মাই নেইবর তোতোরো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মাই নেইবর তোতোরো
পরিচালিত হয়েছে হায়াও মিয়াজাকি
প্রযোজক Toru Hara
লেখক হায়াও মিয়াজাকি
অভিনয়ে চিকা সাকামটো
নোরিকো হিদাকা
হিতোশি তাকাগি
Tanie Kiribayashi
Shigesato Itoi
Sumi Shimamoto
সঙ্গীত Joe Hisaishi
চলচ্চিত্রায়ন Hisao Shirai
সম্পাদনা Takeshi Seyama
পরিবেষণা তোহো (জাপান)
ট্রোমা ফিল্মস - ১৯৯৩ (যুক্তরাষ্ট্র)
ডিজনি - (যুক্তরাষ্ট্র)
মুক্তিপ্রাপ্ত তারিখ জাপান এপ্রিল ১৬ ১৯৮৮
ফক্স ডাব
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৩
ডিজনি ডাব
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মার্চ ৭ ২০০৬
সময় ৮৬ মিনিট
ভাষা জাপানি

মাই নেইবর তোতোরো (জাপানিজ ভাষায়, তেনারি নো তোতোরো) ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র। এটি হায়াও মিয়াজাকির চিত্রনাট্যে পরিচালিত এবং স্টুডিও ঘিবলিকর্তৃক প্রযেজিত। চলচ্চিত্রটি ১৯৮৮ সালে এনিমেজ এনিম গ্রান্ড প্রিক্স পুরস্কার অর্জন করে। ডিজনি ৭ মার্চ, ২০০৬ সালে ছবিটি পুনরায় মুক্তি দেয়।

পরিচ্ছেদসমূহ

চরিত্র [সম্পাদনা]

সাসুস্কি কুসাকব্বে | Satsuki Kusakabe
১১ বছর বয়সী মেয়ে। সাসুস্কি হচ্ছে মে'র বড় বোন। সাসুস্কি প্রচলিত জাপানী বর্ষলিপির পঞ্চম মাস, যা কিনা ইংরেজি মে মাসের সমতূল্য।
মে কুসাকব্বে | Mei Kusakabe
সাসুস্কির চার বৎসর বয়সী বোন। তার নাম ইচ্ছাকৃতভাবেই তার বড় বোনের নামকে প্রতিধ্বনি করে রাখা হয়েছে এটা প্রমান করতে যে মূল কাহিনিতে একটাই চরিত্র ছিলো। সেটা পরে বড় বোন এবং ছোট বোন দুটি চরিত্রে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
তাটসু কুসাকব্বে | Tatsuo Kusakabe
মেয়েদের বাবা, টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্নতত্ত্ব এবং নৃতত্ত্ব বিভাগে কাজ করেন।
ইআসুকো কুসাকব্বে | Yasuko Kusakabe
মেয়েদের মা, অজ্ঞাত এক অসুস্থতার কারনে (পরিচালকের দেওয়া তথ্যমতে এটা ছিলো যক্ষা[১]) সিচিকোকুয়ামা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সিচিকোকুয়ামা হাসপাতাল যক্ষা রোগের চিকিৎসার জন্য সুপরিচিত। মিয়াজাকির মা ছোটকালে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
তোতোরো | Totoro
ধূসর-সাদা, কমপক্ষে তিন মিটার লম্বা, বন্ধুভাবাপন্ন বনের ভূততোতোরো হচ্ছে মে'র তোরোরু শব্দের ভুল উচ্চারন। তোরোরু জাপানিজ শব্দ, মানে "ট্রল" বা লনওয়ার্ড। ছবিতে এই রকম আরও দুটি চরিত্র আছে, তাদের নামও "তোতোরো"; বড় ধূসর তোতোরোর নাম হচ্ছে "ও-তোতোরো" বা "মিমিনজুকো", মাঝারিটার নাম হচ্ছে "চূ-তোতোরো" বা "জুকো", আর ছোটোটার নাম হচ্ছে "চিবি-তোতোরো" বা "মিনি"।
কান্তা অগাকি | Ōgaki Kanta
গ্রামের কিশোর, সাসুস্কির প্রতি ঝোঁক আছে। মিয়াজাকির নিজের মতো এই চরিত্রটিও কার্টুন আর প্লেন পছন্দ করে।
গ্রানী | Granny
কান্তার দাদী, যিনি মাঝে মাঝে মেয়েদের দেখে রাখেন।
ক্যাটবাস | Nekobasu
ক্যাটবাস যেটা কিনা বদলে একটা যাত্রীবাহী বাস হয়ে যায়। জাপানি লোকপ্রচলিত সংস্কার বা কুসংস্কার হলো, যদি বিড়ালের যথেষ্ট বয়স হয়, সে দেহ-পরিবর্তন করার জাদু অর্জন করে। তাকে তখন "বাকেনেকো[২]" বলে ডাকা হয়। বেশ কিছু ঘিবলির চলচ্চিত্রে "বাকেনেকো"র উল্লেখ আছে।

গল্পসূত্র [সম্পাদনা]

তোতোরো এবং সিন্তো [সম্পাদনা]

আরও দেখুন [সম্পাদনা]

দ্রষ্টব্য [সম্পাদনা]