ইস্টার্ন রিফাইনারী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইস্টার্ন রিফাইনারী
ইস্টার্ন রিফাইনারী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ইস্টার্ন রিফাইনারী
ইস্টার্ন রিফাইনারী এর অবস্থান
দেশ বাংলাদেশ
শহরচট্টগ্রাম
স্থানাঙ্ক২২°১৬′ উত্তর ৯১°৪৮′ পূর্ব / ২২.২৬৭° উত্তর ৯১.৮০০° পূর্ব / 22.267; 91.800স্থানাঙ্ক: ২২°১৬′ উত্তর ৯১°৪৮′ পূর্ব / ২২.২৬৭° উত্তর ৯১.৮০০° পূর্ব / 22.267; 91.800
শোধনাগারের বিস্তারিত
নিয়ন্ত্রণকারীবাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
মালিকবাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
ধারণক্ষমতা৩ এমএমটিপি

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড হল বাংলাদেশের একমাত্র তৈল শোধনাগার। কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রাম শহরের প্রান্তে  কর্ণফুলি নদীর তীরে ১৫ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা প্রারম্ভিক ব্যয়ের মাধ্যমে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে। এই শোধনাগারে আরও রয়েছে অনুঘটক পুনর্গঠন ইউনিট, এ্যাসফালটিক বিটুমিন প্ল্যান্ট এবং মৃদু হাইড্রোক্রাকিং ইউনিট। এটি ২০১৫ সালে সেরা সরকারী প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এই তৈল শোধনাগার ১৯৬৩ সালে পূব পাকিস্তান শিল্প পরিকাঠামো উন্নয়ন সংস্থা (৩৫%), বার্মা ওয়েল কর্পোরেশন(৩০%) ও বাকি অংশ বেসরকারি সহায়তায় গড়ে তোলা হয়।[২] এরপর ১৯৮৫ সালে ১০০% শেয়ার সরকার নিয়ন্ত্রনে নেয়।

উৎপাদিত দ্রব্য[সম্পাদনা]

এই তৈল শোধনাগারে ১৬ রকম প্রেট্রোলিয়াম দ্রব্য উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে প্রধান হল - এলপিজি, কেরসিন, ডিজেল, বিমানের জ্বালানি ইত্যাদি।

উৎপাদন ক্ষমতা[সম্পাদনা]

প্রথমে এই তৈল শোধনাগাড়ের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল আনেক কম। পরে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৈল শোধনাগারটির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে করা হয়েছে প্রায় ৩ এমএমটিপি।

খনিজ তেলের উৎস[সম্পাদনা]

এই শোধনাগারটিতে খনিজতেল আনা হয় প্রধানত মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলি থেকে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]