসি 877732063{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অতিরিক্ত বিরামচিহ্ন (লিঙ্ক)
  24. Adams, James (২০১৩)। "Chapter 99: Seizures"। Emergency medicine : clinical essentials (2nd সংস্করণ)। Philadelphia, PA: Elsevier/ Saunders। পৃ. ৮৫৭–৮৬৯। আইএসবিএন ৯৭৮১৪৩৭৭৩৫৪৮২ওসিএলসি 820203833
  25. Sperling, Jeffrey D.; Gossett, Dana R. (২৫ এপ্রিল ২০১৭)। "Screening for Preeclampsia and the USPSTF Recommendations"। JAMA৩১৭ (16): ১৬২৯। ডিওআই:10.1001/jama.2017.2018

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]
শ্রেণীবিন্যাস
বহিঃস্থ তথ্যসংস্থান