আতিকাহ হাসিহোলান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আতিকাহ হাসিহোলান মুহাম্মদ
Atiqah Hasiholan, All New Sienta, 05.19.jpg
জন্ম (1982-01-03) ৩ জানুয়ারি ১৯৮২ (বয়স ৩৭)
নাগরিকত্বইন্দোনেশিয়ান
যেখানের শিক্ষার্থীমনাশ বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাঅভিনেত্রী, মডেল
উল্লেখযোগ্য কর্ম
জমিলা দাম সাং প্রেসিদেন
দাম্পত্য সঙ্গীরিও দেওয়ান্তো (২০১৩–বর্তমান)
সন্তানসালমা জিহানে পুত্রি দেওয়ান্তো
পিতা-মাতারত্না সারুমপায়েত (মা)
আশমাদ ফাহমি আলহাদি (বাবা)

আতিকাহ হাসিহোলান (জন্ম: ৩ জানুয়ারী ১৯৮২) হচ্ছেন ইন্দোনেশিয়া এর একজন অভিনেত্রী। একাডেমী পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র "জামিলা ড্যান সাগ প্রেসিডেন" এ অভিনয় করার জন্য তিনি অধিক পরিচিতি লাভ করেন।

জীবনী[সম্পাদনা]

আতিকাহ হাসিহোলান ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি তারিখে জন্মগ্রহণ করেন।[১] তার বাবা আশমাদ ফাহমি আলহাদি, হচ্ছেন একজন আরব ইন্দোনেশিয়ান ব্যবসায়ী এবং তার মা হচ্ছেন রত্না সারুমপায়েত, যিনি একজন বাটক নাট্যকার। তার তিনজন বড় ভাইবোন আছে: মোহাম্মদ ইকবাল আলহাদি, ফাথম শিলিয়ানা ও ইব্রাহিম আলহাদী।[২] একটি শিশু হিসাবে তিনি একজন আইনজীবী হতে চেয়েছিলেন।[১]

আতিকাহ হাসিহোলান অস্ট্রেলিয়া এর মেলবোর্ন এর মোনশ বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়াশোনা করেন, যেখানে তিনি গণমাধ্যম ও মনোবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। তার গ্রীষ্মের ছুটিতে, তিনি তার মায়ের থিয়েটার ট্রুপে অভিনয় করেন, যার নাম হলো "সাতু মরহ্ পুঠি পংগুন"; তার কার্যকলাপের আনন্দ তাকে একটি অভিনেত্রী হতে বিশ্বাস জুগিয়েছে। তিনি নিয়া ডিনাটা এর ২০০৬ এর ফিল্ম "বারবেগি সুয়ামি" (ভাগ ভালোবাসার জন্য), তিনি এই ফিচার ফিল্ম এর মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছেন। এরপর তিনি "সেস্টার এন" (নার্স এ; ২০০৭), "সিন্টা সেটমান" (প্রেমের পোতপুরি, ২০০৮) সহ আরও অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন- যার মধ্যে তিনি একজন পতিতা হিসেবে অভিনয় করেছেন। একই সাথে তিনি "পিন্টু তেরলারং" (নিষিদ্ধ দরজা; ২০০৯)[১][৩] অভিনয় করেছিলেন।

২০০৯ সালে, আতিকাহ হাসিহোলান তার মা এর চলচ্চিত্র জামিলা ড্যান সাগ প্রেসিডেন এ অভিনয় করেছিলেন, যেখানে তিনি জামিলিয়া নামক একটি পতিতা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন এবং তাকে একজন সরকারি মন্ত্রীকে হত্যার জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।[৪] প্রাথমিকভাবে আতিকাহ হাসিহোলান তার চরিত্রটি "নিয়মিত নোংরা স্ত্রীলোক পতিতাবৃত্তি" হিসাবে দেখেন, কিন্তু চরিত্রটি আরও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরার জন্য বাস্তব জীবনের যৌন কর্মীদের সাক্ষাত্কারের পর, তিনি "জীবনের শিকার" হিসেবে বিবেচিত হন।[৫][৬] চলচ্চিত্রটি সেরা বিদেশী ভাষা চলচ্চিত্রের জন্য ৮২ তম একাডেমি পুরস্কার এ জমা দেওয়া হয়,[৭] কিন্তু মনোনীত হয় না।[৮]

জামিলা ড্যান সাগ প্রেসিডেন এর পরে, টেডি সোয়েরিয়ামাদজা দ্বারা পরিচালিত রুমা মাইদা (মাইদা'স হাউস) চলচ্চিত্রে আতিকাহ হাসিহোলান অভিনয় করেছেন হাসিহোলান। চলচ্চিত্রে তিনি একটি যুব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসাবে অভিনয় করেন, যিনি জাকার্তায় একটি বাড়ির মধ্য দিয়ে ইতিহাস বিষয়ে অধ্যয়ন করেন; আতিকাহ হাসিহোলান বলেন যে "এই চলচ্চিত্রটি [তার] জাতীয়তাবাদের অনুভূতি বাড়িয়েছে।"[৯] তিনি তৃতীয়বার ২০১০ এর "দারহ গারুদা" (গারুদাদের রক্ত) চলচ্চিত্রে একটি ছোট্ট ভূমিকা এর জন্য একজন পতিতা হিসেবে অভিনয় করেন।[১] ভূমিকার জন্য তিনি একটি বন্দুকও পরিচালনা করেছিলেন, যা তিনি "অনেক ভারী" হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন।[৩] একই বছর তিনি সেক্স কমেডি "মাফিয়া ইনসাফ" (পিতা মাতৃমুখী) মধ্যে অভিনয় করেন।[১]

আতিকাহ হাসিহোলান ২০১১ সালে কামিলা আন্দিনি দ্বারা পরিচালিত দ্য মিরর নেভার লাইস এ অভিনয় করেছেন, যেখানে তিনি প্রধান চরিত্রের মা হিসাবে হাজির হন। ওয়াকাতোবিতে বাজু পরিবার সম্পর্কে এই ছবিটি ছিল সামুদ্রিক সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে।[১] ২০১১ সালের জুন মাসে, ছোট্ট ফিল্ম "পেং মারাহ" ("লাল ছাতা"), যার মধ্যে আতিকাহ হাসিহোলান একটি লাল ছাতা এবং প্রেমের সমস্যা নিয়ে একটি মহিলা এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যেটি স্ক্রিন সিঙ্গাপুরের উৎসবে শ্রেষ্ঠ এশিয়ান শর্ট ফিল্ম জিতেছে।[১০] পরে ২০১১ সালে তিনি "আরিসান!" এর দ্বিতীয় সংস্করণ "আরিসান ২!" এ উপস্থিত হন।[১১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

পাদটীকা
গ্রন্থপঞ্জি
  • Arianto, Arif (২৮ এপ্রিল ২০০৯)। "Demi Jamila, Atiqah Hasiholan Rajin ke Tempat Pelacuran" [For Jamila, Atiqah Hasiholan Regularly Goes to Prostitution Districts]। Tempo (Indonesian ভাষায়)। ১ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১২ 
  • "Atiqah Hasiholan takes on prostitute role, again"The Jakarta Post। ১৭ জুন ২০১০। ৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১২ 
  • Febrina, Anissa S. (১৮ এপ্রিল ২০০৯)। "A gr♫ay world on the silver screen"The Jakarta Post। ৪ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১২ 
  • Handojo, Ve (৫ জুন ২০১১)। "Short Film Makes a Big Splash"Jakarta Globe। ২৯ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১২ 
  • "'Jamila dan Sang Presiden' ready for Oscar"The Jakarta Post। ৩১ অক্টোবর ২০০৯। ২৪ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১২ 
  • "Jamila dan Sang Presiden Gagal Raih Oscar" [Jamila dan Sang Presiden Fails to Receive Oscar]। Antara (Indonesian ভাষায়)। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০। ১ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১২ 
  • Kurniasari, Triwik (১ মে ২০১১)। "Atiqah Hasiholan: Finding her true passion"The Jakarta Post। ৩ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১২ 
  • Kurniasari, Triwik (১ নভেম্বর ২০০৯)। "'Ruma Maida' portrays the country's history"The Jakarta Post। ১৫ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১২ 
  • Kurniasari, Triwik (৪ ডিসেম্বর ২০১১)। "Still witty but more touching"The Jakarta Post। ৮ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১২ 
  • "Sarumpaet bags two priz♫es at Vesoul"The Jakarta Post। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০। ১ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১২ 
  • Sarumpaet, Ratna। "Journey"RatnaSarumpaet.com (Indonesian ভাষায়)। ৩ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]