উইকিপিডিয়া আলোচনা:জ্যোতির্বিজ্ঞান পরিভাষা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

I think somethings got deleted and replaced with another entry.. What's the english of প্রদীপ্ত/ঝলক তারা ?

  • Constellation may be তারামণ্ডলী or নক্ষত্রমণ্ডল or নক্ষত্রমণ্ডলী
  • তারামণ্ডল is sometimes used to mean Planaterium so I would suggest নক্ষত্রমণ্ডল or নক্ষত্রমণ্ডলী

ছায়াপথ and আকাশগঙ্গা both mean Milkey way because that's the way it looks spanning across the night sky..Galaxy in general is probably better represented as নক্ষত্রপূঞ্জ- I had read the term নক্ষত্রপূঞ্জ in 4-5 bengali astronomy books long back (I am not sure of ূ or ু)..--Saptarshi 128.12.147.175 ২৩:৩৮, ২৪ আগস্ট ২০০৬ (UTC)

বাংলা একাডেমীর বইটি (যেটা আমার দেখা definitive বই) ভিন্ন কথা বলছে। ওখানে ছায়াপথ একটা common noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Schemaটা এরকম:
  • galaxy = ছায়াপথ
  • Milky way/("The" Galaxy)= আকাশগঙ্গা ছায়াপথ (বা সংক্ষেপে "ছায়াপথ")
--অর্ণব (আলাপ | অবদান) ০০:৩২, ২৫ আগস্ট ২০০৬ (UTC)
কিন্তু ছয়াপথ শব্দটির ব্যুৎপত্তি লক্ষ্য করুন। যে "পথ" "ছায়া দিয়ে তৈরী" মনে হয়। পথের মত দেখতে হতে গেলে তা হতে হবে লম্বা সর্পিল। এবং আকাশগঙ্গা ছাড়া আর খুব কম গ্যালাক্সিই আছে যা এরকম পথের মত দেখতে। নক্ষত্রপুঞ্জ লিখলে একমাত্র নকতমণ্ডলের সঙ্গে একটু গুলিয়ে যাবার সম্ভাবনা ছাড়া আর কোন অসুবিধে তো দেখছি না। আমার মনে হয় আরো কয়েকটি উৎসে গ্যালাক্সির বাংলা দেখা উচিত।--সপ্তর্ষি(আলাপ | অবদান) ০৬:৩৪, ৩ মার্চ ২০০৭ (UTC)

নক্ষত্র না তারা[সম্পাদনা]

আসলে আমি পরে জানাবো বলেছিলাম এজন্য যে "তারা পরিচিতি" বইটি এই মুহূর্তে আমার হাতে নেই। যতদূর মনে আছে বলছি। আবদুল জব্বার লিখেছেন "নক্ষত্র" কয়েকটি তারার সমষ্টিকে বুঝায় যার সাথে রাশির একটি সম্পর্ক রয়েছে। তিনি এমনভাবেই লিখেছেন যে বুঝা যায় এটি তার মতামত নয় বরং এটিই প্রতিষ্ঠিত সত্য। তবে আগেই বলেছি আমার পুরো মনে নেই। আপনারা কেউ বইটি পড়ে নিলে ভাল হয়। বইয়ের প্রথমদিকের আলোচনা অংশেই রয়েছে। আর আমিও এই ব্যাপরে দ্বিধান্বিত। আমার জানার স্বল্পতা রয়েছে কারণ অন্য সব উৎসেই তারা এবং নক্ষত্রকে একই শব্দ বলা হচ্ছে। এখন আসা যাক তারামণ্ডল প্রসঙ্গে। আমরা আরো জেনে তারা ওবং নক্ষত্রের মধ্যে কোন শব্দটি ব্যবহার করবো এবং কোনটিকে redirect হিসেবে ব্যবহার করবো তা নিশ্চিত করবো। ততদিন কাজ বন্ধ থাক। তবে মণ্ডল/মণ্ডলী/নক্ষত্রমণ্ডলের ব্যাপারে যে ধাঁধার সৃষ্টি হয়েছে তা সম্বন্ধে বলতে চাই "কালপুরুষ মণ্ডল" আকারেই লিখা উচিত। আর "কালপুরুষ মণ্ডলী" আকারটিকে redirect হিসেবে দেয়া উচিত। কারণ এই বিষয়ের একমাত্র বই তারা পরিচিতি এবং এর নাথে সবাই একমত। সুতরাং আমরা মণ্ডলগুলোকে নিয়ে নিবন্ধ লেখা চালিয়ে যেতে পারি। কারণ এতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মনে করিনা। আপনারা চাইলে মণ্ডলীকে redirect করতে পারেন। ধন্যবাদ। মুহাম্মদ ০৭:০৯, ১১ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)

তাহলে আগে আবদুল জব্বারের বইটা যোগাড় করে উদ্ধৃতি নিন। কেননা, রাশি-র ঊপর ভিত্তি করে তারা আর নক্ষত্র আলাদা করাটা খুব বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে হচ্ছেনা। রাশিচক্র তো আর জ্যোতির্বিজ্ঞানের অংশ নয়, এটা জ্যোতিষশাস্ত্র। যেটা বিজ্ঞান নয়, সেটার পরিভাষাকে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেয়া উচিত কি না ভাবে দেখতে হবে। বিজ্ঞানীরা যদি নক্ষত্র আর তারার মধ্যে কোন পার্থক্য না করেন, সেটাই আমাদের ধরা উচিত। যাই হোক, আসল উদ্ধৃতিটা পড়লে আরও পরিষ্কার হবে। --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ১২:৪০, ১১ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)

এখানে আমার মনে হয় ধারণাটি আমাদের সাধারণ ভুল। রাশি কিন্তু বিজ্ঞানেরই বিষয়। সূর্যের গতিপথের ১২ টি ভাগই রাশি এবং এটি প্রাচীন মানুষের বিজ্ঞানমনস্কতারই পরিচায়ক। কিন্তু মানুষের ব্যবহারিক জীবনে রাশির যে প্রভাব বর্ণনা করা হয় তা হচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র। এই প্রভাবটুকু বাদ দিলে রাশিচক্র বিজ্ঞানের একটি অপরিহার্য অংশ। আর বইটি থেকে আমি দ্রুত উদ্ধৃতি দেবার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ। -- মুহাম্মদ ০৪:০২, ১৯ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)


বাংলা একাডেমির জ্যোতির্বিজ্ঞান শব্দকোষে এই উদ্ধৃতিটি পেলাম। "নক্ষত্র শব্দটিকে যদিও আমরা তারা বা star এর প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহার করছি তথাপি ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানে নক্ষত্র কিন্তু তা নয়। চন্দ্রপথকে ২৭ ভাগে ভাগ করে প্রতি ভাগের নাম রাখা হয়েছে নক্ষত্র। বিভিন্ন দেশে এই নাম বিভিন্ন। গ্রীসে আবার এরকম চন্দ্রনিবাসের কল্পনাও করা হয়নি। হিন্দু পুরাণে ২৭টি নক্ষত্র নিয়ে গল্প আছে। --- এর কোন পরিবর্তন নেই।(পৃষ্ঠা-১৮৬-পাদটীকা)"। তারা পরিচিতি বইটিতেও এই কথাই বলা আছে। তবে সেখানে নক্ষত্র শব্দের এহেন ব্যবহারকে আমাদের ভুল বলা হয়েছে। অর্থাৎ নক্ষত্র শব্দটি অবশ্যই চন্দ্রনিবাসকে নির্দেশ করে। আর ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করতে গেলে আমরা তো চন্দ্রপথের ভাগকে অন্য কোন নামে নামাঙ্কিত করতে পারবোনা। তাই আমি একটি প্রস্তাব দিচ্ছি। নক্ষত্র নামের মূল নিবন্ধটিতে চন্দ্রনিবাসের কথা লিখবো। আর "নক্ষত্র (দ্ব্যার্থতাবোধক)" নামে আরকটি নিবন্ধ তৈরী করে সেখানে বলবো যে বাংলা ভাষায় নক্ষত্র শব্দটিকে তারার প্রতিশব্দ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। সম্ভবত এভাবেই সমাধান সম্ভব। এক্ষেত্র সবচেয়ে বড় সমস্যা হবে "Category:নক্ষত্র"কে নিয়ে। কি আর করা যাবে এই বিষয়শ্রেণীর প্রতিটি নিবন্ধকে আবার সম্পাদনা করতে হবে। দ্রুত মতামত জানান। -- মুহাম্মদ ০৮:৪১, ২৯ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)


মুহাম্মদ ভাই, আব্দুল জব্বারের তারা পরিচিতি বইয়ের ব্যাপারে আপনার কথা ঠিকই আছে। এছাড়াও নক্ষত্র রঞ্জন ভৌমিক সম্পাদিত "নক্ষত্র পরিচয়" গ্রন্থে বলা হয়েছে, "রাশিচক্রের ওপর চাঁদ প্রতি দিনে ১৩ ডিগ্রির কিছু বেশী পশ্চিম থেকে পূবে সরে যায়। ফলে এক রাশি বা ৩০ ডিগ্রি অতিক্রম করতে তার লাগে প্রায় সোয়া দু'দিন। মানে, পুরো রাশি চক্রের ১২টি রাশি পেরিয়ে আসতে চাঁদের লাগে প্রায় ২৭ দিন ৪ ঘন্টা। এরকম একটা হিসাব রাখতে কত অসুবিধে বুঝতেই পারছ। এই অসুবিধে দূর করার জন্যেই বোধ হয় প্রাচীন কালের বৈদিক হিন্দুরা রাশিচক্রকে ২৭ট অংশে ভাগ করেছিলেন, যাদের প্রত্যেকটিকে বলা হয় একটি "নক্ষত্র"। প্রতিটি নক্ষত্রে চাঁদকে মাত্র এক দিন করে দেখা যায়।"(পৃষ্ঠা-৩২)। নক্ষত্রকে নানা জায়গায় "চান্দ্রনক্ষত্র" বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে তাই চন্দ্র নিবাসের কথা লেখা উচিৎ বলে আমার মনে হয়। আর নক্ষত্র(দ্ব্যার্থতাবোধক) পাতায় এটা বলে দিলেই হবে।

এই পাতায় দেখছি star শব্দটির পরিভাষা হিসেবে নক্ষত্র আর তারা দুটো শব্দই ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ঠিক করে দিতে চাই অর্থাৎ নক্ষত্র শব্দটি তুলে দিতে চাই কিংবা এখানে দ্ব্যার্থতাবোধক পাতার লিঙ্ক দিতে চাই। দ্রুত মতামত জানালে ভাল হয়। -- উচ্ছ্বাস তৌসিফ ১০:২০, ২৭ নভেম্বর ২০১৫ (UTC)

নাম পরিবর্তন[সম্পাদনা]

উইকিপিডিয়া:জ্যোতির্বিজ্ঞান পরিভাষা নামটি পরিবর্তন করে শুধু জ্যোতির্বিজ্ঞান পরিভাষা বা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পরিভাষা রাখা হোক। এই পাতাটির নাম পরিবর্তন অত্যাবশ্যক। নাম পরিবর্তন করলে গুগলে সহজেই জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কিত পরিভাষাগুলো খুঁজে পাওয়া যাবে।

পুণশ্চঃ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শব্দভাণ্ডার পাতাটিকে যেন এই পাতার সাথে একীভূত (মার্জ) না করা হয়। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শব্দভাণ্ডার পাতায় আমি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পদগুলোর সংজ্ঞা বা টিপ্পনীও যোগ করে দিব। Nakul Chandra Barman (আলাপ) ১১:২৩, ৫ অক্টোবর ২০১৯ (ইউটিসি)