বিষয়বস্তুতে চলুন

ইখতিয়ারউদ্দীন বলকা খলজী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মালিক বলকা খলজি
বাংলার গভর্নর
কাজের মেয়াদ
১২২৯  ১২৩১
সার্বভৌম শাসকশামসুদ্দিন ইলতুতমিশ
পূর্বসূরীআলাউদ্দিন দৌলত শাহ খিলজি
উত্তরসূরীআলাউদ্দিন জানি
ব্যক্তিগত বিবরণ
পিতাআলী শের খিলজি

মালিক বলকা খলজি, দিল্লির সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ এর অধীনে ১২৩০–১২৩১ এর সময় লখ্নৌতির সিংহাসনে আরোহণ করেন। ১২৩০ খ্রিস্টাব্দে বাংলা পুনরায় বিজিত হয়। শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ বাঙ্গলা এবং বিহারকে দুইটি পৃথক প্রদেশে বিভক্ত করে দুই জন আলাদা শাসক নিযুক্ত করেন। তাদের উপাধি দেওয়া হয়েছিল জাবিতান বা কর্মকতা[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

বলখা ছিলেন গিয়াসউদ্দিন ইওয়াজ শাহ এর পুত্র।[] আলাউদ্দিন দৌলত শাহ খলজির মৃত্যুর পরে বলখা বাংলার সিংহাসন দখল করেছিলেন। বলখা নিজেকে বাংলার স্বাধীন শাসক হিসাবে রচনা করেছিলেন। বাংলার শাসনকর্তা নাসিরউদ্দিন মাহমুদের মৃত্যুর পর নতুন শাসনকর্তা নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত বাংলার অভ্যন্তরীণ শান্তি রক্ষার জন্য সেনানায়ক দৌলত শাহ বিন মউদুদ সৈন্যবাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তিনি (১২২৯-৩০ খ্রি.) সুলতান ইলতুৎমিশের সঙ্গে যৌথ মুদ্রা প্রবর্তন করার মত প্রদান করায় ক্ষুব্ধ হয়ে মালিক ইখতিয়ারউদ্দীন বলকা খলজী বিদ্রোহ করেন এবং দৌলত শাহকে পরাভূত ও হত্যা করে নিজে ক্ষমতা দখল করেন (১২৩০ খ্রি.)। দিল্লির সুলতান ইলতুৎমিশ ১২৩১ খ্রিস্টাব্দে বলকা খলজীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন। সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ ১২৩১ সালে আবার বাংলা আক্রমণ করেছিলেন। বলখাকে পরে বন্দী করে হত্যা করা হয়েছিল। এভাবে বাংলার খলজি রাজবংশের শাসনের অবসান ঘটে।[]

পূর্বসূরী
আলাউদ্দিন দৌলত শাহ খিলজি
বাংলার মুসলিম শাসক
(খিলজি রাজবংশ)

১২২৭-১২২৯ খ্রিষ্টাব্দ
উত্তরসূরী
আলাউদ্দিন জানি

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. মাখনলাল রায়চৌধুরী। "ভারতবর্ষের বৃহত্তর পরিচয় মধ্যযুগ" "দিল্লীতে দাস রাজত্ব (১২০৬-১২৯০ খ্রীঃ)dokumen.pub (ইংরেজি ভাষায়)। পৃ. ৯–১০। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০২৫ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |লেখকগণ= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য); অবৈধ |script-title=: উপসর্গ অনুপস্থিত (সাহায্য)
  2. Far East Kingdoms : South Asia
  3. "বলকা খলজী, ইখতিয়ার উদ্দীন"। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০