ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম
প্রতিষ্ঠাতা পরেশ বড়ুয়া
চেয়ারম্যান অভিজিত অসম
কমান্ডার-ইন-চিফ পরেশ বড়ুয়া
সংস্থাপিত ১৯৭৯
সদস্যপদ ১০,০০০
মতাদর্শ আসামী জাতীয়তাবাদ
সার্ববৌমত্ব
ওয়েবসাইট
archived version
দলের পতাকা
Flag of United Liberation Front of Asom.svg

ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম (উলফা) (অসমীয়া: সংযুক্ত মুক্তি বাহিনী, অসম) হল উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য সংগঠনের মত আসামের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন[১] যারা ভারত ফেডারেশন থেকে আসামের সার্বভৌমত্ব দাবি করে সশস্ত্র লড়াই করছে। ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে যখন মার্কিন সরকারের স্টেটস ডিপার্টমেন্ট সংগঠনটিকে "দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন এমন সংগঠনের" তালিকাভুক্ত করেছে।[২]

উলফা রাঙ গড়ে ৭ই এপ্রিল ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।[১] সুনীল নাথের তথ্যানুসারে ১৯৮৩ সালে নাগাল্যান্ডের জাতীয়তাবাদী সমাজতান্ত্রিক কাউন্সিলের সাথে উলফা সম্পর্কিত। এছাড়াও ১৯৮৭ সালে বার্মার কেআই এর সাথেও উলফা সম্পর্কিত।[৩] ১৯৯০ সালের দিকে সংগঠনটি সশস্ত্রভাবে সক্রিয় হওয়া শুরু করে যা এখনো চলছে। ভারতের সেনাবাহিনী ১৯৯০ সাল থেকেই উলফার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এখন পর্যন্ত উলফা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে চলা সংঘর্ষে ১৮,০০০ এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।[৪] ২০০৯ সালের ৫ই ডিসেম্বর সংগঠনটির চেয়ারম্যান ও ডেপুটি-কমান্ডার-ইন-চিফকে ভারতীয় তদন্তের সম্মখীন করা হয়।[৫]

উলফা নেতাদের একটি বড় অংশ বাংলাদেশে আত্মগোপনে চলে আসে এবং কেউ কেউ বাংলাদেশ নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন। এরপর বাংলাদেশ সরকার ও ভারত সরকার উলফা বিষয়ে বিভিন্ন সময় বৈঠকের আয়োজন কের তাদের হস্তান্তরের জন্য। ২০১০ সালের জানুয়ারি উলফার একটি অংশ তাদের নমনীয় অবস্থান ভারত সরকারের কাছে তুলে ধরে স্বাধীনতার দাবি থেকে ফিরে এসে সরকারের সাথে আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নেন।[৬] অপরদিকে পরেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বাধীন একটি অংশ পূর্বের দাবিতেই অটল থাকে। ৩০শে জানুয়ারি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার অস্ত্র চোরাচালানের একটি মামলায় পরেশ বড়ুয়াসহ ১৪ জনকে ফাঁসির আদেশ দেন।

২০১১ সালের তেসরা সেপ্টেম্বর উলফার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা না করার জন্য ভারত সরকার, আসাম সরকার ও উলফার মধ্যে একটি ত্রিমুখী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।[৭]

পদটীকা[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ "United Liberation Front of Assam (ULFA) - Terrorist Group of Assam"। Satp.org। সংগৃহীত 1 January 2013 
  2. Country Reports on Terrorism, 2006
  3. (Nath)
  4. Five killed in Assam bomb blasts - Dawn
  5. "Ulfa leaders held, admit China link"Hindustan Times। 5 December 2009। সংগৃহীত 1 January 2013 
  6. "ULFA softens demand on Assam independence"। Reuters। 3 January 2011। সংগৃহীত 3 January 2011 
  7. "Tripartite agreement signed with ULFA"The Hindu। 3 September 2011। সংগৃহীত 19 September 2012 

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]