প্লেইং বাই হার্ট
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। |
| প্লেইং বাই হার্ট | |
|---|---|
| পরিচালিত হয়েছে | উইলার্ড ক্যারল |
| প্রযোজক | উইলার্ড ক্যারল মেগ লিবারম্যান |
| লেখক | উইলার্ড ক্যারল |
| অভিনয়ে | জিলিয়ান অ্যান্ডারসন এলেন বার্সটিন শন কনারি অ্যান্থনি অ্যাডওয়ার্ডস অ্যাঞ্জেলিনা জোলি জায় মোর রায়ান ফিলিপ ডেনিস কুয়েইড জেনা রোল্যান্ডস জন স্টুয়ার্ট ম্যাডেলিন স্টো মাইকেল এমারসন |
| সঙ্গীত | জন ব্যারি |
| চলচ্চিত্রায়ন | ভিলমস সিগমন্ড |
| সম্পাদনা | পিয়েত্রো স্কেলিয়া |
| পরিবেষণা | মিরাম্যাক্স ফিল্মস |
| মুক্তিপ্রাপ্ত তারিখ | ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ |
| সময় | ১২১ মিনিট |
প্লেইং বাই হার্ট (ইংরেজি: Playing by Heart) হচ্ছে ১৯৯৮-এ নির্মিত একটি কমেডি-ড্রামা চলচ্চিত্র। এ ছবিটিতে বিভিন্ন চরিত্রের কাহিনী বিধৃত হয়েছে, যদিও তাঁদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ থাকে না।
কাহিনীসংক্ষেপ [সম্পাদনা]
এই চলচ্চিত্রে বিভিন্ন রকম জুটির জীবন ফুটে উঠেছে। এর মধ্যে আছে বয়স্ক দম্পতির (শন কনারি ও জেনা রোল্যান্ডস) নিজেদের পরস্পরের কাছে পুনর্প্রতিজ্ঞা; সমাজবিরোধী নারী (জিলিয়ান অ্যান্ডারসন) ও অদ্ভুত ব্যক্তির (জন স্টুয়ার্ট) মধ্যে গড়ে ওঠা প্রেম; এইডস-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী এক ছেলে (জায় মোর) ও তাঁর মা (এলেন বার্সটিন), যে কি না তাঁর ছেলেকে বাঁচাতে উন্মুখ; দুইজন ক্লাবার (রায়ান ফিলিপ ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি), একটি নাইট ক্লাবে যাদের পরস্পরের সাথে দেখা হয়; প্রেমরত জুটি (অ্যান্থনি এডওয়ার্ডস ও (ম্যাডেলিন স্টো]]; এবং একজন নিঃসঙ্গ ব্যক্তি (ডেনিস কুয়েইড) যে কিনা তাঁর জীবনের কষ্টের কথা শোনায় বারে দেখা হওয়া এক নারীকে (প্যাট্রিসিয়া ক্লার্কসন), কিন্তু তাঁর কাহিনী শুনে তাঁর মনে হয় আরেকজন রহস্যময় নারীর সাথে সম্ভবত এ ঘটনার কোনো সংযোগ আছে। এভাবেই গল্প আগাতে থাকে, এবং আস্তে আস্তে চরিত্রগুলোর পরস্পরের সাথে সম্পর্ক তৈরি হয়।