ইলুমিনাতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

দ্য ইলুমিনাতি একটি গুপ্ত সংগঠন। ১৭৭৬ সালের ১ মে ব্যাভারিয়া তে অ্যাডাম ওয়েইশপ্ট এই সংগঠন টি প্রতিষ্ঠা করেন। ইলুমিনাতি শব্দের অর্থ "যারা কোনো বিষয়ে বিশেষ ভাবে আলোকিত বা জ্ঞানার্জনের দাবী করে" অথবা "ধর্মীয় বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান সম্পন্ন কোনো দল"।

অ্যাডাম ওয়েইশপ্ট একজন জেসুইট ছিলেন । পরে ব্যাভারিয়ার ইংগোল্‌স্‌তাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে খ্রিষ্টান ধর্মীয় বিষয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। কিন্তু পরবর্তীকালে তার হাতেই গড়ে উঠে এই ইলুমিনাতি। অনেকেই ধারণা করে থাকে যে ইলুমিনাতি এর সৃষ্টির পিছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে ফ্রিম্যাসন্স রা। ক্যাথলিক খ্রিষ্টান দের চোখে ইলুমিনাতিরা ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে পরিগণিত হয়। অনেকের মতে এরা নতুন বিশ্ব ব্যাবস্থা গড়ে তোলার নীল নকশা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ড্যান ব্রাউন রচিত এঞ্জেল্‌স অ্যান্ড ডিমন্‌স উপন্যাস প্রকাশের ফলে এই সংগঠনটি আধুনিক কালে আবার আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়।

অ্যাডাম ওয়েইশপ্ট

ইতিহাস[সম্পাদনা]

উদ্ভব[সম্পাদনা]

ইলুমিনাতি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ মে,১৭৭৬ সালে ,ইঙ্গলস্তাদত(উচ্চ বাভারিয়া) এ।এটি প্রতিষ্ঠা করেন খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত অ্যাডাম ওয়েইশাপুত,যিনি ছিলেন ইঙ্গলস্তাদত বিশ্ববিদ্যালয় এর "ক্যাথলিক গির্জা আইন" বিভাগের প্রথম লে(কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন) অধ্যাপক , সংগঠনটি সাজানোর মাধ্যমে।এর সর্বপ্রথম সদস্য ছিলেন ৫ জন।

ইলুমিনাতি দেশে দেশে[সম্পাদনা]

ইলুমিনাতির সঠিক উদ্ভব কারন এখনো বিশ্লেষকদের কাছে পরিস্কার নয়। নতুন পৃথিবী গড়া তাদের মূল লক্ষ্য হলেও আপতদৃষ্টিতে তারা ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছান্ন সমাজের বিরুদ্ধে গুপ্তভাবে যথেষ্ট সোচ্চার। বিশেষভাবে ধারনা করা হয় মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ার ধর্মীয় নৈতিক স্খলন গুলো এদরে দ্বারাই প্রকাশ্যে আসে। ধারনা করা হয় এই ঘটনাগুলো সুত্রপাত থেকে ঘটনাপ্রবাহে জনসম্মুখে আসা- সকল ক্ষেত্রেই অদৃশ্যভাবে ভূমিকা পালন করে। যেমন ধরাযাক হিন্দুধর্মের একটি বিলুপ্ত সংস্কার হল সতীদাহ। এই দ্বাবিংশ শতাব্দিতেও সেরকম কোন ঘটনা ঘটবে তাও আবার ওই ধর্মের কোনএক পুরোহিতের(PRIEST) দ্বারা। সম্পুর্ন ঘটনা এবং এর বিরুদ্ধে জনমত উথ্বাপনে এদের প্রোরোচনাকে অনেকেই কলকাঠি হিসেবে ধারনা করেন। কিছু বিশেষজ্ঞ এরকম সংগঠনকে এবং এদের কার্যক্রমকে কাল্পনিক মনেকরেন।

আধুনিক সংস্কৃতিতে ইলুমিনাতি[সম্পাদনা]