ইয়াহিয়া ইবনে খালিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইয়াহিয়া ইবনে খালিদের সমাধি

ইয়াহিয়া ইবনে খালিদ ( আরবি: يحيى بن خالد‎, প্রতিবর্ণী. Yahyā ibn Khālid‎ ; মৃমৃত্যু-৮০৬ সাল) ছিলেন খালিদ ইবনে বার্মাকের পুত্র। তিনি শক্তিশালী ইরান-আসিরিয়ান বার্মাকিডস পরিবারের সদস্য ছিলেন। ৭৬৫ সালের দিকে, তিনি খলিফা আল-মনসুর কর্তৃক অধরবাজায়নে নিযুক্ত হন। ইয়াহিয়ার পুত্র ফাদল ইবনে ইয়াহইয়া রায়েতে জন্মগ্রহণ করেছিল ,এবং একসময়ে খলিফা আল-মাহদীর পুত্র হারুনের জন্ম হয়েছিল ৭৭৮ সালে। আল-মাহদি ইয়াহিয়াকে হারুনের শিক্ষার দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

আল-হাদী যখন খলিফা ছিলেন তখন ইয়াহিয়া খলিফা হারুনের পরিবর্তে তাঁর নিজের পুত্রের উত্তরাধিকারী হিসাবে ঘোষণা করা থেকে বেশ কয়েকবার ব্যর্থ হন। অবশেষে তিনি তা করেন এবং ইয়াহিয়াকে কারাগারে বন্দী করলেন। কিন্তু তার কিছুকাল পরে মারা গেলেন। হারুন যখন হারুন আল-রশিদ হিসাবে খলিফা হয়েছিলেন, তিনি ইয়াহিয়াকে উজির হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন । তার প্রভাবে খলিফা বাগদাদে ভারত থেকে বহু বিদ্বান এবং মাস্টার, বিশেষত বৌদ্ধদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এই সময়ে মুসলিম এবং অমুসলিম উভয় গ্রন্থের একটি তালিকা তৈরি করেছিলেন , কিতাব আল-ফিহ্রিস্ট , বৌদ্ধ রচনার একটি তালিকা অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। এর মধ্যে বুদ্ধের পূর্ববর্তী জীবন নিয়ে রচিত কিতাব আল-বুদ হল একটি আরবি সংস্করণ । [১]

তাঁর তিন পুত্র ছিল, যার মধ্যে জাফর তাঁর উজির হয়েছিলেন, মুসা দামাস্কাস শাসন করেছিলেন এবং ফাদল ছিলেন তৎকালীন মিশরের খুরাসানের গভর্নর হয়েছিলেন। ৮০৩ সালে তার পরিবারের মর্যাদাহানির শিকার হয় এবং তাকে কারাগারে বন্দী করা হয় ।যেখানে তিনি ৮০৬ সালে মারা যান (গল্প অনুসারে, কারণ তার ছেলে জাফর হারুন আল-রশিদের বোনের সাথে সম্পর্ক ছিল । সম্ভবত পরিবারটিও অনেক শক্তিশালী ছিল )।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  • খালিদের কথা উল্লেখ করে উইলিয়াম মুর লিখেছেন খিলাফতের 62 অধ্যায়