মাধবীলতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মাধবীলতা
Hiptage benghalensis
Hiptage benghalensis 猿尾藤 1 (天問).jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): Rosids
বর্গ: Malpighiales
পরিবার: Malpighiaceae
গণ: Hiptage
প্রজাতি: H. benghalensis
দ্বিপদী নাম
Hiptage benghalensis
(L.) Kurz

মাধবী বা মাধবীলতার অনেক নাম- মণ্ডপ, কামী, পুষ্পেন্দ্র, অভীষ্টগন্ধক, অতিমুক্ত, বিমুক্ত, কামুক ও ভ্রমরোৎসব। মাধবীর বোটানিক্যাল নাম Hiptage benghalensis (L.) Kurz., ফ্যামিলি Malpighiaceae। এসব নাম মাধবীর ভাব প্রকাশে ব্যবহার হয় এবং কাব্যরসে ভরপুর। এক সময় পুণ্ড্রক দেশে অর্থাৎ ময়মনসিংহে মাধবী প্রচুর পাওয়া যেত। এর জন্য এর আরেক নাম পুণ্ড্রক। মাধবী বৃক্ষারোহী লতা এবং দীর্ঘজীবী। ডাল ছোট ছোট এবং ঝোপঝাড় হয়ে যায়। এভাবে বহুবর্ষী হলে ধীরে ধীরে মূল লতাটি বেশ মোটা হয়ে যায়। ডাল দু' তিন বছর পরপর কেটে দিতে হয়, তারপর লতা যতই বাড়তে থাকে ততই নতুন নতুন ডালপালা গজায় ফুল বেশি ফোটে। এর মোটা মোটা ডালের ছাল মেটে রঙের, ভেতরের কাঠ লালচে ও শক্ত। পাতা বিপরীতমুখী, আয়তকার, বোঁটার দিক থেকে আগা ক্রমশ সরু, সাধারণত ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা হয়। অনেকটা চাঁপা ফুলের পাতার মতো। বাগানের শোভার জন্য যত্ন করে মাধবী লাগানো হয়। তবে এই লতা গাছটি এখন প্রায় দুষ্প্রাপ্য।

মাধবীর ফুল গুচ্ছবদ্ধ ও বিন্যাস সুসংবদ্ধ। মুকুলগুলো সূক্ষ্ম রোমে ভরা। ফুল সাদা রঙের, পাঁচটি পাপড়ি এবং তার মধ্যে পঞ্চম পাপড়িটির গোড়ার দিক হলদেটে। ফুল দেখতে তিল ফুলের মতো এবং খুব সুগন্ধি। বসন্ত ও গ্রীষ্ম এই ফুলের ঋতু হলেও কখনো কখনো বর্ষা পর্যন্ত ফোটে। ফুল থেকে ফল হয়, বীজ থাকে ২/৩টি এবং তা রোমশ।

মাধবী অযত্নেও বাড়ে, বীজ থেকে চারা হয়, ডাল কেটে মাটিতে পুঁতে রাখলেও চারা পাওয়া যায়। মাধবীর পাতা গরু-ছাগলে খায়।[১]

মাধবীলতা ফুল

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  • Bailey, L. H./Bailey, E. Z. 1976. Hortus third: A concise dictionary of plants cultivated in the United States and Canada, Macmillan, New York.
  • Agharkar, S.P. 1991. Medicinal plants of Bombay presidency, Scientific Publishes, Jodhpur, India
  • Verma, D.M./Balakrishnan, M.P./ Dixit, R.D. 1993. Flora of Madhya Pradesh. Vol. I., Botanical Survey of India, Kolkata, India

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "গাছপালা তরুলতা",বিপ্রদাশ বড়ুয়া, বাংলা একাডেমী, ঢাকা।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]