অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কিছু নির্দিষ্ট দেশের ১৯৯০ থেকে ১৯৯৮ এবং ১৯৯০ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রকৃত জিডিপির প্রবৃদ্ধি।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বলতে নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের অর্থনীতিতে পণ্য ও সেবার উৎপাদন বৃদ্ধি বোঝায়। সাধারণতঃ কোন দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধির শতকরা হারকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

একটি দেশ অর্থনৈতিক ভাবে কতটা উন্নতি করছে তার প্রধান নিয়ামক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। সহজ ভাষায় অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি বলতে মোট দেশজ উৎপাদনের বর্ধিত অংশের শতকরা মানকে বোঝায়। বাৎসরিক প্রবৃদ্ধি হিসাবের সময় বৎসরান্তে পণ্য ও সেবার মূল্যমান চলতি মূল্যে নিরূপিত হতে পারে। তবে বৎসরান্তে পণ্য ও সেবার চলতি মূল্যে নিরূপিত মূল্যমান মূল্যস্ফীতির অনুপাতে সমন্বয় করা যেতে পারে; তাতে মোট দেশজ উৎপাদন প্রকৃত পরিমাপ পাওয়া যাবে।

প্রবৃদ্ধি বনাম ব্যবসায় চক্র[সম্পাদনা]

ব্যবসায় লাভ লোকসান বা উত্থান পতন থাকে। তা হতে পারে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কিংবা কোন নির্দিষ্ট ব্যবসায়ের জন্য। শিল্প বিপ্লব পরবর্তী দুই শত বৎসরে পরিলক্ষিত হয়েছে যে, অর্থনীতিতে ধারাবাহিকচক্রে উত্থান ও পতন হয়ে থাকে। একে বলা হয় ব্যবসায় চক্র। ব্যবসায় চক্র আবতর্নশীল। সাধারণতঃ ব্যবসায় চক্র পরিলক্ষিত হয় অত্যন্ত স্বল্প পরিসরে এবং স্বল্প সময়ের জন্য। তবে তা দীর্ঘ সময়েরও জন্য হতে পারে। ব্যবসায় চক্রের উত্থান পর্বে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি হতে থাকে। অপরপক্ষে ব্যবসায় চক্রের পতন পর্বে ক্রমাগত উৎপাদন হ্রাস পেতে থাকে, পণ্য ও সেবার মূল্যসূচক ধারাবাহিকভাবে পড়ে যেতে থাকে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রবৃদ্ধির তত্ত্ব[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]