মেহেদি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মেহেদি
Lawsonia inermis Ypey36.jpg
Lawsonia inermis
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
বিভাগ: Magnoliophyta
শ্রেণী: Magnoliopsida
বর্গ: Myrtales
পরিবার: Lythraceae
গণ: Lawsonia
প্রজাতি: L. inermis
দ্বিপদী নাম
Lawsonia inermis
L.

মেহেদি (Lawsonia inermis, মেহেদী, মেহেন্দী, মেন্দি। ইংরেজিতে হেনা, যা আরবি হিন্না حِنَّاء থেকে এসেছে [১]) এক ধরনের সপুষ্পক উদ্ভিদ, যার পাতা প্রাচীনকাল থেকে ত্বক, চুল, নখ, পশুর চামড়া ও পশম রঙিন করার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই উদ্ভিদের পাতার সাথে অন্যান্য দ্রব্য মিশিয়ে আধা-কৃত্রিম পদার্থ তৈরি করা হয়, সেটাও মেহেদি নামেই পরিচিত। মেহেদির নানা প্রকার ঔষধি গুণাগুণও রয়েছে ।

হাতে মেহেদি দেয়া হচ্ছে

ব্যবহার[সম্পাদনা]

ব্রোঞ্জ যুগ থেকেই দুনিয়াবাসীরা রঞ্জক হিসেবে মেহেদি ব্যবহার করে আসছে। দুনিয়ার বহু দেশে এটি উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বাংলাদেশে ঈদ ও বিয়ে উপলক্ষে এর ব্যবহার অনেকটা আবশ্যিকরূপে প্রচলিত। ভারতীয় আদালতে চুলের রঙ হিসেবে মেহেদির ব্যবহারের কথা উল্লেখ আছে যেটা প্রায় ৪০০ খ্রিস্টাব্দের।[২] ছত্রাক-রোধী হিসেবেও মেহেদি কার্যকর।[৩] কাপড় ও চামড়া সংরক্ষণেও এর ব্যবহার হয়। মেহেদি ফুল থেকে সুগন্ধী তৈরি হতো বহু প্রাচীনকাল থেকেই, বর্তমান যুগে এর উৎপাদন আবার শুরু হয়েছে। পোকা দমনেও মেহেদি ব্যবহৃত হয়। লসোন (lawsone) নামক এক প্রকার পদার্থের উপস্থিতির জন্যই মেহেদিতে রঙ হয়। মেহেদির পাতাতেই প্রধানত: লসোন থাকে। যে গাছের পাতায় লসোন বেশি সে গাছের ফলে বীজ কম হয়।[৪]

ছবি গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bailey, L.H., Bailey, E.Z., and the staff of the Liberty Hyde Bailey Hortorium. 1976. Hortus third: A concise dictionary of plants cultivated in the United States and Canada. Macmillan, New York.
  2. Auboyer, Jeannine (2002) [1961]। Daily life in ancient India: from 200 BC to 700 AD। London: Phoenix। আইএসবিএন 978-1-84212-591-5ওসিএলসি 50577157 
  3. Bosoglu A, Birdane F, Solmaz H (1998)। "The effect of Henna (Folium lawsoniae) paste in ringworm in calves"। Indian Veterinary Journal 75 (1): 83–84। আইএসএসএন 0019-6479 
  4. Singh, M., Jindal, S. K., & Singh, D. (2005)। "Natural Variability, Propagation, Phenology and Reproductive Biology of Henna"। Henna: Cultivation, Improvement, and Trade। Jodhpur: Central Arid Zone Research Institute। পৃ: 13–18। ওসিএলসি 124036118 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

The Henna Page