ভূত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জন ডিএডওয়ার্ড কেলি এক মৃত ব্যক্তির প্রেতাত্মাকে নামাচ্ছেন (অ্যাস্ট্রোলজি গ্রন্থের এবেনেজার সিবলি কৃত চিত্রণ, ১৮০৬)

প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভূত হল মৃত ব্যক্তির আত্মা যা জীবিত ব্যক্তিদের সামনে দৃশ্য আকার গ্রহণ বা অন্য কোনো উপায়ে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম। ভৌতিক অভিজ্ঞতার গল্প প্রায়শই শোনা যায়। এই সকল বিবরণীতে ভূতকে নানাভাবে বর্ণনা করা হয়েছে: কখন অদৃশ্য বা অস্বচ্ছ বায়বীয় সত্ত্বায়, কখনও বা বাস্তবসম্মত সপ্রাণ মানুষ বা জীবের আকারে। প্রেতাত্মার সঙ্গে যোগাযোগস্থাপন করে ভবিষ্যদবাণী করার বিদ্যাকে নেক্রোম্যান্সি বা কালো জাদু বলা হয়ে থাকে।

প্রাক-শিক্ষিত সংস্কৃতিগুলির সর্বপ্রাণবাদপূর্বপুরুষ পূজার মধ্যে ভূতের প্রথম বিবরণ পাওয়া যায়। সেযুগে কিছু নির্দিষ্ট ধর্মীয় প্রথা, অন্ত্যেষ্টি সংস্কার, ভূত-তাড়ানো অনুষ্ঠান ও জাদু অনুষ্ঠান আয়োজিত হত মৃতের আত্মাকে তুষ্ট করার জন্য। প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, ভূতেরা একা থাকে, তারা নির্দিষ্ট কিছু স্থানে ঘুরে বেড়ায়, জীবদ্দশায় যে সকল বস্তু বা ব্যক্তির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিল সেগুলিকে বা তাদের তাড়া করে ফেরে। তবে ভূত বাহিনী, ভৌতিক ট্রেন, ভৌতিক জাহাজ এমনকি ভৌতিক জীবজন্তুর কথাও শোনা যায়।[১][২]

[সম্পাদনা] ছবি

  • Ghost of Maria Marten.jpg Dracula-jpg.jpg Ghosts of Vimy Ridge.jpeg

[সম্পাদনা] পাদটীকা

  1. Hole, pp. 150-163
  2. Daniel Cohen (1994) Encyclopedia of Ghosts. London, Michael O' Mara Books: 8
নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ