উইকিপিডিয়া:খেলাঘর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

সেসময় থেকে বিভিন্ন ধরনের সমালোচনা এসেছিল ধর্মীয় জায়গা থেকে বিজ্ঞান সংস্থার তুলনায়।যদিও অনেক ধার্মিক বিবর্তনের নানা ঘটনাকে স্বীকার করে নিয়েছিল। কিন্তু কিছু ধর্ম বিশ্বাস একে বাতিল করে দেয় সৃষ্টিবাদের নামে।(এমন এক প্রকার বিশ্বাস যেখানে ধারণা করা হয় কোনো এক ঈশ্বর এই মহাজগৎ এবং জীবন সৃষ্টি করেছেন অলৌকিক ক্ষমতার দ্বারা)। নব্য সৃষ্টিবাদীরা এক নতুন পদচলার সূচনা করেন যার নাম দেওয়া হয় সৃষ্টিবাদ বিজ্ঞান, নব্যসৃষ্টিবাদ বিজ্ঞান, বুদ্ধমানের ডিসাইন এইসবকিছুই এমন এক ধারণার কথা বলে যেখানে জীবনকে সরাসরি ডিজাইন করা হয়েছে কোনো বুদ্ধিমান ঈশ্বরের দ্বারা। তারা দাবী করেন এটা বিজ্ঞানসম্মত এবং সর্বসাধারণের এটা পড়া এবং শিক্ষা নেওয়া উচিত। এই বিতর্ক বহুদূর বিস্তৃত হয় এবং নতুন অভিযোগ বিবর্তনের বিরুদ্ধে যেমনঃ স্বাভাবিক বিজ্ঞান মানছে না, নৈতিকতাহীন, সম্ভাবনা সূত্রের লঙ্ঘন এবং প্রমাণ ও ভিত্তিহীন ইত্যাদি দায়ের করে। যাই হোক বিজ্ঞান কমিউনিটি তাদের এই সব অভিযোগকে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায়, প্রমাণের ভিত্তিতে, স্বাভাবিক নিয়মানুসারে নিন্দুকের অপব্যাখ্যা, ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করে। সেসময় থেকে বিভিন্ন ধরনের সমালোচনা এসেছিল ধর্মীয় জায়গা থেকে বিজ্ঞান সংস্থার তুলনায়।যদিও অনেক ধার্মিক বিবর্তনের নানা ঘটনাকে স্বীকার করে নিয়েছিল। কিন্তু কিছু ধর্ম বিশ্বাস একে বাতিল করে দেয় সৃষ্টিবাদের নামে।(এমন এক প্রকার বিশ্বাস যেখানে ধারণা করা হয় কোনো এক ঈশ্বর এই মহাজগৎ এবং জীবন সৃষ্টি করেছেন অলৌকিক ক্ষমতার দ্বারা)। নব্য সৃষ্টিবাদীরা এক নতুন পদচলার সূচনা করেন যার নাম দেওয়া হয় সৃষ্টিবাদ বিজ্ঞান, নব্যসৃষ্টিবাদ বিজ্ঞান, বুদ্ধমানের ডিসাইন এইসবকিছুই এমন এক ধারণার কথা বলে যেখানে জীবনকে সরাসরি ডিজাইন করা হয়েছে কোনো বুদ্ধিমান ঈশ্বরের দ্বারা। তারা দাবী করেন এটা বিজ্ঞানসম্মত এবং সর্বসাধারণের এটা পড়া এবং শিক্ষা নেওয়া উচিত। এই বিতর্ক বহুদূর বিস্তৃত হয় এবং নতুন অভিযোগ বিবর্তনের বিরুদ্ধে যেমনঃ স্বাভাবিক বিজ্ঞান মানছে না, নৈতিকতাহীন, সম্ভাবনা সূত্রের লঙ্ঘন এবং প্রমাণ ও ভিত্তিহীন ইত্যাদি দায়ের করে। যাই হোক বিজ্ঞান কমিউনিটি তাদের এই সব অভিযোগকে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায়, প্রমাণের ভিত্তিতে, স্বাভাবিক নিয়মানুসারে নিন্দুকের অপব্যাখ্যা, ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করে। ==ইতিহাস==বিভিন্ন ধরনের বিবর্তনীয় চিন্তাভাবনা আসে ১৯ শতকের শুরুকে ঘিরে। বিশেষ করে ল্যামার্কের মতবাদকে ঘিরে( যেটা এমন এক মতবাদ যেখানেও এক প্রজাতি থেকে অপর প্রজাতির পরিবর্তন দেখানো হয়েছে। এই মতবাদটি বৈজ্ঞানিকভাবে তীব্র বিরোধীতার সম্মুখীন হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে জিওর্জস কার্ভিয়ারের দ্বারা এবং তার সাথে সাথে রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় বিরোধীতারও। [১] যখন চার্লস ডারউইন ১৮৫৯ সালে তার বই অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিস প্রকাশ করেন, তিনি তর্ক করেন বৈজ্ঞানিক মহলের সাথে যে নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয় তার গোত্রের সাধারণ পুর্বপুরূষের থেকে। কিন্তু যখন অনেক বিজ্ঞানী স্বীকার করে নিয়েছে প্রাকৃতিক নির্বাচন বৈধ এবং অভিজ্ঞতানির্ভর পরীক্ষণীয় মতবাদ, Darwin's view that it was the primary mechanism of evolution was generally rejected. [২] ডারউইনের বিবর্তন নিয়েপ্রাথমিক আপত্তি ছিল বিজ্ঞান এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ উভয়দিক থেকে। ডারউইনের সমসাময়ীকরা অবষেশে প্রজাতির পরিবর্তনকে স্বীকার করে নেম জীবাশ্ম প্রমাণের উপর নির্ভর করে। দ্য এক্স ক্লাব গঠিত হয় বিবর্তন কে চার্চ এবং অপেশাদার কর্মী থেকে রক্ষা করতে।[৩] যদিও বিবর্তনের প্রক্রিয়া -প্রাকৃতিক নির্বাচন- প্রশ্নবিদ্ধ হয় বিকল্প মতবাদ ল্যামার্কিজম দ্বারা।Darwin's gradualistic account was also opposed by saltationism and cat!astrophism. লর্ড ক্যালভিন বৈজ্ঞানিক ভাবেই বিরোধীতা করেন তার থার্মোডায়ানোমিক্স সুত্র দ্বারা Earth was between 24 and 400 million years old, an estimate strongly disputed by geologists. These figures were corrected in 1907 when radioactive dating of rocks showed that the Earth was billions of years old. [৪][৫]

ক্যালভিন নিজস্ব দৃষ্টিকোণ ঐশ্বরিক মতবাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [৬] ডারউইন সুনির্দিষ্ট ভাবে যে গঠনগত বংশগতিবিদ্যার ব্যাখ্যা দেন তার কোনো সমর্থিত প্রমাণ নাই। যদিও বিবর্তন হচ্ছে এটা সুনিশ্চিত ছিল, কিন্তু কিভাবে হচ্ছে এই বিষয়ে এক প্রকার অন্ধকারে ছিল গোটা বিশ্ব ১৮৮০ থেকে ১৯৩০ পর্যন্ত [৭][৮] যে পর্যন্ত না মেণ্ডেলের বংশগতিবিদ্যা আবিষ্কৃত হয় এবং নব্য বিবর্তনবাদের সূচনা হয়। নব্য সংশ্লেষণ নতুন নতুন প্রমাণ যেমন (জীনবিদ্যা) দ্বারা সার্বজনীনভাবে স্বীকৃতি পায় জীববিজ্ঞানীদের মধ্যে। যা সুনিশ্চিত করে ডারউইনের ভবিষ্যতবাণীকে এবং এ বিষয়ে বাকি মতবাদকে বাতিল করে দেয়। [৯]

  1. Johnston, Ian C. (১৯৯৯)। "Section Three: The Origins of Evolutionary Theory". . . And Still We Evolve: A Handbook for the Early History of Modern Science (3rd revised সংস্করণ)। Nanaimo, BC: Liberal Studies Department, Malaspina University-College। সংগৃহীত ২০০৭-০৭-২৫ 
  2. van Wyhe, John (২০০২)। "Charles Darwin: gentleman naturalist"The Complete Work of Charles Darwin Online। সংগৃহীত ২০০৭-০৭-২৫ 
  3. "Darwin's Timeline: November"AboutDarwin.com। Eugene, OR: David Leff। ফেব্রুয়ারি ১০, ২০০৮। সংগৃহীত ২০১৫-০৩-২১ 
  4. England, Philip; Molnar, Peter; Righter, Frank (জানুয়ারি ২০০৭)। "John Perry's neglected critique of Kelvin's age for the Earth: A missed opportunity in geodynamics"। GSA Today (Boulder, CO: Geological Society of America) 17 (1): 4–9। আইএসএসএন 1052-5173ডিওআই:10.1130/GSAT01701A.1 
  5. Boltwood, Bertram B. (ফেব্রুয়ারি ১৯০৭)। "On the Ultimate Disintegration Products of the Radio-Active Elements. Part II. The Disintegration Products of Uranium"। American Journal of Science। 4 (New Haven, CT: American Journal of Science) 23 (134): 78–88। আইএসএসএন 0002-9599ডিওআই:10.2475/ajs.s4-23.134.78 
  6. Bowler 1992, পৃ. 23–24
  7. The specific hereditary mechanism Darwin provided, pangenesis, lacked any supporting evidence. Although evolution was unchallenged, uncertainties about the mechanism in the eclipse of Darwinism persisted from the 1880s until the 1930s
  8. Bowler 1992, পৃ. 3
  9. Bowler 2003