ইয়ামান্টা পর্বত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইয়ামান্টা পর্বত
40821335 YAmantau.jpg
উচ্চতা ১,৬৪০ মিটার (৫,৩৮১ ফুট)
অবস্থান
অবস্থান বাসকোরটোসতান, রাশিয়া
পরিসীমা ইউরাল পর্বতমালা
স্থানাঙ্ক ৫৪°১৫′১৮″ উত্তর ৫৮°০৬′০৭″ পূর্ব / ৫৪.২৫৫° উত্তর ৫৮.১০২° পূর্ব / 54.255; 58.102
ইয়ামান্টা পর্বত
Part of Armed Forces of the Russian Federation
Mezhgorye, Republic of Bashkortostan, রাশিয়া
প্রকার ভূগর্বস্থ মিরিটারি প্রকল্প
স্থানাঙ্ক ৫৪°১৫′১৮″ উত্তর ৫৮°০৬′০৭″ পূর্ব / ৫৪.২৫৫° উত্তর ৫৮.১০২° পূর্ব / 54.255; 58.102স্থানাঙ্ক: ৫৪°১৫′১৮″ উত্তর ৫৮°০৬′০৭″ পূর্ব / ৫৪.২৫৫° উত্তর ৫৮.১০২° পূর্ব / 54.255; 58.102
তৈরী ২০০৩ সাল থেকে শুরু
ব্যবহার অজানা
বুর্তমান অবস্থা অজানা
নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার মিলিটারি পুলিশ
রক্ষীসেনা মজেগোরিই
দখলকারী অজানা

ইয়ামান্টা পর্বত (রুশ: гора Ямантау) রাশিয়ার বাসকোরটোসতানের ইউরাল পর্বতমালার একটি অংশ। ইয়ামান্টা নামটি এসেছে স্থানীয় বাস্কি ভাষা (Яман тау) থেকে যার বাংলা অর্থ শয়তান। এ পর্বতের উচ্চতা ১৬৪০ মিটার (৫,৩৮১ ফুট) এবং ইউরাল পর্বতমালার দক্ষিণ অংশের সবচেয়ে উচুঁ চূড়া। এটি রাশিয়ার সুরক্ষিত জায়গা গুলোর একটি। এটি কসভিন্সকি পর্বত এর পাশেই অবস্থিত। আমেরিকার ধারনা মতে এখানে রাশিয়ার কোন পারমানবিক প্রকল্পের কাজ চলছে।[১] এছাড়া এটি রাশিয়ার মিলিটারি শহর মজেগোরিইর খুব কাছে অবস্থিত। ২০০৩ এর অগে এই পর্বতের শহরটি পুরুপুরি চলো করা হয়নি।[১]

১৯৯০ সালের শেষ দিকে বরিস ইয়েলৎসিনের শাসনামলে যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায় তখনকার সময়ই আমেরিকা সেটেলাইট ইমেজের সাহায্যে ইয়ামান্টার কিছু ছবি তুলেছিল।[১] ছবিগুলো পর্যবেক্ষন করে তারা ধারনা করে এই পর্বতমালার ভেতর রাশিয়া কোন গোপন কাজের জন্য খনন কাজ চালাচ্ছে। বলেরেস্ক-১৫ এবং বলেরেস্ক-১৬ নামের দুটি দুর্গ এই প্রজেক্ট এর উপরের অংশে এবং সম্ভবত ১৯৯৫ সালে আলকিনো-২ নামে আরো একটি দুর্গ মিলিটারি শহর মজেগোরিইর আশেপাশে কোথাও তৈরি করা হয়। এ অঞ্চলে ৩০ হাজারের মতো কর্মচারী কাজ করছে বলে ধারণা করা হয়। আমেরিকান সরকারর বারবার এই প্রকল্প সম্পর্কে রাশিয়াকে প্রশ্ন করলেও রাশিয়া সরকার ইয়ামান্টা পর্বত সম্পর্কে এক এক সময় ভিন্ন ভিন্ন উত্তর দিয়েছে।[২] রাশিয়ার ভাষ্য অনুযায়ি এটা তাদের খনিজ পদার্থ আহরণের স্থান, রাশিয়ার সঞ্চিত ধন রাখার ভাণ্ডার, খাদ্যভাণ্ডার এবং পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হলে যাতে রাশিয়ার নেতারা এখানে অশ্রয় নিতে পারে।[৩] ইয়ামান্টা সম্পর্কে ১৯৯৬ সালের এক প্রশ্নের জবাবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগ বিবৃতিতে বলে, বিদেশী সংবাদমাধ্যম গুলোতে ইয়ামান্টা সম্পর্কে যা রেখা হচ্ছে তার কোন অস্তিত্ত নেই। যাইকোক, এটি রাশিয়ার আভ্যন্তরিন নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য তৈরি করা হয়েছে।[৩] এই প্রকল্পে যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে একটি বড় রেল লাইন আছে তবে সেটি শুধু প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ঠ ব্যাক্তিদের জন্য।[৩] বহিরাগতের প্রবেশ এখানে সম্পূর্ন নিষেধ।

ইয়ামান্টা রাশিয়ার সর্বশেষ পারমানবিক গবেষনা কেন্দ্র চেলিয়াবিন্সক-৭০ এর খুব কাছে অবস্থিত বলে অনেকের ধারনা এটি রাশিয়ার একটি পারমাণবিক অস্ত্রের গুদাম। ১৯৯৬ সালের রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ি এটা হল একটি অটোমেটিক কমান্ড স্ট্রাকচার যেখান থেকে পারমানবিক যুদ্ধ শুরু হলে নিজে নিজেই মিসাইল চালু হবে।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ Blair, Bruce G (May 25, 2003)। "We Keep Building Nukes For All the Wrong Reasons"The Washington Post 
  2. "Yamantau, Beloretsk-15, Beloretsk-16, Alkino-2", Weapons of Mass Destruction, Global Security .
  3. ৩.০ ৩.১ ৩.২ Gordon, Michael R. (April 16, 1996)। "Despite Cold War's End, Russia Keeps Building a Secret Complex"The New York Times 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]